বিষয়বস্তুতে চলুন

আমলকী

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে

আমলকী বা আমলকি ফাইলান্থাসি পরিবারের একপ্রকার ভেষজ ফল। সংস্কৃত ভাষায় এর নাম 'আমলক'। এটি হালকা সবুজ যৌগিক পত্রের পত্রকবিশিষ্ট পর্ণমোচী বৃক্ষ। এটি ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, মালয়েশিয়া, চীন প্রভৃতি ক্রান্তীয় এশিয়া দেশে দেখতে পাওয়া যায়। আমলকীর অনেক ভেষজ গুণ রয়েছে। ফল ও পাতা দুটিই ওষুধরূপে ব্যবহার করা হয়।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • এসেছে শরৎ, হিমের পরশ
    লেগেছে হাওয়ার ’পরে।
    সকাল বেলায় ঘাসের আগায়
    শিশিরের রেখা ধরে।
    আমলকী-বন কাঁপে, যেন তার
    বুক করে দুরু দুরু।
    পেয়েছে খবর, পাতা-খসানোর
    সময় হয়েছে শুরু।
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, চিত্রবিচিত্র - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
  • রাত্রির সংকেতে নদী যতদূর ভেসে যায়— আপনার অভিজ্ঞান নিয়ে
    আমারো নৌকার বাতি জ্বলে;
    মনে হয় এইখানে লোকশ্রুত আমলকী পেয়ে গেছি
    আমার নিবিষ্ট করতলে;
    সব কেরোসিন-অগ্নি ম’রে গেছে; জলের ভিতরে আভা দ’হে যায়
    মায়াবীর মতো জাদুবলে।
    • জীবনানন্দ দাশ, একটি কবিতা, জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা, প্রকাশক- নাভানা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৭
  • মনে পড়ে অতীতের স্মৃতি অনাবিল,
    উশ্রী-নদীর জল করে ঝিলমিল;
    দুই তীরে উঁচু ডাঙা,
    ধারগুলো ভাঙা-ভাঙা,
    বালুচরে ছায়া ফেলে’
    উড়ে যায় চিল।

    ঝিরি ঝিরি কাঁপে পাতা, দোলে শালবন,
    পলাশ-শাখায় আসে রঙের প্লাবন।
    আমলকি বনে বনে
    ছায়া কাঁপে ক্ষণে ক্ষণে,
    শির‍্শির ক’রে ওঠে
    ‘শির‌শিয়া’ ঝিল।
    • সুনির্মল বসু, মনে পড়ে, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৩

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]