বিষয়বস্তুতে চলুন

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে
(আওয়ামী লীগ থেকে পুনর্নির্দেশিত)

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দল। এই রাজনৈতিক দলটির গোড়াপত্তন হয় ২৩ জুন ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। পরবর্তী কালে এর নাম ছিলো নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। ১৯৭০ সাল থেকে এর নির্বাচনী প্রতীক নৌকা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ১৯৫৫ সালে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক আদর্শের অধিকতর প্রতিফলন ঘটানোর জন্য এর নাম "আওয়ামী লীগ" করা হয়। জুলাই গণহত্যার অভিযোগে ২০২৫ সালের ১০ মে এর যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ব ঘোষণা করা হয়।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • আওয়ামী লীগের জন্ম, সংগ্রামের জন্ম। আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়েছে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠানের আজ যদি মৃত্যু হয় তবে আমি দেখতে চাই সংগ্রামের মধ্য দিয়েই যেনো মৃত্যু হয়।
  • আওয়ামী লীগের ইতিহাস ফ্যাসিবাদ ও সংবাদপত্র দলনের ইতিহাস। সংবাদপত্রের কালো দিবস হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন।
    শেখ সাহেব সংবাদপত্র ধ্বংস করেছেন এবং শেখ হাসিনা কী করেছেন-সেটি আপনারা জানেন।
  • পাকিস্তানি সেনাবাহিনীতেও বাঙালি অফিসারদের আনুগত্য ছিল না প্রশ্নাতীত। অবশ্য গুটিকয়েক দালাল ছাড়া। আমাদের ওরা দাবিয়ে রাখতো, অবহেলা করতো, অসম্মান করতো। দক্ষ ও যোগ্য বাঙালি অফিসার আর সৈনিকদের ভাগ্যে জুটতো না কোন স্বীকৃতি বা পারিতোষিক। জুটতো শুধু অবহেলা আর অবজ্ঞা। আখ্যায়িত করতো আমাদের আওয়ামী লীগের দালাল বলে। একাডেমির ক্লাসগুলোতেও সব সময় বোঝানো হতো, আওয়ামী লীগ হচ্ছে ভারতের দালাল। পাকিস্তানের সংহতি বিনষ্ট করতেই আওয়ামী লীগ সচেষ্ট। এমনকি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবেই ক্যাডেটদের শেখানো হতো— আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হচ্ছেন ওদের রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু।
    • জিয়াউর রহমান। "একটি জাতির জন্ম", জিয়া স্টাডি সেল কর্তৃক প্রকাশিত, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০০২, পৃষ্ঠা: ৫
  • আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করাই সর্বপ্রথম সংস্কার বলে আমরা মনে করি। সাবেক কোনো প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের অযোগ্যতা, এটি একটি বিশেষ উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে আমরা এর সাথে একমত হতে পারি নাই।
  • আওয়ামী লীগ নামে কোনো সংগঠন নেই।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]