বিষয়বস্তুতে চলুন

আলাপ:২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন

পাতাটির বিষয়বস্তু অন্যান্য ভাষায় নেই।
আলোচনা যোগ করুন
উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে
সাম্প্রতিক মন্তব্য: খাত্তাব হাসান কর্তৃক ৪ মাস আগে "সূত্রবিহীন উক্তি" অনুচ্ছেদে

"বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই" স্লোগান অপসারণের কারণ?

[সম্পাদনা]

@Oindrojalik Watch আপনি বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই স্লোগানটি অপসারণ করেছেন এবং কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, "...এই স্লোগান ২০২৪ এর আন্দোলনে ব্যবহার করা হয়নি। অনির্ভরযোগ্য সূত্র; সেই সাথে যুক্ত তথ্যসূত্রতেই এর প্রমাণ রয়েছে।" এই অংশটুকুর ব্যাখ্যা দিবেন? দৈনিক ইত্তেফাক ও সময় টিভিকে অনির্ভরযোগ্য বলার কারণ উল্লেখ করবেন? আর "সেই সাথে যুক্ত তথ্যসূত্রতেই এর প্রমাণ রয়েছে " এই অংশটার ব্যাখ্যা একটু স্পষ্টভাবে বলুন। ফারদিন (আলাপ) ১০:৪৫, ২৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন

