অ্যালেক্স হেইলি
অবয়ব

অ্যালেকজান্ডার পামার হ্যালি (১১ আগস্ট ১৯২১ – ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২) ছিলেন একজন আমেরিকান লেখক যিনি তার বিখ্যাত গ্রন্থ রুটস: দ্য সাগা অব অ্যান আমেরিকান ফ্যামিলি-র জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
উক্তি
[সম্পাদনা]


- পরিবার হলো আমাদের আশ্রয় এবং সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। এখান থেকেই শক্তি সঞ্চয় করে আমরা নতুন দিগন্তের দিকে এগিয়ে যাই। সব দিক থেকেই পরিবার আমাদের অতীতের সাথে যোগসূত্র এবং ভবিষ্যতের সেতুবন্ধন।
- ডলোরেস কুরানের ট্রেটস অব আ হেলদি ফ্যামিলি (১৯৮৩) বইয়ের ২২৬ নম্বর পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত।
- ছোট শিশুদের জন্য দাদাদাদি বা নানানিরা যা করতে পারেন তা অন্য কেউ পারে না। তারা যেন শিশুদের জীবনে এক মায়াবী আশীর্বাদের পরশ বুলিয়ে দেন।
- রিডার্স ডাইজেস্ট (১৯৮৭) থেকে মারিলিন আর. জুকারম্যান এবং লুইস জে. হাতালার ইনক্রেডিবলি আমেরিকান : রিলিজিং দ্য হার্ট অব কোয়ালিটি (১৯৯২) বইয়ের ১৩ নম্বর পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত।
- হয় আপনি বাস্তবতাকে মোকাবিলা করুন নতুবা নিশ্চিত থাকুন যে বাস্তবতাই আপনাকে দেখে নেবে।
- ডরোথি উইনবুশ রিলির মাই সোল লুকস ব্যাক, লেস আই ফরগেট : আ কালেকশন অব কোটেশনস (১৯৯৩) বই থেকে সংগৃহীত।
- আমার লেখায় আমি যতটা পেরেছি ভালো কিছু খুঁজে বের করার এবং সেটির প্রশংসা করার চেষ্টা করেছি।
- অ্যাঞ্জেলা শেল্ফ মেডেরিসের আ কোয়ানজা সেলিব্রেশন (১৯৯৫) বইয়ের ১৫৪ নম্বর পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত।
- ভিন্ন রূপ: ভালোটা খুঁজে নিন এবং সেটার প্রশংসা করুন।
- এই নীতিবাক্যটি লেখক হ্যালির নামানুসারে রাখা 'ইউএসসিজিসি অ্যালেক্স হ্যালি' জাহাজের প্রতীকেও খোদাই করা আছে। এটি তার ব্যক্তিগত মূলমন্ত্র হিসেবে পরিচিত।
- অনেক তরুণ আমাকে বলে যে তারা লেখক হতে চায়। আমি সবসময় তাদের উৎসাহিত করি তবে আমি এটাও বুঝিয়ে বলি যে “লেখক হওয়া” এবং “লেখালেখি করা”-র মধ্যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই মানুষগুলো অগাধ সম্পদ আর খ্যাতির স্বপ্ন দেখে কিন্তু টাইপরাইটারের সামনে একা বসে কাটানো দীর্ঘ সময়গুলোর কথা ভাবে না। আমি তাদের বলি যে আপনার লেখার প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা থাকতে হবে কেবল লেখক হওয়ার শখ থাকলে হবে না। বাস্তবতা হলো এই যে লেখালেখি একাকীত্বের এবং খুব সামান্য আয়ের একটি কাজ। ভাগ্যের জোরে যে কজন লেখক সফল হন তার বিপরীতে এমন হাজার হাজার মানুষ আছেন যাদের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা অধরাই থেকে যায়। এমনকি যারা সফল হন তাদেরও অনেক সময় অবহেলা ও দারিদ্র্যের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। আমাকেও যেতে হয়েছে।
- জ্যাক ক্যানফিল্ড এবং অন্যান্যদের সম্পাদিত চিকেন স্যুপ ফর দ্য সোল অ্যাট ওয়ার্ক (১৯৯৬) বইয়ে প্রকাশিত "দ্য শ্যাডোল্যান্ড অফ ড্রিমস" থেকে। এছাড়া এটি ২০০৭ সালে প্রকাশিত হ্যালির গল্প ও প্রবন্ধের সংকলন অ্যালেক্স হ্যালি : দ্য ম্যান হু ট্রেসড আমেরিকাস রুটস-এও রয়েছে।
- আমি জানতাম যে আমি লিখতে চাই। বছরের পর বছর ধরে আমি এটি নিয়ে স্বপ্ন দেখেছি। আমি সেইসব মানুষদের মতো হতে চাইনি যারা মারা যাওয়ার আগে আক্ষেপ করে বলে “যদি এমন হতো?” আমি বারবার আমার স্বপ্নকে পরখ করে দেখতে চেয়েছি যদিও এর অর্থ ছিল অনিশ্চয়তা আর ব্যর্থতার ভয় নিয়ে বেঁচে থাকা। এটি হলো আশার এক আবছায়া জগত এবং স্বপ্ন দেখা প্রতিটি মানুষকে এখানে টিকে থাকতে শিখতে হবে। যদি আপনি এখানে থাকতে না পারেন তবে আপনার নিজের শেকড়ে ফিরে যান এবং সেখানেই মানিয়ে নিতে শিখুন!
