বিষয়বস্তুতে চলুন

আলবার্ট আব্রাহাম মাইকেলসন

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে
‘‘পদার্থবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম ও তথ্যগুলো ইতোমধ্যে আবিষ্কৃত হয়েছে এবং এতটা শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে, নতুন আবিষ্কারে সেগুলো বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।’’

আলবার্ট আব্রাহাম মাইকেলসন (১৯ ডিসেম্বর ১৮৫২ – ৯ মে ১৯৩১) ছিলেন একজন মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি আলোর গতি পরিমাপ এবং মাইকেলসন-মরলে পরীক্ষার জন্য পরিচিত। ১৯০৭ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি বিজ্ঞান বিভাগে নোবেল পাওয়া প্রথম আমেরিকান ছিলেন।

উদ্ধৃতি

[সম্পাদনা]
  • ভবিষ্যতের পদার্থবিজ্ঞানে বিস্ময়কর আবিষ্কার হতেই পারে, তবে সম্ভবত প্রধান নিয়মগুলো ইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নতুন আবিষ্কার মূলত এই নিয়মগুলোর সঠিক প্রয়োগেই হবে। এক বিজ্ঞানী বলেছিলেন, ‘‘ভবিষ্যতের আবিষ্কার খুঁজতে হবে দশমিকের ছয় নম্বর ঘরে।’’
    • ১৮৯৪ সালে রাইয়ারসন ফিজিক্যাল ল্যাবরেটরির উদ্বোধনে বলা হয়; উদ্ধৃতি: Annual Register 1896, পৃষ্ঠা ১৫৯
    • এই বক্তব্য প্রায়শই ভুলভাবে লর্ড কেলভিন-এর নামে প্রচারিত, যদিও এর কোনো প্রমাণ নেই।
  • পরিমাপে সূক্ষ্মতা বাড়লে নতুন তথ্য পাওয়া যায়। অনেক মৌলিক নিয়ম আমরা জানি, কিন্তু যখন আমরা খুবই সূক্ষ্মভাবে পরীক্ষা করি, তখন কিছু ব্যতিক্রম দেখা যায়—যা নতুন নিয়ম বা তথ্যের পথ দেখায়।
    • উদাহরণ: বাতাস তরলে রূপান্তর, আলোর গতি নির্ধারণ, নক্ষত্রের দূরত্ব মাপা, ইউরেনাসের গতির অসঙ্গতি থেকে একটি নতুন গ্রহ আবিষ্কার, নাইট্রোজেনের ওজন নিয়ে গবেষণায় নতুন গ্যাস আবিষ্কার।
    • সূত্র: *Light Waves and Their Uses*, আলবার্ট এ. মাইকেলসন, ১৯০৩, পৃ. ২৩–২৫।
  • তরঙ্গের গতি নির্ভর করে মাধ্যমের স্থিতিস্থাপকতা ও ঘনত্বের উপর। মাধ্যম যত বেশি স্থিতিস্থাপক, তরঙ্গ তত দ্রুত ছড়ায়।
    • *Light Waves and Their Uses*, পৃষ্ঠা ১৪৬।

মাইকেলসনকে নিয়ে উক্তি

[সম্পাদনা]
  • আপেক্ষিকতাবাদ জন্ম নিয়েছিল একটি জ্ঞানতাত্ত্বিক ধাক্কা থেকে; এটি মাইকেলসন পরীক্ষার "ব্যর্থতা" থেকে শুরু হয়েছিল। ...মাত্র একটি পরীক্ষা কি কয়েক শতাব্দীর যুক্তিবাদী চিন্তাকে নাকচ করতে পারে? হ্যাঁ, একটি দশমিক যথেষ্ট ছিল। মাইকেলসনের এই বিশেষ পরীক্ষা পরবর্তীতে হয়ে ওঠে একটি বড় সাধারণ নিয়মের ভিত্তি।
  • মাইকেলসনের গবেষণাগারকে বলা যায় "মহাজাগতিক", কারণ এখানে পৃথিবীর কক্ষপথের গতি ও আলোর তরঙ্গের সূক্ষ্মতম একককে মেলানোর চেষ্টা হয়েছিল। এই পরীক্ষার মাধ্যমে মহাশূন্যের নিঃস্তব্ধতা অনুভব করার চেষ্টা করা হয়েছিল — এটি ভাবিয়ে তোলে দার্শনিকদের, যারা মানুষ ও মহাবিশ্ব নিয়ে চিন্তা করেন।
  • বলা হয়ে থাকে, জীবনের শেষ দিকে মাইকেলসনকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তিনি কেন এত সময় আলোর গতি পরিমাপে ব্যয় করলেন। উত্তরে তিনি বলেন, "কারণ এটা অনেক মজার ছিল।"

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]