ফারদিন, দেখলাম সেখানে কোনো এক অজানা ফেসবুক পোস্টের লিংক দেওয়া ছিল, যেটা সাধারণত অনির্ভরযোগ্য সূত্র হয়। এছাড়া, এটি সত্য যে ২০১৩ সালের কোটা আন্দোলনের পর সর্বপ্রথম ২০১৮ সালে উক্ত স্লোগানটি ব্যবহৃত হয়।
'কিন্তু যদি দেখাতে পারেন যে ওভারঅল ২০২৪ সালের কোটা আন্দোলনে এটি ব্যবহার করা হয়েছে, তবে স্লোগানটি যুক্ত করতে আর দ্বিধা নেই।' (যদিও বাস্তবে ২০২৪ সালের আন্দোলনে এটা কখনো শুনিনি!!)
- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽ ১১:০৬, ২৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন
@Oindrojalik Watch সেখানে কোনো ফেসবুক পোস্টের লিংক ছিল না বরং দৈনিক ইত্তেফাক ও সময় টিভির লিংক ছিল। আপনি স্লোগানটি অপসারণের আগে সূত্র দুটি ভালোভাবে চেক করেছিলেন কি? আপনার সম্পাদনা সারাংশে লিখেছেন, "যুক্ত তথ্যসূত্রতেই এর প্রমাণ রয়েছে (২০২৪-এ ব্যবহার না হওয়ার)"— অথচ ইত্তেফাক এবং সময় টিভি উভয়ের লিংকই ২০২৪ সালের জুলাই মাসের এবং দুটি সোর্সই প্রমাণ করে স্লোগানটি ২০২৪ সালেও ব্যবহৃত হয়েছে।
উইকিপিডিয়া বা উইকিউক্তির অন্যতম মূল নীতি হলো যাচাইযোগ্যতা, এখানে কারও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ("আমি শুনিনি") ওপর ভিত্তি করে কোনো তথ্য অপসারণ বা যোগ করার সুযোগ নেই। ফারদিন (আলাপ) ১৪:৪৭, ২৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন
@ফারদিন, আচ্ছা, ওভারঅল বা সার্বিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে চিন্তা করলে, স্লোগানটি আন্দোলনের একদম শুরুর দিকে (৭ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই) এবং অল্প কিছু জায়গায় যেমনঃ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বা গুটিকয়েক জায়গায় ব্যবহার করা হয়। এছাড়া, স্লোগানে একটা সময় পর বরং 'মুজিব' এবং 'মুজিববাদ' বিরুধী স্লোগান উঠে। যেমনটি এই নিবন্ধেই রয়েছে - 'জাতির পিতা ইব্রাহিম, শেখ মুজিব ঘোড়ার ডিম', 'মুজিববাদ মুর্দাবাদ' ইত্যাদি স্লোগান উঠে। এরপরেও জন্য যদি স্লোগানটি যুক্ত করতে হয়-ই, তবে এর প্রেক্ষাপট-সময়কাল সংক্ষেপে ব্রেকেট () এ স্পষ্ট করে লিখে দিতে হবে। - Oindrojalik Watch 🕯⛥☽ ১৫:০৩, ২৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন
আর শেষের বাক্যটি একটি সত্যাশ্রয়ী ব্যক্তিগত মন্তব্য ছিল, কোনো 'নীতিমালা' নয়- - Oindrojalik Watch 🕯⛥☽ ১৫:০৪, ২৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন
@Oindrojalik Watch তাহলে কোনো প্রকার আলোচনা বা যাচাই ছাড়াই "২০২৪ এর আন্দোলনে ব্যবহার করা হয়নি", "অনির্ভরযোগ্য সূত্র" বলে স্লোগানটি অপসারণ করার কারণ উল্লেখ করবেন? আন্দোলন চলাকালীন সময়ে নাহিদ ইসলামও এই স্লোগান দিয়েছিল। আর স্লোগানটি ৭ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই এর মধ্যে এবং গুটিকয়েক জায়গার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। বরং স্লোগানটি ঢাকা (বুয়েট, শেকৃবি, ৭ কলেজ), চট্টগ্রাম, রাজশাহী, কুমিল্লা, টাঙ্গাইল, কুষ্টিয়া, গোপালগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় আন্দোলন যখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছিল তখনও দেওয়া হচ্ছিল। যেহেতু স্লোগানটি আন্দোলনের শুরু থেকে প্রায় পুরো সময় জুড়েই দেশব্যাপী ব্যবহৃত হয়েছে, তাই এর সময়কাল কীভাবে বন্ধনীর () ভিতরে লিখতে হবে? আর "জাতির পিতা ইব্রাহিম, শেখ মুজিব ঘোড়ার ডিম", "মুজিববাদ মুর্দাবাদ" এই স্লোগানগুলো যে আন্দোলনের সময়ে (৬ জুন ২০২৪ এর পরে এবং ৫ আগস্ট ২০২৪ এর পূর্বে) মূল ধারার স্লোগান হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল তার নির্ভরযোগ্য এবং যাচাইযোগ্য সূত্র উল্লেখ করবেন? ফারদিন (আলাপ) ১৯:৪৫, ২৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন
প্রস্তাব তো রাখা হয়েছে। আর যেহেতু এটি আন্দোলনের একদম পুরো সময় জুড়ে ব্যবহার করা হয়নি (যেমনটি আপনার তথ্যসূত্রে-ইত্তেফাক অনুযায়ী ১৮ জুলায় শুধু একটি নগন্য জায়গায় ব্যবহার করা হয় এবং সকালের সময় নামক সাইট অনির্ভরযোগ্য হিসেবেই ধরা হয়। অর্থাৎ মাত্র দুটি সূত্রে এটা প্রমাণিত হয়না যে দেশের প্রত্যেক জায়গায় প্রতেক দিন-ই ব্যবহার করা হয়েছে) এবং উল্টো মজিব-বিরোধী স্লোগান, মুজিব বিরোধি ন্যারেটিভ-বয়ান (বাকশালী, বাংলাদেশের প্রথম ফ্যাসিস্ট, দেবদাস চক্রবর্তী, রক্ষীবাহিনী, মতিউর রহাম রেন্টুর 'আমার ফাঁসি চাই' বই থেকে সকল ন্যারেটিভ, মুজিবের ব্যর্থ শাসন-খরা, ১৯৭৪ এর দুর্ভিক্ষ-বন্যা, সিরাজ হত্যা, জাসদের হাজার হাজার নেতাকর্মী হত্যা, চশমা কাহিনী, ভারত ও গান্ধীর সাথে আতাত কাহিনী ইত্যাদি ইত্যাদি ন্যারেটিভ), মুজিবের মূর্তি ভাঙ্গা ইত্যাদি সংঘটিত হয়েছিল। এছাড়া কতগুলো প্রমাণ রয়েছে যে আন্দোলনের পুরোটা সময় জুড়ে এমনকি ৫ আগষ্ট এর আগে পরে কখন কোথায় কারা ব্যবহার করেছে সেটা প্রমাণ হিসেবে দিতে হবে। সে জন্যই আগের প্রত্যুত্তরটি ভালো করে পড়ুন, ' এরপরেও জন্য যদি স্লোগানটি যুক্ত করতে হয়-ই, তবে এর প্রেক্ষাপট-সময়কাল সংক্ষেপে ব্রেকেট () এ স্পষ্ট করে লিখে দিতে হবে'।
