বিষয়বস্তুতে চলুন

অলি আহমেদ

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে

কর্ণেল (অবঃ) অলি আহমেদ (জন্ম: ১৩ মার্চ ১৯৪১) বীর বিক্রম বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক মন্ত্রী। ১৯৭১ সালে তিনি চট্টগ্রামে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহে অংশ নেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর বিক্রম খেতাব প্রদান করে।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • যুদ্ধ হলো একটা সশস্ত্র সংগ্রাম। দুই গ্রুপের মধ্যে অস্ত্র থাকে, দুই গ্রুপে যুদ্ধ করে। সেই যুদ্ধটা কী জন্য হয়? দেশকে স্বাধীন করার জন্য হয় বা অন্য দেশকে দখল করার জন্য হয়। এখানে তো এরকম কোনো ব্যাপার ছিল না। দেশকে স্বাধীন করার ব্যাপারও ছিল না, অধিকার কবার ব্যাপারও ছিল না। এখানে ব্যাপারটা ছিল হাসিনামুক্ত বাংলাদেশ করার, আওয়ামী লীগমুক্ত বাংলাদেশ করার। সুতরাং বিপ্লব বা এক দফার আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ একই জিনিস না। এ সমস্ত মাথায় যারা টুপি দিয়ে কিছু পাগল ছেলেদেরকে বুঝাচ্ছে, তাদেরকে আমি অনুরোধ করব পাগলামি ছাড়ো। গাঁজা খেলে খাও কিন্তু মানুষকে গাঁজা খাওয়ানোর চেষ্টা করো না।
    • ২০২৫ সালের ১৭ জুলাই ঢাকার আইডিইবি মিলনায়তনে এক বক্তৃতায়[১]
  • আমিই জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতা ঘোষণা করতে বলেছিলাম, আমাদের মধ্যে তৎকালীন সিনিয়র ছিলেন মেজর মীর শওকত ( পরবর্তী সময়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল)। তিনি লিখেছেন, এই অফিসার (কর্ণেল অলি) জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতা ঘোষণা করতে বলেছিলেন এবং আমি যদি উনাকে দেওয়ান হাট থেকে না নিয়ে আসতাম ৫ মিনিট পরেই মেরে ফেলে উনাকে কর্ণফুলী নদীতে ভাসিয়ে দিতো।
    • ২০২৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর সর্মথনে আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায়। [২]

অলি আহমেদ সম্পর্কে উক্তি

[সম্পাদনা]
  • চট্টগ্রাম বাংলাদেশের সংগ্রামী ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে এখান থেকেই স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণা উচ্চারিত হয়েছিল। চট্টলাবাসীর এক গর্বিত সন্তান ড. কর্নেল অলি আহমদ সবার আগে ‘উই রিভল্ট’ বলে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। তিনি জিয়াউর রহমানকে হাতে ধরে সামনে এগিয়ে নিয়েছিলেন।
    • শফিকুর রহমান। ২০২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বন্দর কলেজ মাঠে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক জনসভায়। [৩]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]