অ্যাডা লাভলেস
অবয়ব
অগাস্টা অ্যাডা কিং, কাউন্টেস অফ লাভলেস (১০ ডিসেম্বর ১৮১৫ – ২৭ নভেম্বর ১৮৫২), জন্মসূত্রে অগাস্টা অ্যাডা বায়রন এবং বর্তমানে অ্যাডা লাভলেস নামে পরিচিত, ছিলেন একজন ইংরেজ গণিতবিদ ও লেখক, কবি লর্ড বায়রনের কন্যা। চার্লস ব্যাবেজের প্রাথমিক যান্ত্রিক সাধারণ-উদ্দেশ্য কম্পিউটার অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন-এর উপর তাঁর কাজের জন্য তিনি বিশেষভাবে স্মরণীয়। এই ইঞ্জিন সম্পর্কিত তাঁর টীকাগুলোতে এমন একটি অ্যালগরিদমের বিবরণ রয়েছে যা যন্ত্র দ্বারা নির্বাহের উদ্দেশ্যে তৈরি প্রথম অ্যালগরিদম হিসেবে স্বীকৃত। এ কারণে তাঁকে প্রায়শই "বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার" বা "কম্পিউটার প্রোগ্রামিং-এর জননী" হিসেবে বর্ণনা করা হয়।


উক্তি
[সম্পাদনা]

- ‘‘অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন সংখ্যা ছাড়াও অন্যান্য বস্তুর উপর কাজ করতে সক্ষম, যদি এমন বস্তু পাওয়া যায় যাদের পারস্পরিক মৌলিক সম্পর্ক অপারেশনের বিমূর্ত বিজ্ঞানের মাধ্যমে প্রকাশযোগ্য এবং যেগুলো ইঞ্জিনের অপারেটিং নোটেশন ও যন্ত্রের ক্রিয়ার সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়া যায়। … উদাহরণস্বরূপ, ধরা যাক সুরের বিজ্ঞান ও সঙ্গীত রচনায় পিচযুক্ত শব্দের মৌলিক সম্পর্ককে এমনভাবে প্রকাশ ও অভিযোজিত করা যায়, তাহলে এই ইঞ্জিন যেকোনো জটিলতা বা বিস্তৃতির বৈজ্ঞানিক ও জটিল সঙ্গীত রচনা করতে পারবে।’’
- চার্লস ব্যাবেজের উদ্ভাবিত অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের রূপরেখা, বৈজ্ঞানিক স্মৃতিগ্রন্থ (রিচার্ড টেইলর): ৬৯৪। লুইজি মেনাব্রেয়ার উদ্ধৃতিতে (১৮৪২)।
- ‘‘অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন যেভাবে বীজগাণিতিক নকশা বুনে, জ্যাকার্ড লুম ঠিক সেভাবেই ফুল ও পাতা বুনতে পারে।’’
- ‘‘আমাদের পরিবার কবিতা ও গণিতের পর্যায়ক্রমে স্তরীভূত এক বিশেষ বিন্যাস।’’
- অ্যান্ড্রু ক্রস-কে লেখা চিঠিতে; ইউজেন কোলবিং-এর ‘‘ইংলিশ স্টাডিজ, ১৯তম খণ্ড’’-এ (১৮৯৪) উদ্ধৃত, লাইপ্ৎসিগ; ও.আর. রেইসল্যান্ড, ‘‘বায়রনের কন্যা’’, পৃ. ১৫৬।