তো এখন যুক্তি-প্রমাণ-তথ্যসূত্র দিন যে ৫ আগষ্টের ঠিক আগের সময়ে এবং পরে আন্দোলনকারীরা ব্যবহার করেছেন? এর মানে পুরোটা সময় জুড়ে। এর পরই আশা করছি এই প্রস্তাব বাস্তবায়নেই সকল সমস্যার সমাধান হবে। - Oindrojalik Watch 🕯⛥☽ ০৬:৪১, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন
জাতির পিতা ইব্রাহিম, শেখ মুজিব ঘোড়ার ডিম - সকল সংবাদ, লক্ষ শহীদের দামে কেনা, দেশটা কারও বাপের নাঃপ্রথম আলো , যুগান্তর, - Oindrojalik Watch 🕯⛥☽ ০৭:২১, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন
@Oindrojalik Watch আলোচনার প্রতি ধাপে নিজের অবস্থান এবং দাবি পরিবর্তন করলে গঠনমূলক আলোচনা করা অসম্ভব। যতবারই আপনার দাবিগুলো খণ্ডন করা হচ্ছে ততবারই আপনি নতুন অদ্ভুত কিছু শর্ত জুড়ে দিচ্ছেন।
আপনি প্রথমে দাবি করলেন ২০২৪ এ এই স্লোগান ব্যবহার করা হয়নি এবং দৈনিক ইত্তেফাক ও সময় টিভি হচ্ছে অনির্ভরযোগ্য সূত্র। পরবর্তীতে স্লোগান অপসারণ করার কারণ জিজ্ঞেস করলে বলেন সেখানে ফেসবুক লিংক ছিল। কিন্তু সেখানে কোনো ফেসবুক লিংক ছিল না এবং ফেসবুক লিংকটি এখানে উল্লেখ করতেও ব্যর্থ হন এবং দাবি করলেন এই স্লোগানটি ৭ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই এবং কুমিল্লার মত কিছু গুটিকয়েক জায়গায় সীমাবদ্ধ ছিল। তারপর যখন প্রমাণ দেওয়া হল যে স্লোগানটি ১৪ জুলাইয়ের পরবর্তীতেও ব্যবহার করা হয়েছে এবং শুধু কুমিল্লায়ই নয় বরং ঢাকা চট্টগ্রাম, রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ব্যবহৃত হয়েছে তখন আপনি দাবি করলেন দুটি সোর্স কিছুই প্রমাণ করে না। আপনি আদৌ আমার আগের জবাবটি ভালোভাবে পড়েছেন এবং চেক করেছেন? সেখানে দুটি সোর্স ছিল না বরং ১২ টি সোর্স ছিল। আপনি দাবি করছেন স্লোগানটিকে দেশের প্রত্যেক জায়গায় প্রত্যেকদিন ব্যবহৃত হওয়ার প্রমাণ দিতে হবে। আচ্ছা তাহলে আপনার মতে এই পাতায় যতগুলো স্লোগান আছে সবগুলোকেই ৭ জুন থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিদিন ব্যবহৃত হয়েছে এবং বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলায় ব্যবহৃত হয়েছে এটা প্রমাণ করার পর স্লোগানটি যুক্ত করতে হবে?
আমি ১২ টি সোর্স দিয়েছি যেটা যথেষ্টের চেয়েও অতিরিক্ত। আমি তো আপনাকে ইন্টারনেটে বিদ্যমান সকল সোর্স এনে দিব না। আমি অল্প কিছু সোর্সই দিব। তবুও আমি ১২ টি সোর্স দিয়েছি যার মধ্যে দুটি সোর্স ছিল লোকাল বা কম নির্ভরযোগ্য সোর্স, সকালের সময় ছিল এদের একটি। আপনার বিভ্রান্তিকর যুক্তি ঢাকতে আপনি 'সকালের সময়' নামক সোর্সটিকেই ঢাল বানাচ্ছেন, অথচ বাকি ১০টি সোর্সকে সম্পূর্ণ এড়িয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু আমার কাছে নির্ভরযোগ্য সোর্সও প্রচুর রয়েছে, তবে সেগুলো এখন আমি এখানে দিব না। কারণ দেওয়ার পর আপনি আপনার কথা আবারও পরিবর্তন করে নতুন কিছু চাইবেন।
তাই আপনি আগে আমার নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন। তারপর বাকি আলোচনায় যাব।
  1. "বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই" স্লোগানটি কোনোপ্রকার আলোচনা ছাড়া অপসারণের কারণ কী?
  2. ২০২৪ সালে স্লোগানটি ব্যবহার করা হয়নি বলার কারণ কী? যেখানে দুটি সোর্সই নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করছিল ২০২৪ সালে ব্যবহৃত হওয়ার।
  3. আপনি সম্পাদনা সারাংশে লিখেছিলেন, অনির্ভরযোগ্য সূত্র; সেই সাথে যুক্ত তথ্যসূত্রতেই এর প্রমাণ রয়েছে। যুক্ত তথ্যসূত্রে কী প্রমাণ ছিল তা এখানে উল্লেখ করুন।
  4. আপনি দাবি করেছিলেন তথ্যসূত্রের জায়গায় ফেসবুক পোস্টের লিংক ছিল। সেই ফেসবুক পোস্টের লিংকটি এখানে দিন।
  5. ঠিক কতটি সোর্স দিলে "বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই" স্লোগানটি যে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ব্যবহৃত হয়েছিল তা প্রমাণিত হবে?
  6. ঠিক কতটি জেলায় স্লোগানটি ব্যবহৃত হওয়ার প্রমাণ দিতে হবে?
  7. মুজিব বিরোধী স্লোগানগুলো ৫ আগস্টের আগে মূল ধারার স্লোগান হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এটার প্রমাণ দিন নির্ভরযোগ্য সোর্স থেকে।
