বিষয়বস্তুতে চলুন

অ্যাশ কার্টার

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে
রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে আপনি এটাই প্রথম ভাবেন। আমি আর আমার স্ত্রী যখন ছুটির দিনে হাসপাতালগুলোতে পরিদর্শনে যাই, তখনও আমাদের মাথায় এটাই থাকে... আপনার সবসময় মনে রাখতে হবে যে তারা বিপদের মধ্যে আছেন।
~ অ্যাস্টন কার্টার

অ্যাস্টন বল্ডউইন "অ্যাশ" কার্টার (২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৫৪২৪ অক্টোবর ২০২২) ছিলেন একজন মার্কিন জননীতি বিষয়ক অধ্যাপক, যিনি ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৭ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত আমেরিকার ২৫তম প্রতিরক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বেলফার সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক ছিলেন, যা হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের একটি অংশ। এছাড়া তিনি একজন পদার্থবিজ্ঞানী এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক প্রাক্তন অধ্যাপক ছিলেন।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • সেখানে কখনও কোনো চক্রান্ত ছিল না, ছিল না কোনো প্রচণ্ড আতঙ্ক। এটি এমন একটি সমাজ যা এখন তীব্র রাজনৈতিক দমন-পীড়নের তৃতীয় প্রজন্মের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে উত্তর কোরিয়ার শিশুরা দিনে কয়েক ঘণ্টা রাজনৈতিক শিক্ষা পায়। তাদের বাবা-মা এবং তাদের দাদা-দাদীরাও তাই পেয়েছেন।
  • সামরিক বিকল্পটি সবসময়ই আলোচনার টেবিলে থাকবে। যদি একটি ভালো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়, তবে অবশ্যই তার জন্য অপেক্ষা করা এবং আলোচনা শেষ করা সার্থক।
    • ইরানের সাথে পারমাণবিক আলোচনা প্রসঙ্গে।
    • today.com
  • উত্তর কোরিয়ার শাসনব্যবস্থা আর কতদিন টিকবে তা আমি জানি না। কিন্তু আমরা কেবল তাদের পতনের অপেক্ষায় বসে থাকতে পারি না, কারণ এর মধ্যে তারা আমাদের নিরাপত্তার অপূরণীয় ক্ষতি করে দিতে পারে।
  • আমি আশা করি উত্তর কোরীয়রা বুঝতে পারছে যে, আমরা যে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি তা আমেরিকার নিরাপত্তা পরিস্থিতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
  • আমাদের সবার জন্য একটি দুঃস্বপ্ন যা আমাদের জীবনযাত্রাকে বদলে দেবে তা হলো যদি আমরা ভাবি যে আল-কায়েদা যে কোনো মুহূর্তে বিশ্বের যে কোনো শহরে পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে। কারণ আমরা জানতে পেরেছিলাম যে তারা উত্তর কোরীয়দের কাছ থেকে কেনাবেচার মাধ্যমে অথবা উত্তর কোরিয়ার শাসনব্যবস্থার পতনের সুযোগে কারও পাচার করা কিছু প্লুটোনিয়াম হাতে পেয়েছে।
  • আমাদের পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন কারণ পৃথিবী বদলে যাচ্ছে। আমাদের অনুমান করতে হবে এরপর কী হতে চলেছে এবং মার্কিন সেনাবাহিনী সবসময় যেমনটা করেছে, আমাদেরকেও সেখানে সবার আগে পৌঁছাতে হবে। তাই আমাদের ভবিষ্যতের এই পরিবর্তনগুলোর ব্যাপারে আমরা সবাই সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
  • আমরা কয়েক দশক ধরে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি বজায় রেখে আসছি। এই ভারসাম্যের মূল কথা হলো সেই শান্তি ও স্থিতিশীলতা অব্যাহত রাখা, যার একটি প্রধান অংশ হিসেবে আমরা কাজ করেছি। আপনি ভারতের কথা জিজ্ঞেস করেছেন হ্যাঁ, এটি কঠিন। আমরা এমন দুটি প্রযুক্তিগত ও সামরিক সংস্কৃতি যারা শীতল যুদ্ধের সময় একে অপরের বিপরীত মেরুতে বড় হয়েছি।
  • রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে আপনি এটাই প্রথম ভাবেন। আমি আর আমার স্ত্রী যখন ছুটির দিনে হাসপাতালগুলোতে পরিদর্শনে যাই, তখনও আমাদের মাথায় এটাই থাকে। তাই আমাদের লোকজনকে যতটা সম্ভব সব ধরণের সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন। এই বিষয়টি সবসময় এই জায়গাটির ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে আসে না, কারণ তারা বাজেট আর ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশি চিন্তিত থাকে। আপনার সবসময় মনে রাখতে হবে যে তাঁরা বিপদের মধ্যে আছেন।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]