- ‘‘পরিস্থিতি এমনই ছিল যে, আমাকে কিছুকাল প্রায় সম্পূর্ণভাবে নিভৃতবাসে জীবন কাটাতে হয়েছে। যারা জীবনের কোনো মহৎ লক্ষ্যে একাগ্রচিত্তে নিবেদিত, তাদের পক্ষে মাঝে মাঝে এমনটি অনিবার্য হয়ে ওঠে... আমার কাছ থেকে কোনো সংবাদ না পেয়ে আপনি বিস্মিত হয়েছেন; কিন্তু আপনার অভিজ্ঞতা ও সততা এটা উপলব্ধি করতে সাহায্য করবে যে, ঈশ্বর আমাদের এই জীবনে নিজের ভাবনা ও অনুভূতি প্রকাশের জন্য অত্যন্ত সীমিত ক্ষমতাই দিয়েছেন... আপনাকে আবার দেখার জন্য আমি ব্যাকুল। আপনি জানেন, এ কথা আমার পক্ষে কতখানি অর্থবহ—এটি কোনো প্রথাগত অভিব্যক্তি নয়, বরং সেই মনের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা ও আকর্ষণের সরল প্রকাশ, যে মন ঈশ্বরের মহান ও সুবিশাল গ্রন্থ সরাসরি পাঠে সাহসী—মানুষের ব্যাখ্যায় আবদ্ধ নয়।’’
- অ্যান্ড্রু ক্রস-কে লেখা চিঠিতে; ইউজেন কোলবিং-এর ‘‘ইংলিশ স্টাডিজ, ১৯তম খণ্ড’’-এ (১৮৯৪) উদ্ধৃত, লাইপ্ৎসিগ; ও.আর. রেইসল্যান্ড, ‘‘বায়রনের কন্যা’’, পৃ. ১৫৭।
- ‘‘আপনি হয়তো ইতিমধ্যেই আমার চিঠির সুর থেকে অনুভব করেছেন যে, আমি এখন আগের চেয়েও বেশি বিজ্ঞানের পাত্রী। আমার কাছে ধর্মই বিজ্ঞান, আর বিজ্ঞানই ধর্ম। এই গভীরভাবে অনুভূত সত্যই ঈশ্বরের সৃষ্টিজগৎ পাঠে আমার অবিচল নিষ্ঠার রহস্য। এটি তাঁরই পাঠ। তাঁর ইচ্ছা—তাঁর প্রজ্ঞা; এবং এটিই হলো (আমাদের সাধ্যমতো) সেই ইচ্ছার আনুগত্য ও অনুসরণ শেখা! কারণ, যিনি সত্য ও সরল হৃদয় নিয়ে ঈশ্বরীয় সত্তাকে ব্যাখ্যা করেন, তিনি কাজ ও অনুভূতিতে তাৎক্ষণিক প্রেরণা ও স্বাভাবিক প্রবৃত্তিতেই আনুগত্য ও সমর্পণ করেন। তিনি তা এড়াতে পারেন না। অন্তত, আমার তো তাই মনে হয়।’’
- ‘‘ইংলিশ স্টাডিজ, ১৯তম খণ্ড’’-এ (১৮৯৪), লাইপ্ৎসিগ; ও.আর. রেইসল্যান্ড, ‘‘বায়রনের কন্যা’’, পৃ. ১৫৭-১৫৮।
- ‘‘বিজ্ঞানমনস্ক ও তথাকথিত দার্শনিক নামধারীদের যখন আমি স্বার্থান্বেষী ভাবাবেগে সিক্ত এবং পরিস্থিতি ও স্রষ্টার বিরুদ্ধে যুদ্ধপ্রবণ অবস্থায় দেখি, তখন নিজেকে বলি: এরা সত্যিকারের পুরোহিত নয়, এরা অর্ধ-নবী—যদি একেবারে মিথ্যাচারী না-ই হয়। এরা মহান গ্রন্থকে কেবল বাহ্যিক চোখে পাঠ করেছে, আত্মার অন্তর্দৃষ্টি ব্যতীত। বৌদ্ধিক, নৈতিক, ধর্মীয়—এসবই আমার মতে এক মহান সামঞ্জস্যপূর্ণ সমগ্রতায় স্বাভাবিকভাবে বাঁধা ও পরস্পরযুক্ত... স্রষ্টা এক, আর তাঁর সৃষ্ট কাজ ও ভাবনাগুলিও এক; এটি এমন এক সত্য (যা বাইবেলীয় ও ধর্মগ্রন্থসম্মতও বটে), যার গভীর ও অতল অর্থ অধিকাংশের বোধগম্য হয়নি বলে আমি মনে করি। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ভৌত ও নৈতিক সত্যকে ‘আলাদা’ ও ‘স্বতন্ত্র পুঁজি’ হিসেবে দেখার প্রবণতা অত্যধিক। অথচ সকল কিছুই স্বাভাবিকভাবে সম্পর্কিত ও আন্তঃসংযুক্ত। এই বিষয়ে তো আমি আপনার জন্য একখণ্ড গ্রন্থ রচনা করতে পারি।’’