মুজিব বিরোধী কর্মকাণ্ড ও মুজিবের মূর্তি ভাঙার ঘটনা ৫ আগস্টের পরবর্তী ঘটনা। আপনার যদি মনে হয় ৫ আগস্টের আগে আন্দোলনের মূল ধারায় এসব ঘটেছে তাহলে এর নির্ভরযোগ্য সোর্স দিন। আপনি নিচে ৩ টি সোর্স দিয়েছেন। এর মধ্যে প্রথম আলোতে শেখ মুজিব ঘোড়ার ডিম এই স্লোগান পাইনি। তারপর সিভয়েস২৪ নামক ওয়েবসাইটের লিংক দিয়েছেন এটা কোনো নির্ভরযোগ্য সোর্স না। আর যুগান্তরে স্পষ্টভাবে বলা আছে "শেখ মুজিব ঘোড়ার ডিম, জাতির পিতা ইব্রাহিম" স্লোগানটি ধর্মীয় বা উম্মাহভিত্তিক স্লোগান। এই স্লোগানটি মূল ধারার স্লোগান হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে তার প্রমাণ দিন। আমি উপরে ১২ টি সোর্স দিয়েছিলাম, আপনি অন্তত ১০ টি সোর্স দিতে পারবেন? ফারদিন (আলাপ) ১১:২৬, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন
@খাত্তাব হাসান ভাই, পুরো ব্যাপারটি দেখার অনুরোধ রইল। আর "মুরুব্বি মুরুব্বি উহু উহু", "শেখ মুজিব ঘোড়ার ডিম", "তখন আমার আবেগ কাজ করেছে, বিবেক কাজ করেনি", "একটু অপেক্ষা করা যায় না" এই ধরনের তথ্যসূত্রবিহীন স্লোগান বা দেয়াললিখনগুলো কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় আসলেই ব্যবহৃত হয়েছিল কি না, তা যাচাই করার উপায় কী? যদি কোনো স্লোগান বা দেয়াললিখন যাচাই করা না যায়, তবে তা কি উইকিউক্তিতে রাখা হবে? যাচাই করা যায় না এমন কিছু যদি উইকিউক্তিতে যোগ করা যায়, তবে যেকোনো ব্যক্তি নিজের পছন্দমতো স্লোগানকে কোটা সংস্কার আন্দোলনের স্লোগান হিসেবে যোগ করে দিতে পারবে কি না? যদি এগুলো উইকিউক্তিতে রাখা হয় তবে কেন রাখা হবে, আর রাখা না হলে কেন রাখা হবে না এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুরোধ রইল। ফারদিন (আলাপ) ১১:৪২, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন
মুরুব্বি মুরুব্বি উহু উহু", "শেখ মুজিব ঘোড়ার ডিম", "তখন আমার আবেগ কাজ করেছে, বিবেক কাজ করেনি", "একটু অপেক্ষা করা যায় না" এগুলোর মাঝে কিছু বাদ দেওয়া যেতে পারে। তবে এর মাঝে অনেক গুলোই আছে যেগুলো দেওয়াল লিখনে ব্যবহার করা হ্যেছে যেমনঃ 'মুরুব্বি মুরুব্বি উহু উহু, তখন আমার আবেগ কাজ করেছে, বিবেক কাজ করেনি' - এগুলর যুগসূত্র রয়েছে। একটু কষ্ট করে গুগোলে গ্রাফিতি, জুলাইয়ের দেওয়াল লিখা লিখে খুজলে সহস্রাধিক নিউজ পেয়ে যাবেন। অপসারণ না করে সূত্র যুক্ত করতে হবে। - Oindrojalik Watch 🕯⛥☽ ১১:৫৭, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন
প্রথমত আমার হয়তো বিষয়টি খেয়াল ছিলনা তবে সেগুলো এমনিতেও আন্দোলনের পুরো সময় জুড়ে ব্যবহার করা হয়নি। আর দাবি করছিনা যে স্লোগানটি একদম-ই ব্যবহার করা হয়নি বরং বলতে চাচ্ছি যে আন্দোলনের পুরোটা সময় জুড়ে কক্ষনোই ব্যবহার করা হয়নি। যেমনঃ আপনি যেসব সূত্র দিলেন তার অধিকাংশই ১৪ জুলাইয়ের আগে। একটা লিংক দিয়েছিলেন ২৯ জুলাইয়ের যেটা সকালের খবর নামক অয়েব, যা নির্ভরযোগ্য নয়। আর যুক্তি হিসেবে আগে তো বল্লামই যে মজিব বিরোধী ন্যারেটিভ (বাকশালী, বাংলাদেশের প্রথম ফ্যাসিস্ট, দেবদাস চক্রবর্তী, রক্ষীবাহিনী, মতিউর রহাম রেন্টুর 'আমার ফাঁসি চাই' বই থেকে সকল ন্যারেটিভ, মুজিবের ব্যর্থ শাসন-খরা, ১৯৭৪ এর দুর্ভিক্ষ-বন্যা, সিরাজ হত্যা, জাসদের হাজার হাজার নেতাকর্মী হত্যা, চশমা কাহিনী, ভারত ও গান্ধীর সাথে আতাত কাহিনী ইত্যাদি ইত্যাদি), স্লোগান (দেশটা কারো বাপের না, মুজিব ঘোড়ার ডিম ইত্যাদি) রয়েছে। সে জন্য যুক্ত করে ব্রেকেট লিখে দিতে হবে যে প্রথম উৎপত্তি ২০১৮ সালে এবং ২০২৪ এর প্রথমাংশে কিছু সংখ্যক জায়গায় ব্যবহার হয়েছে। - Oindrojalik Watch 🕯⛥☽ ১১:৫৫, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন
আর 'মুজিব বিরোধী কর্মকাণ্ড ও মুজিবের মূর্তি ভাঙার ঘটনা' এর ক্লিয়ার প্রমাণ রয়েছে ছবি ভিডিও তে। অমুক তমুক জায়গায় মুজিবের মূর্তি ভাঙা সহস্র ছাত্র-জনতার, ত্মুক জায়গায় লীগকে হঠিয়ে অফিস ভাংচুর, মুজিবে ম্যুরাল ভাংচুর ইত্যাদি নিয়ে শুধু শত শত নিউজ রয়েছে ৫ আগস্টের আগে ঠিক যখন আন্দোলন তুঙ্গে। শুধু গুগোলের নিজু সেক্শনে পাবেন। যেমনঃ এটি আপলোডেড ৫ তারিখ, তবে ঘটনা ৪ তারিখের, সাথে এও লিখা আছে যে মজিবের ভাস্কর্য ভাঙচুর করে জনতা। - Oindrojalik Watch 🕯⛥☽ ১২:১২, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন
@Oindrojalik Watch আপনি আমার আলোচনার প্রাসঙ্গিক অংশগুলোর জবাব না দিয়ে সবচেয়ে অপ্রাসঙ্গিক অংশগুলোর জবাব দিয়ে আলোচনাটিকে ভিন্ন প্রসঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন। একটি আলাপ শেষ না করে প্রতিবার ভিন্ন প্রসঙ্গে চলে গেলে কোনো গঠনমূলক সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়। আন্দোলনের সময় কোথায় কী সহিংসতা হয়েছে, কী ভাঙচুর হয়েছে এটা কি এই উইকিউক্তির পাতায় আলোচনা করার সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক বিষয় ছিল? এছাড়া আপনি নির্ভরযোগ্য সোর্সও দিতে পারছেন না। আর কোন স্লোগানের উৎপত্তি কখন এসব যদি লিখতে হয় তাহলে ইনকিলাব জিন্দাবাদের মতো অনেক স্লোগান যেগুলোর উৎপত্তি ২০২৪ এর অনেক আগে সেগুলোর পাশেও কখন কোন স্লোগানটির উৎপত্তি হয়েছে এবং কোথায় কোথায় ব্যবহৃত হয়েছে তা লিখতে হবে? আপনি আমার উপরের জবাবটি ভালো করে পড়ুন তারপর প্রত্যেকটি কথার জবাব পয়েন্ট আকারে দিন। তারপর বাকি আলোচনা হবে। আর আমি আপনাকে মূল ধারার ঘটনাগুলোর নির্ভরযোগ্য সোর্স দিতে বলেছি। এই বিষয়টি নিশ্চিত করে জবাবগুলো দিন। আপনি কোনো নির্ভরযোগ্য সোর্স না দিয়ে বলছেন "গুগলে সার্চ করলে পাওয়া যাবে" এই ধরনের উত্তর দেওয়ার কারণ কী? "বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই" এই স্লোগানটিও যদি গুগলে সার্চ করতেন তাহলে অনেকগুলো নির্ভরযোগ্য সোর্স পেয়ে যেতেন এবং সেগুলো ১৪ জুলাইয়ের পরে যখন আন্দোলন চরম পর্যায়ে পৌছেছিল তখনও ব্যবহৃত হওয়ার প্রমাণ পেতেন। কিন্তু আপনি তা না করে কোনো আলোচনা ছাড়াই স্লোগানটি অপসারণ করেছিলেন! ফারদিন (আলাপ) ১৫:২৮, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন
আসলে দেখুন, এই সময়ে মূল জায়গা বলতে সেই স্লোগান থাকবে কিনা - এটি প্রধান নয় বরং স্লোগানকে কিভাবে ব্যাখ্যা করা হবে সেটাই হলো মূল বিষয়। আর বারংবার বলছেন তথ্যসূত্র দিতে, যদি সবগুলো স্লোগানেরই তথ্যসূত্র না থাকার কারনে অপসারণ করতে হয়, তবে এই নিবন্ধের স্লোগান বিষয়ক জায়গাটার ৯৩% খালি হয়ে যাবে। আসলে সেটাই এখন মূল সমস্যার বিষয়। আমাদের এটা সবার আগে সমাধান করা উচিত। - Oindrojalik Watch 🕯⛥☽ ১৫:৩২, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন
@Oindrojalik Watch দয়া প্রসঙ্গ অন্য দিকে না নিয়ে আমার উপরের দুটি জবাবের উত্তর দিন। ফারদিন (আলাপ) ১৫:৩৫, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন
আসলে আপনার প্রশ্নের জবাব তো আগেই দিলাম। ধরেন আমরা যদি প্রশ্নকে আকড়ে না ধরে সমস্যা সমাধানে আগ্রহী হই, সেটা বেশী কাজে দিবে। কারন দিন শেষে উইকি জগতের কল্যাণ-ই চাই। - Oindrojalik Watch 🕯⛥☽ ১৫:৩৭, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন
@Oindrojalik Watch সমস্যাটি তখনই সমাধান হবে যখন আপনি প্রশ্নগুলোর উত্তর দিবেন। আর আপনার কর্মকাণ্ডই প্রশ্নগুলোকে উত্থাপন করেছে। না, আপনি কোনো প্রশ্নের জবাব সঠিকভাবে দেননি৷ বরং আপনি সেগুলো এড়িয়ে গিয়ে আলোচনার অপ্রাসঙ্গিক বিষয়গুলোর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলোর কোনো উত্তর দেননি, সবসময় এড়িয়ে গেছেন। ফারদিন (আলাপ) ১৫:৪৩, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন
প্রশ্ন কী? - Oindrojalik Watch 🕯⛥☽ ১৬:০৬, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন
@Oindrojalik Watch আমি উপরের পুরো আলোচনা ও সূত্রগুলি পড়ে দেখলাম। আপনার আলোচনা ভিন্ন ভিন্ন কেন্দ্রকে ভিত্তি করে আবর্তিত হচ্ছে। এটা আলোচনার মাধ্যম না। আপনি কেনো সরালেন, সেটা আপনি স্পষ্ট করেননি। উক্তি আমরা তথ্যসূত্রের উপর ভিত্তি করে যুক্ত করি, না কি আপনার-আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার উপর? আপনি কয়েকবারই বলছেন যে, আপনি শুনেন নি। এটা কোন ধরনের উইকিতে করার মতো কথা?
আপাতত আমি সবগুলো সূত্র ব্যতীত উক্তিগুলো নিচে একটি অনুচ্ছেদে যুক্ত করে মূল পাতা থেকে সরিয়ে দিচ্ছি। যখন সূত্র যুক্ত করা হবে, তখন সেগুলো সেখানে যুক্ত করা যেতে পারে। যদি কোনো উক্তি এতো বেশি ব্যবহারও হয় যে, বাংলাদেশের ষোলো কোটি মানুষই ব্যবহার করেছে, কিন্তু কোনো সূত্রে সেটা প্রমাণিত না হয়, (বাস্তবে এমন হওয়া সম্ভব না, তবুও ধরে নিলাম); এমন ক্ষেত্রে আমরা আমাদের অভিজ্ঞতাকে সামনে আনবো না, সূত্র না থাকায় অপসারণ করবো। উইকির কাজ এভাবেই এগিয়ে গিয়েছে ও যাবে। আশা করি, বুঝতে পেরেছেন। ধন্যবাদ! ―  ☪  কাপুদান পাশা (✉) ১৬:২৩, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন
ওহ! বড়ো আলোচনার ফাকে তবে আমার উত্তর ঢাকা পড়েছে! বলেছিলাম যে এটি বোধহয় খেয়ালে ছিল না যে দুটি সূত্র সেখানে যুক্ত ছিল। তবে একদম অপসারণের জায়গা থেকে সরে এসে ব্রেকেটে স্পষ্টিকরণের কথা বলেছিলাম। আর দ্বিতীয়ত ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে নীতিমালা হিসেবে নেইনি বা সেটা এভাবেও উল্লেখ করিনি, শুধু একটি মন্তব্য ছিল যা উপরে আগেই উল্লেখ করেছি। আর অপসারণের থেকে বরং সূত্র যুক্ত করা ভালো, যেহেতু অধিকাংশই সঠিক। যেগুলোর তথ্যসূত্র পাওয়া যায়না, সেগুলো অপসারন করবেন আশা করছি। ধন্যবাদ,
- Oindrojalik Watch 🕯⛥☽ ১৬:৩৩, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন

নিরপেক্ষতা ট্যাগ যুক্ত করার কারণ

[সম্পাদনা]

এখানে আরও অনিরপেক্ষভাবে তথ্য ও সূত্র যুক্ত করতে হবে। অনেকটা একপেশে কিছু একটা প্রমাণ করার মতো লেখা হয়েছে। যেমন- শমী কায়সারের উক্তির নিচে কে কে সেখানে গিয়েছিল, সেটার তালিকাও দেয়া হয়েছে। এরকমভাবে আরও অনেক অনিরপেক্ষ রয়েছে। অনুগ্রহ করে সংশোধন করে তারপর ট্যাগটি সরিয়ে দিতে পারেন। ―  ☪  কাপুদান পাশা (✉) ১৭:২৬, ২৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন

সূত্রবিহীন উক্তি

[সম্পাদনা]

নিচে সকল উৎসবিহীন উক্তি যুক্ত করা হলো, অনুগ্রহ করে পাতায় যুক্ত করার পূর্বে উৎস অনুসন্ধান করে যুক্ত করে নিন:
(উল্লেখ: সামাজিক মাধ্যম উপযুক্ত উৎস নয়।)

স্লোগান

[সম্পাদনা]
  • আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে
  • আপস না সংগ্রাম—সংগ্রাম সংগ্রাম
  • আবু সাঈদ/শহীদদের স্মরণে, ভয় করিনা মরণে
  • ইনকিলাব জিন্দাবাদ
  • উই ওয়ান্ট জাস্টিস (আমরা ন্যায়বিচার চাই)
  • এক দুই তিন চার—শেখ হাসিনা গদি ছাড়
  • কথায় কথায় বাংলা ছাড়, বাংলা কি তোর বাপ-দাদার
  • কোটা না মেধা—মেধা মেধা
  • কে এসেছে, কে এসেছে? পুলিশ এসেছে, পুলিশ এসেছে; কি করছে কি করছে? —স্বৈরাচারের পা চাটছে
  • চেয়েছিলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার
  • জাতির পিতা ইব্রাহিম, শেখ মুজিব ঘোড়ার ডিম
  • লাখো শহীদের রক্তে কেনা,
    দেশটা কারো বাপের না
  • 'তোর কোটা তুই নে, আমার ভাইকে ফিরিয়ে দে'
  • দালালি না রাজপথ—রাজপথ রাজপথ
  • ছেলে হারা মায়ের ডাক—স্বৈরাচার নিপাত যাক
  • জ্বালোরে জ্বালো আগুন জ্বালো
  • বুকের ভেতর অনেক ঝড়—বুক পেতেছি গুলি কর
  • বন্দুকের নলের সাথে ঝাঁজালো বুকের সংলাপ হয় না
  • মোদীর পোষা হাসিনা—তোকে ভালবাসি না
  • রক্তের বন্যায়—ভেসে যাবে অন্যায়
  • হৈ হৈ রৈ রৈ—ছাত্রলীগ গেলি কৈ
  • লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে
  • সামনে আসছে ফাগুন, আমরা হবো দ্বিগুণ
  • স্বৈরাচারের গদিতে, আগুন জ্বালো একসাথে
  • শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না
  • যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ, যদি তুমি রুখে দাঁড়াও—তবে তুমিই বাংলাদেশ
  • ফর এভরি ফিরাউন, এ মূসা উইল বি বর্ন (প্রতিটি ফিরাউনের জন্য একজন করে মূসা নবীর জন্ম হয়)
  • বউতদিন হাইয়্যু, আর ন হাইয়্যু (চাটগাঁইয়া ভাষারীতি)