- "দ্য শ্যাডোল্যান্ড অফ ড্রিমস" থেকে।
- যখনই আপনি কোনো বেড়ার খুঁটির ওপর একটি কচ্ছপ দেখতে পাবেন তখন জানবেন যে তাকে কেউ না কেউ সেখানে উঠতে সাহায্য করেছে।
- ক্যারল ভ্যান্ডারহেইডেনের আ টাচ অব ক্লাস (২০০৩) বইয়ের ৬০ নম্বর পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত।
- জীবনের বিশটি বছর চাকরিতে কাটানোর পর আপনার মনে এক ধরনের উষ্ণ ও মধুর স্মৃতি রয়েই যায় … এটি একটি ছোট বাহিনী তবে এখানে গভীর দলগত একতা কাজ করে।
- ইউএস কোস্ট গার্ডে তার পেশাজীবন নিয়ে 'ইউএসসিজিসি অ্যালেক্স হ্যালি' জাহাজের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে দেওয়া উদ্ধৃতি।

- ১৭৫০ সালের বসন্তের শুরুর দিকের কথা। পশ্চিম আফ্রিকার গাম্বিয়া উপকূল থেকে চার দিনের পথ উজানে জুফুরে গ্রামে ওমোরো এবং বিনতা কিন্তের ঘরে একটি পুত্রসন্তান জন্ম নেয়।
- প্রথম পরিচ্ছেদ, শুরুর পঙ্ক্তি।
- চাঁদ ও তারার আলোয় ছেয়ে থাকা সেই অষ্টম রাতে, একা তার পুত্রের সঙ্গে, ওমোরো নামকরণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করলেন। ছোট কুন্তাকে তার শক্তিশালী বাহুতে তুলে নিয়ে তিনি গ্রামের প্রান্তে হেঁটে গেলেন এবং আকাশের দিকে মুখ করে তার সন্তানকে উঁচিয়ে ধরলেন। তারপর মৃদুস্বরে বললেন “ফেন্ড কিলিং ডোরং লে ওয়ারাতা কা ইতে তি” (দেখো — তোমার নিজের চেয়েও বড় একমাত্র সত্তা)।
- প্রথম পরিচ্ছেদ।
- যখন আপনি আপনার মুষ্টি শক্ত করে করেন তখন কেউ আপনার হাতে কিছু দিতে পারে না আবার আপনার হাত দিয়েও আপনি কিছু তুলে নিতে পারেন না।
- ৫১তম পরিচ্ছেদ।
- আমার মনের চোখে যেন আবছা পর্দার ওপর একটি ছবি ভেসে উঠছিল। আমি কল্পনা করতে শুরু করলাম কীভাবে আমাদের লক্ষ লক্ষ পূর্বপুরুষকে দাস বানানো হয়েছিল। আমার নিজের পূর্বপুরুষ কুন্তার মতোই হাজার হাজার মানুষকে অপহরণ করা হয়েছিল। লক্ষ লক্ষ মানুষ রাতের চিৎকারে জেগে উঠেছিল এবং আগুনের লেলিহান শিখায় জ্বলতে থাকা গ্রামের সেই হট্টগোলের মধ্যে প্রাণভয়ে ছোটাছুটি করেছিল। যারা বেঁচে গিয়েছিল তাদের গলায় চামড়ার বন্ধনী দিয়ে বেঁধে মিছিলের মতো করে নিয়ে যাওয়া হতো যাকে বলা হতো “কফেলস”। এগুলো কখনো কখনো এক মাইল পর্যন্ত লম্বা হতো। আমি কল্পনা করলাম কত মানুষ মারা যাচ্ছিল অথবা যারা উপকূলের দিকে সেই যন্ত্রণাদায়ক যাত্রায় আর চলতে পারছিল না তাদের ফেলে দেওয়া হচ্ছিল। যারা শেষ পর্যন্ত সমুদ্র সৈকতে পৌঁছাত তাদের শরীরে চর্বি মাখিয়ে কামিয়ে দেওয়া হতো এবং তপ্ত লোহা দিয়ে দাগিয়ে দেওয়া হতো। আমি কল্পনা করলাম তাদের চাবুক মেরে জাহাজের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তারা যন্ত্রণায় চিৎকার করছিল আর শেষবারের মতো তাদের মাতৃভূমি আফ্রিকাকে আঁকড়ে ধরার জন্য হাত দিয়ে বালু খামচে ধরছিল। আমি কল্পনা করলাম তাদের ধাক্কা দিয়ে এবং মারধর করে নোংরা জাহাজের ভেতরে ঢুকিয়ে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হতো। তাদের এতটাই গাদাগাদি করে রাখা হতো যে তাদের অনেকটা চামচের মতো পাশ ফিরে শুয়ে থাকতে হতো...