- অ্যান্ড্রু ক্রস-কে লেখা চিঠিতে; ইউজেন কোলবিং-এর ‘‘ইংলিশ স্টাডিজ, ১৯তম খণ্ড’’-এ (১৮৯৪) উদ্ধৃত, লাইপ্ৎসিগ; ও.আর. রেইসল্যান্ড, ‘‘বায়রনের কন্যা’’, পৃ. ১৫৮।
- ‘‘আমার সমস্ত দৃঢ় শক্তি ও সামর্থ্য সত্ত্বেও, আমি মাঝে মাঝে শারীরিক কষ্টে ভুগি—যার মূল উৎস পাচনতন্ত্র, এবং তা সাধারণ মাত্রা বা ধরনের নয়। এই শারীরিক বৈশিষ্ট্য ও কষ্টের জন্য আমি আক্ষেপ করি না। এগুলো আমাকে শিখিয়েছে, এবং এখনও শেখাচ্ছে, যা অন্য কোনোভাবে অর্জন সম্ভব হতো না। এটি একটি শক্তি ও নিয়ন্ত্রণ যা প্রভু আমার উপর অর্পণ করেছেন—আমাকে যা মেনে চলতেই হবে। এই নিরন্তর বাস্তবের শৃঙ্খলার প্রভাব সুদূরপ্রসারী। এটি আমাকে ‘বশীভূত’ করেছে—সবচেয়ে ইতিবাচক অর্থে, এবং এটি আমার ভেতরে এক নির্মল, উজ্জ্বল, পবিত্র, নিঃস্বার্থ শিখা প্রজ্বলিত করেছে—যা অনেকের মধ্যেই আশাবাদ ও আলো ছড়ায়।
— আপনার একনিষ্ঠ, ‘‘এ. এ. লাভলেস’’।- অ্যান্ড্রু ক্রস-কে লেখা চিঠিতে; ইউজেন কোলবিং-এর ‘‘ইংলিশ স্টাডিজ, ১৯তম খণ্ড’’-এ (১৮৯৪) উদ্ধৃত, লাইপ্ৎসিগ; ও.আর. রেইসল্যান্ড, ‘‘বায়রনের কন্যা’’, পৃ. ১৫৮।
- "আমি লক্ষ্য করেছি, গণিতের বিভিন্ন সূত্রের চমকপ্রদ রূপান্তর—শিক্ষার্থীদের প্রথম দৃষ্টিতে একেবারে আলাদা মনে হওয়া রূপগুলির মধ্যে অপ্রত্যাশিত এবং প্রায় অসম্ভব বলে মনে হওয়া মিল—এই বিষয়টি গণিত শেখার শুরুতেই বড় একটি বাধা। এগুলোকে মনে হয় সেই সব পরী বা রূপবদলের আত্মার মতো, যারা এক মুহূর্তে আপনার পাশে এক রূপে থাকে, আর পরমুহূর্তেই ভিন্ন চেহারা নেয়।"
- বেতী আলেকজান্দ্রা টুলের "সংখ্যার যাদুকরী এডা: কম্পিউটার যুগের অগ্রদূত" (১৯৯৮), স্ট্রবেরি প্রেস, আইএসবিএন 0912647183 বইয়ের ৯৯ পৃষ্ঠা থেকে গৃহীত।
- "ইঞ্জিন হলো যেকোনো অনির্দিষ্ট ফাংশনের বাস্তব রূপ, যা যেকোনো পর্যায়ের সাধারণতা ও জটিলতার অধিকারী হতে পারে।"
- কেনেথ এইচ. রোজেনের "বিচ্ছিন্ন গণিত ও এর প্রয়োগ" (২০১৩), ম্যাকগ্রা-হিল, আইএসবিএন 9780071315012 বইয়ের ২৯ পৃষ্ঠা থেকে উদ্ধৃত।
কম্পিউটার সৃজনশীলতা সম্পর্কে
[সম্পাদনা]কম্পিউটার সৃজনশীলতা, বুদ্ধিমত্তা এবং শিল্পের আলোচনায়, প্রায়শই নিম্নলিখিত অনুচ্ছেদে লাভলেসকে উদ্ধৃত করা হয়:
- "অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের কোনো কিছু 'উদ্ভাবন' করার ক্ষমতা নেই। এটি কেবল সেই কাজই করতে পারে, যেগুলো সম্পাদনের নির্দেশ আমরা দিতে জানি। এটি বিশ্লেষণকে 'অনুসরণ' করতে পারে, কিন্তু বিশ্লেষণধর্মী কোনো সম্পর্ক বা সত্যকে 'অনুমান' করার ক্ষমতা এর নেই। এর কাজ হলো আমাদের পরিচিত জ্ঞানকে 'ব্যবহারযোগ্য' করে তোলায় সহায়তা করা। এটি প্রধানত তার নির্বাহী ক্ষমতার মাধ্যমে এই ভূমিকা পালন করে, কিন্তু বিজ্ঞানের উপর এর 'পরোক্ষ' ও পারস্পরিক প্রভাবও রয়েছে। কারণ, বিশ্লেষণের সূত্র ও সত্যগুলোকে এমনভাবে সাজানো ও যুক্ত করা হয়, যেন সেগুলো ইঞ্জিনের যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহজে ও দ্রুত কাজে লাগে। এভাবে বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ের সম্পর্ক ও প্রকৃতি নতুনভাবে উপস্থাপিত হয়, যা গভীর অনুসন্ধানের পথ তৈরি করে।"
- অগাস্টা অ্যাডা লাভলেস কর্তৃক অনূদিত নোট, চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের বিবরণ, সায়েন্টিফিক মেমোয়ার্স (সম্পাদনা: রিচার্ড টেইলর), ৩য় খণ্ড, ১৮৪৩
সবচেয়ে বিখ্যাতভাবে, এটি টুরিং দ্বারা উদ্ধৃত করা হয়েছিল:
- অগাস্টা অ্যাডা লাভলেস কর্তৃক অনূদিত নোট, চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের বিবরণ, সায়েন্টিফিক মেমোয়ার্স (সম্পাদনা: রিচার্ড টেইলর), ৩য় খণ্ড, ১৮৪৩
- "লেডি লাভলেসের আপত্তি: ব্যাবেজের অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন সম্পর্কে আমাদের সবচেয়ে বিস্তারিত তথ্য আসে লেডি লাভলেস-এর একটি স্মৃতিচারণ থেকে। তিনি এতে লিখেছেন, 'অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের কোনো কিছু উদ্ভাবন করার ক্ষমতা নেই। এটি কেবল সেই কাজই করতে পারে, যেগুলো সম্পাদনের নির্দেশ দিতে আমরা জানি।' (তার জোর দেওয়া শব্দ)। এই উক্তিটি হার্ট্রি (পৃ. ৭০) দ্বারা উদ্ধৃত হয়েছে... আমার মতে, যন্ত্রেরা বিস্ময় সৃষ্টি করতে অক্ষম—এই ধারণাটি দার্শনিক ও গণিতবিদদের মধ্যে প্রচলিত একটি ভ্রান্তির ফল। এটি সেই অনুমান যে, কোনো তথ্য মননে উপস্থিত হওয়ার সাথে সাথে তার সমস্ত প্রভাব একসাথে উদ্ভূত হয়। বহু ক্ষেত্রে এটি উপযোগী হলেও, আমরা সহজেই ভুলে যাই যে এই ধারণাটি ভিত্তিহীন।"
- কম্পিউটিং মেশিনারি অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স (১৯৫০, অ্যালান টুরিং)
যিনি হার্ট্রির মন্তব্য উল্লেখ করছিলেন:
- কম্পিউটিং মেশিনারি অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স (১৯৫০, অ্যালান টুরিং)