আন্দোলনে জেন-জির ব্যবহৃত বাগধারা ও দেয়াললিখন

[সম্পাদনা]
  • নাটক কম করো পিও
  • তুই ছাত্র খুনি
  • ওই মামা না প্লিজ
  • আমাকে ক্ষমা করে দাও পিলিজ
  • Hasina, Hasina you can’t hide, we charge you with genocide (হাসিনা, হাসিনা, লুকাতে পারবে না তুমি, আমরা তোমার বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ করছি।)
  • ছাত্র যদি ভয় পাইতো বন্দুকের গুলি, উর্দু থাকতো রাষ্ট্রভাষা, উর্দু থাকতো বুলি
  • ‘দেশ স্বাধীন হলে আমরা আবার ছাদে উঠব’
  • তুমি আমি আমরা, বিকল্প বিকল্প
  • আমি মেট্রোরেল হতে চেয়েছিলাম, খোদা আমাকে ছাত্র বানালো
  • স্বৈরাচারের হয়নি পতন, মুক্তিযুদ্ধ হয়নি শেষ, গর্জে ওঠো বীর জনতা, গর্জে ওঠো বাংলাদেশ
  • ‘গেরিলা বসন্তে আমরাই বুনোফুল’
  • আঙ্কেল, আমার বাবা মা কেউ বাড়ি নাই, আমার ছোট বোনটারে আমি ঘরে তালা দিয়ে রেখে আসছি
  • মেধা শহীদ
  • ‘কোন দেশি রাখাল তুমি, উড়াও কেনে ঘুড়ি?/আমার ঘুড়ি অনেক বড়, উড়বে আকাশ জুড়ি/নীলচে আকাশ আমার-নেই সীমানা, ভাগ করো না তুমি/ছোট লোকের-নয়কো আকাশ নয়কো মাতৃভূমি...
  • লোহার টুপি মানুষের মগজ খায়
  • আমার সাথে রাবিশ কথা বলবেন না
  • আপনি উত্তেজিত হবেন না প্লিজ
  • ইন্টারনেট বন্ধ করিনি, বন্ধ হয়ে গেছে
  • হারুনের ভাতের হোটেল
  • এখানে যে ময়লা ফেলবে সে একটা হাউন আঙ্কেল
  • সোর্স: চালাই দেন
  • স্বজন হারানোর বেদনা
  • শেখ হাসিনা পালায় না
  • আসছে ফাগুন—আমরা দ্বিগুণ হবো
  • পা চাটলে সঙ্গী, না চাটলে জঙ্গী
  • খেটে বড় হও চেটে নয়
  • আমার বিচার তুমি করো—তোমার বিচার করবে কে? (গানের লাইন)
  • শোন মহাজন, আমরা অনেকজন
  • পোস্ট ডিলিট করো, নাইলে সমস্যা হবে
  • পোস্ট ডিলিট করে লাভ নাই, স্ক্রিনশট নেওয়া আছে, প্রিয় অভিভাবক
  • পানি লাগবে, পানি
  • আবু সাঈদ-মুগ্ধ, শেষ হয় নি যুদ্ধ
  • শেখ হাসিনা পালায় না
  • জার জার ওবস্তান থেকে পালাও
  • শী হ্যাজ মেড আস ফ্লাই ফাস্টার (ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের অংশ)
  • বাতাবি-লেবুর বাম্পার ফলন
  • আওয়াজ উডা, কথা ক
  • বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর
  • বিকল্প কে? তুমি আমি আমরা
  • স্বাধীনতা এনেছি, রক্ষাও করবো
  • থামুন, দেশের সংস্কার চলছে
  • ঘুষ চাইলেই কানের নিচে থাপ্পড়
  • দিনে নাটক, রাতে আটক
  • আম্মু, ঐ দেখো হেলিকপ্টার
  • দড়ি ধরে মারো টান, রানী হবে খানখান
  • আমার ছাওয়াল মারলি ক্যানে
  • সুবোধ তুই পালিয়ে যা, সময় এখন পক্ষে না
  • পিন্ডির জিঞ্জির ছিন্ন করেছি দিল্লির দাসত্ব করবার জন্য নয়
  • লাইলাতুল গুজব
  • র (RA&W) গুজব লীগ, তৈরি তো?
  • নৌকা আর ধানের শীষ, দুই সাপের একই বিষ
  • আমি ৭১ দেখিনি, ২৪ দেখেছি
  • সত্য সমাগত, মিথ্যা বিলুপ্ত
  • এখানে রাজনৈতিক আলাপ নিষিদ্ধ নয়, জরুরি
  • বাঙালী আর আদিবাসী, একই বৃন্তের দুটি ফুল
  • শুধু পদ্মার ইলিশ না, সারা বাংলাদেশটাই আমাদের গর্ব
  • বিজয় ৩৬শে জুলাই
  • রিয়েলিটি মাইনা নাও, বারোটা তোমার বেজে গেছে
  • মুরুব্বি মুরুব্বি উহু উহু
  • একটু অপেক্ষা করা যায় না,
  • ‘বলব না, একটা শব্দও বলব না’
  • মাসুদ তুমি কি কোনোদিনই ভালো হবে না
  • পালাব না। কোথায় পালাব! পালাব না, প্রয়োজনে ফখরুল সাহেবের বাসায় গিয়ে উঠব
  • আমার মা পদত্যাগ করেছে/করেনি
  • She has made us পলাতক
  • তখন আমার আবেগ কাজ করেছে, বিবেক কাজ করেনি
  • যে জীবন শাহাদাতে উদ্দীপ্ত, সে জীবন বাধা মানেনা
  • যে হৃদয় শাহাদাতের উচ্চাকাঙ্ক্ষা‌ লালন করে, সে হৃদয় কখনো হতাশ হয় না
  • হর হর, হরি যা, বাপের লাখান মরি যা (সিলেটি ভাষারীতি)

সম্পর্কে উক্তি

[সম্পাদনা]
  • জার জার ওবস্তান থেকে পালাও।
    • নুরুল আজিম রনি, ৫ আগস্ট ২০২৪, চট্টগ্রামের ছাত্রলীগ নেতা
  • (মহাইমিন পাটোয়ারী: ইন্ডিয়ান পুলিশ যাকে ধরছো কেমনে বুঝছো ইন্ডিয়ান পুলিশ?) ওরে ধরসি ওর নাম ছিলো ইউসুফ, আমার যতদুর খেয়াল আছে মানে যেটারে যেটাকে নিয়ে গেছে তারা আধ মরা অবস্থায় ওর নাম ছিল ইউসুফ। ওরে বাংলায় বললে বাংলায় বলতে পারেনা। (নামও বলতে পারেনা?) কিচ্ছু বলতে পারেনা। তখন যখন গণধোলাই দিছে মানুষ, গণ ধোলাই দেওয়ার পর বলতেছে হাম বাঙালি নেহিহে। হামতো ইন্ডিয়ান আর্মি হ্যায়। তো যতটুকু জানামতে কোবরা আর্মির মনে হয় ফোর্স এরকম একটাই বলছে আর কি, ইন্ডিয়ান। তখন লোক আরও.. এই বলার মানেই ওরে মারার এক থেকে দেড় মিনিটের ভিতর হঠাৎ হামলা। (মহাইমিন পাটোয়ারী: তোমাদের সবাইরে মেরে ফেলছে গুলি করে?) আমি যেই হসপিটালে ছিলাম ওই হসপিটালে আমরা মানে আমার সাথে একসাথে ৩২ জন ঢুকাইছে। ৩২ জনের মধ্যে ৩০ জন ডেড। এটা আব্দুল্লাহ হসপিটাল কাজলাদি। আপনি খুঁজলে এখনো পাইবেন। (ওই ইন্ডিয়ান আর্মির এত বড় ফোর্স ছিল যাত্রাবাড়ীতে) হ্যাঁ হ্যাঁ। (সেইজন্য এই কাজ করছে) আমাদের শহীদি ভাই একসাথে ৩২ জন ঢুকাইছে। ৩২ জনের মধ্যে আমি একমাত্র ছাড়া বুকে গুলি খেয়ে কন্ডিশন খারাপ। ৩০ জন অলরেডি ডেড ছিল একজনকে নিয়ে গেছে।
    • ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪, মোহাইমিন পাটোয়ারীকে দেওয়া সাক্ষাৎকার হাসপাতালে ভর্তি হওয়া যাত্রাবাড়ীতে আন্দোলনকারী এক যুবক
  • একজন আমার সামনে ইনস্ট্যান্ট কথা বলতেছে কনসে রাস্তেসে আয়ে হো, আমারেই তো জিজ্ঞেস করতেসিলো, (মোহাইমিন পাটোয়ারী: বিজিবি?) হ্যা, বিজিবি, আমি তো বুঝতেই পারসি এগুলো বিজিবি না, এগুলো বিএসএফ আসছিলো।... কারণ যখন সে বলেছে ভাগযাও, নেহিতো শুট কারুঙ্গা, তার মানে আসলেই এরা বিএসএফ।
    • ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪,মোহাইমিন পাটোয়ারীর নেয়া এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে রামপুরায় আন্দোলনকারী দুই ছাত্র
  • পৃথিবীর যেকোনো স্বাধীনতা যুদ্ধের জয়লাভ সেই দেশের পরবর্তী ঘটনার যত বড় ইভেন্টই হোক না কেন সেটার সঙ্গে তুলনীয় হয় না। লক্ষ লক্ষ মানুষ আত্মদান করেছে, ২৩ বছর ধরে সংগ্রাম করেছে। একটা দেশের থেকে সশস্ত্র যুদ্ধ করে আরেকটা দেশ জন্ম হয়েছে সেটার সাথে অন্য কিছুর তুলনা হয় না।
  • আমি একটা জরিপ করছিলাম এই যে কোটা আন্দোলন হচ্ছে এটা নিয়ে। প্রায় ১ লাখ লোক ভোট দিছে। এর মধ্যে ৯০% মানুষ মনে করে ট্রানজিট থেকে নজর ফেরানোর জন্য এই কোটা আন্দোলন হাসিনার নাটক। আর এই আন্দোলনের নেতারা সবাই ছাত্রলীগ। আমি খোঁজ নিছি, আপনারাও খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন।
  • মানুষের মনে হয়েছে যে, শেখ মুজিবের নাম নিয়ে যে পরিমাণ এ্যাট্রোসিটি করা হয়েছে, তাতে ঐ ভাষ্কর্য ভাঙা আটকানোর জন্য আমি ঐ এফোর্টটা দিবো না।
    • মেগমল্লার বসু, সমন্বয়ক, ৬ আগস্ট ২০২৪, জি ২৪ ঘন্টাকে দেওয়া এক প্রশ্নোত্তর সাক্ষাৎকার আলোচনা অনুষ্ঠানে
  • নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর সহীহ হাদিস অনুসারে, যারা তাদের অধিকার চাওয়ার জন্য মৃত্যুবরণ করে তারা শহীদ (ইসলামে শহীদ)। এই ঘটনার অনুরূপ, বাংলাদেশে কোটা আন্দোলনে নিহত ছাত্র এবং প্রতিবাদকারীদের শহীদ বলা যেতে পারে।
  • শিক্ষার্থী যারা যাত্রাবাড়ীতে এবং গাজীপুরে বা মাওনাতে যারা ছিল, এদের জায়গা থেকে আমরা যে প্রমাণটা পাচ্ছি, তারা বলেছে যে, তাদের কাছে এসে গুলি করেছে যে পুলিশগুলো, তারা বাংলা ভাষায় কথা বলেনি, তারা অধিকাংশই হিন্দি ভাষায় কথা বলেছে। হিন্দিতে গালাগালি করেছে এবং এই তাদের আচরণ ছিল অসম্ভব ব্রুটাল। তারা কোন দেশীয় কোন মানুষ বাংলাদেশের উপরে নিষ্ঠুরতা করেছে, সেই দৃষ্টান্ত আছে, কিন্তু তাদের নিষ্ঠুরতার মাত্রাটা অনেক বেশি ছিল, এইটা বেশ কয়েকজন সাক্ষীর কাছ থেকে আমরা পেয়েছি।
    • তাজুল ইসলাম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের প্রধান প্রসিকিউটর

―  ☪  কাপুদান পাশা (✉) ১৬:৪৩, ২৫ মে ২০২৬ (ইউটিসি)উত্তর দিন