- ১২০তম পরিচ্ছেদ।
টাইম পত্রিকার সাক্ষাৎকার (১৯৭৭)
[সম্পাদনা]
- আমি যদি নেশাগ্রস্তও থাকতাম তবুও এমন কিছু কল্পনা করতে পারতাম না।
- টেলিভিশন সিরিজ রুটস (১৯৭৭)-এর জনপ্রিয়তা প্রসঙ্গে।
- এই দেশে আমরা নবীন, সাহসী এবং প্রযুক্তিনির্ভর। আমরা সবাই এমন যন্ত্র বানানোর চেষ্টা করছি যাতে একটি বোতাম টিপলেই চোখের পলকে সব কাজ হয়ে যায়। কিন্তু এর ফলে আমরা আমাদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ থেকে দূরে সরে যাচ্ছি — তা হলো আমরা কোথা থেকে এসেছি এবং আজকের অবস্থানে কীভাবে পৌঁছালাম। তরুণরা বয়স্কদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে।
- এই দেশের হাজার হাজার আবাসন প্রকল্পের দিকে তাকিয়ে দেখুন যেখানে শুধু বাবা-মা আর সন্তানরা বাস করে। ভাবুন তো সেই শিশুদের ওপর এর প্রভাব কী হবে যারা দাদা-দাদি বা নানা-নানির সান্নিধ্য ছাড়াই বড় হচ্ছে। বয়স্করা একটি শিশুর জন্য যা করতে পারেন তা অন্য কেউ পারে না। এটি অনেকটা জাদুর মতো — দাদা-দাদি এবং নাতি-নাতনিদের সম্পর্ক। অনেক শিশুর জন্য এর অভাব সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এর অভাবে এই শিশুদের স্বভাব কিছুটা রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে। আমি তরুণদের বলি তাদের পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যদের কাছে যেতে এবং যতটা সম্ভব পারিবারিক ইতিহাস জেনে নিতে। অনেক বয়স্ক মানুষ তাদের মাথায় তিন-চার প্রজন্মের ইতিহাস বয়ে নিয়ে চলেন কিন্তু কেউ তাদের গুরুত্ব দেয় না বলে তারা তা নিয়ে কথা বলেন না। যখন কোনো তরুণ এটি শুরু করে তখন তারা মনেপ্রাণে খুশি হন এবং তাদের স্মৃতিতে থাকা সবকিছু উজাড় করে দেন।
- পারিবারিক মিলনমেলার আয়োজন করুন। রক্তের সম্পর্কের মধ্যে এক ধরনের জাদু আছে। সেটি কালো, সাদা, বাদামি কিংবা যে কোনো রঙের মানুষের ক্ষেত্রেই সত্য। এই মিলনমেলা পরিবারকে নিজের সম্পর্কে সচেতন করে এবং গর্বিত করে। এতে এমন এক ধারণা তৈরি হয় যে পরিবারের সদস্য হিসেবে আপনি এই গর্ব ধরে রাখতে দায়বদ্ধ এবং সম্ভব হলে তাতে নতুন মাত্রা যোগ করবেন।
- যখন আপনি পরিবার, বংশ এবং পূর্বপুরুষ নিয়ে কথা বলা শুরু করেন তখন আসলে আপনি পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের কথাই বলছেন। আমাদের সবারই ইতিহাস আছে এবং এটি সবাইকে সমান স্তরে নিয়ে আসে। শ্বেতাঙ্গরা আমার কাছে এসে বলে যে 'রুটস' পড়ার পর তারা তাদের নিজস্ব পরিবার এবং উৎস নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে। আমি মনে করি বইটি মানুষের মনের গভীরের কোনো এক সূক্ষ্ম অনুভূতিকে স্পর্শ করেছে।
বিতর্কিত
[সম্পাদনা]- 'রুটস' কেবল আমার পরিবারের গল্প নয়। এটি একটি জাতির প্রতীকী জীবনকাহিনী।
- এটি একটি যুক্তিযুক্ত বক্তব্য তবে ২০০৭ সালের আগে কোনো প্রকাশিত উৎস পাওয়া যায়নি। অধিকাংশ ক্ষেত্রে হ্যালিকে লেখক হিসেবে উল্লেখ করা হলেও প্রথম দিকে "বেনহুর আর" নামক কারো নামে এটি পাওয়া গিয়েছিল।
অ্যালেক্স হ্যালি সম্পর্কে উক্তি
[সম্পাদনা]- আমি এখনও জেমস বল্ডউইন এবং অ্যালেক্স হ্যালি-কে মিস করি এবং সেইসব চিৎকার, হইচই আর হাসি-কান্নার সপ্তাহান্তগুলোকে যা আমরা একসাথে কাটিয়েছিলাম।
- মায়া অ্যাঞ্জেলোর লেটার টু মাই ডটার (২০০৯) বইয়ের ১০৭ নম্বর পৃষ্ঠায়।
- অ্যালেক্স হ্যালি আমাদের সময়ের অতীতে তার পূর্বপুরুষদের গ্রামে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়াটা এক সাহসের কাজ। তবে এই বইটি ভালোবাসারও এক বহিঃপ্রকাশ এবং এটিই একে অবিস্মরণীয় করে তুলেছে। 'রুটস' হলো একটি ধারাবাহিকতার এবং পরিণতির অধ্যয়ন; কীভাবে একটি জাতি নিজেকে টিকিয়ে রাখে, কীভাবে প্রতিটি প্রজন্ম পরবর্তী প্রজন্মের মুক্তি বা ধ্বংসের পথ তৈরি করে — সেটি সময়ের সাথে সাথে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ বা অভাবের ফল। এটি জোরালোভাবে বুঝিয়ে দেয় যে কীভাবে আমাদের প্রতিটি মানুষ অবচেতনভাবে সেই ইতিহাসের বাহক হয়ে উঠি যা আমাদের সৃষ্টি করেছে। আমরা হয় এই ইতিহাসের ভেতরে বিলীন হয়ে যেতে পারি অথবা নতুন পথের সন্ধানে এগিয়ে যেতে পারি।
- রুটস (১৯৭৬) সম্পর্কে জেমস বল্ডউইন-এর পর্যালোচনা।
- যখন অ্যালেক্স হ্যালি 'রুটস' লিখেছিলেন — এবং আমার মনে হয় বইটি ‘দ্য ওম্যান ওয়ারিয়র’-এর একই বছরে বের হয়েছিল — যখন আমি বইটি পড়লাম তখন আমার মনে হলো যে এগুলো আমারও শিকড়। এগুলো শুধু তার শিকড় নয় কিংবা শুধু কৃষ্ণাঙ্গদের শিকড় নয়, এগুলো আমারও শিকড়। এগুলো আমার আফ্রিকা পর্যন্ত বিস্তৃত শেকড়। অ্যালেক্স হ্যালি এগুলো আমাকে উপহার হিসেবে দিয়েছেন এবং আমি সেই ইতিহাসকে আমার হৃদয়ে ধারণ করে তা গ্রহণ করেছি।
- ১৯৯৩ সালে ম্যাক্সিন হং কিংসটন-এর সাক্ষাৎকার।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় অ্যালেক্স হেইলি সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।
উইকিমিডিয়া কমন্সে অ্যালেক্স হেইলি সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে।
- জীবনী
- কুন্তা কিন্তে - অ্যালেক্স হ্যালি ফাউন্ডেশন
- ইউএস কোস্ট গার্ডে অ্যালেক্স হ্যালির প্রোফাইল
- ডঃ মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের সাথে অ্যালেক্স হ্যালির সাক্ষাৎকার
- মাইলস ডেভিসের সাথে অ্যালেক্স হ্যালির সাক্ষাৎকার
- ম্যালকম এক্স-এর সাথে অ্যালেক্স হ্যালির সাক্ষাৎকার
- রুটস বইয়ের ৩০তম বার্ষিকী সংস্করণের ওয়েবসাইট
- অ্যালেক্স হ্যালির সমাধিস্থল