- "[লাভলেসের] কিছু মন্তব্য আজকের যুগের মতোই প্রাসঙ্গিক শোনায়। ইংল্যান্ডে তখন 'ইলেকট্রনিক মস্তিষ্ক' শব্দটি নিয়ে বিতর্ক চলছিল—যে কোনো স্বয়ংক্রিয় গণনাযন্ত্র বা বিমানের অটোপাইলটকেই এভাবে অভিহিত করা হচ্ছিল। আমি এই অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলাম (৫১), কারণ সাধারণ মানুষের মনে এটা ভুল ধারণা দেবে যে যন্ত্রগুলি 'নিজে থেকে চিন্তা করতে পারে'। বাস্তবে, সমস্ত চিন্তাভাবনা আগে থেকেই করে রাখতে হয় ডিজাইনার ও অপারেটরকে, যারা সমস্যা-ভিত্তিক নির্দেশনা প্রস্তুত করেন। যন্ত্র কেবল সেই নির্দেশাবলি অক্ষরে অক্ষরে পালন করে—এমনকি সেখানে 'সিদ্ধান্ত গ্রহণের' ক্ষমতা থাকলেও। পরবর্তীতে আমি জানতে পারি, একশত বছর আগেই লেডি লাভলেস এই বিষয়টি সংক্ষেপে ও দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেছিলেন (সি, পৃ. ৪৪): 'অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের কোনো কিছু উদ্ভাবন করার ক্ষমতা নেই। এটি কেবল সেই কাজই করতে পারে, যেগুলো সম্পাদনের নির্দেশ দিতে আমরা জানি।' (তার জোর দেওয়া শব্দ)।"
- ডগলাস হার্ট্রি-র "গণনাযন্ত্র ও যন্ত্রপাতি" (১৯৪৯), পৃ. ৭০
তাঁর সম্পর্কে উক্তি
[সম্পাদনা]- "তার নোটে উল্লেখিত প্রায় সব প্রোগ্রামই ব্যাবেজ তিন থেকে সাত বছর আগে তৈরি করেছিলেন। একটিমাত্র ব্যতিক্রম ছিল, যেটি ব্যাবেজ তাকে সহায়তা করতে গিয়ে তৈরি করেছিলেন—যদিও এডা সেটিতে একটি 'ত্রুটি' শনাক্ত করেন। এডা কখনো অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রোগ্রাম লিখেছিলেন এমন কোনো প্রমাণ নেই; বরং ব্যাবেজের সঙ্গে তার চিঠি-চালাচালি থেকে স্পষ্ট, এ ধরনের কাজের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান তার ছিল না।"
- অ্যালান জি. ব্রোমলি (১৯৯০), "ডিফারেন্স অ্যান্ড অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনস", উইলিয়াম অ্যাসপ্রে-সম্পাদিত কম্পিউটিং বিফোর কম্পিউটার্স (পিডিএফ), আইওয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি প্রেস, আইএসবিএন 0-8138-0047-1, পৃ. ৮৯
- "একজন বড়সড়, মোটা চামড়াযুক্ত তরুণী—তবে আমার বন্ধুর মুখাবয়বের কিছুটা ছাপ, বিশেষ করে ঠোঁটের মিল রয়েছে।"
- জন হবহাউজ, ক্যাথরিন টার্নির "বায়রনস ডটার: এলিজাবেথ মেডোরা লেই-এর জীবনী" (১৯৭২, স্ক্রিবনার, আইএসবিএন 0684127539 বইয়ের ১৩৮-১৩৯ পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় অ্যাডা লাভলেস সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।
উইকিমিডিয়া কমন্সে অ্যাডা লাভলেস সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে।