বিষয়বস্তুতে চলুন

ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে

ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি (১৫ অক্টোবর ১৬০৮ – ২৫ অক্টোবর ১৬৪৭) ছিলেন একজন ইতালীয়ান পদার্থবিদ ও গণিতবিদ।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • Sola enim Geometria inter liberales disciplinar acriter exacuit ingenium, idoncumque reddit ad civitates exornandas in pace et in bello defendendas: caeteris enim paribus, ingenium quod exercitatum sit in Geometrica palestra, peculiare quoddam, et virile robur habere solet: praestabitque semper, et antecellet, circa studia architecturae, rei bellicae, nauticaeque, etc.
    • একমাত্র জ্যামিতিই স্বাধীন জ্ঞানশাখা গুলোর মধ্যে বুদ্ধিবৃত্তিকে তীক্ষ্ণ করে এবং এটা শান্তিতে নগরকে সাজানো এবং যুদ্ধে নিজেকে রক্ষা করার জন্য উপযুক্ত করে তোলে। কারণ অন্যান্য বিষয় সমান হলে যে বুদ্ধি জ্যামিতির ব্যায়ামাগারে নিজেকে প্রশিক্ষিত করেছে তার এক ধরণের অদ্ভুত এবং পুরুষালী শক্তি থাকে এবং এটি সর্বদা স্থাপত্যবিদ্যা, সামরিক বিজ্ঞান, নৌবিদ্যা ইত্যাদি অধ্যয়নে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে এবং অন্য সবাইকে ছাড়িয়ে যেতে সাহায্য করে।
    • জ্যামিতিক রচনা (১৬৪৪) খণ্ড ২. আলেকজান্ডার কয়রের গ্যালিলীয় অধ্যয়ন (এতুদ গ্যালিলিয়েন, ১৯৬৬) তে উদ্ধৃত ইতালীয় ভাষায় অনুবাদ করেছেন মাউরিজিও টরিনি (তোরিনো: আইনাউদি, ১৯৭৯) পৃষ্ঠা ২৯১
  • এতে কি অবাক হওয়ার কিছু আছে, যে পাত্রে পারদের ন্যূনতম বিকর্ষণ নেই সেখানে এটি প্রবেশ করবে এবং একটি নির্দিষ্ট উচ্চতার কলামে উঠে এমন একটি ভারসাম্য তৈরি করবে যা তাকে ওপরের দিকে ঠেলে দেওয়া বাইরের বাতাসের ওজনের সমান হবে?
    • ১৬৪৩–৪৫ সালে তার ব্যারোমিটার আবিষ্কারের পর। টেরি ব্রেভারটন (সম্পাদিত) ইমর্টাল ওয়ার্ডস: হিস্টরিস মোস্ট মেমোরেবল কোটেশনস অ্যান্ড দ্য স্টোরিজ বিহাইন্ড দেম(কোয়ারকাস, ২০০৯) পৃষ্ঠা ১০১ এ উদ্ধৃত।
  • অনেকেই যুক্তি দিয়েছেন যে শূন্যস্থান বলে কিছু নেই আবার কেউ কেউ দাবি করেন যে প্রকৃতির অনীহা থাকা সত্ত্বেও এটি অনেক কষ্টে অস্তিত্ব লাভ করে কিন্তু আমি এমন কাউকে চিনি না যে দাবি করে প্রকৃতির কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই এটি সহজেই অস্তিত্ব লাভ করে।
    • ১৬৪৪ সালে লেখা একটি চিঠি থেকে। এরিক এস. রাবকিনের মার্স: এ ট্যুর অব দ্য হিউম্যান ইম্যাজিনেশন (প্রেগার, ২০০৫) পৃষ্ঠা ৫৬ তে উদ্ধৃত।
  • যদি এই একই নিক্তিকে এমনকি বাস্তব আকার থাকা সত্ত্বেও পৃথিবীর পৃষ্ঠে নয় বরং সূর্যের গোলকের বাইরের সর্বোচ্চ অঞ্চলে বিবেচনা করা হতো তবে সুতোগুলো (যেগুলো এখনও পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকৃষ্ট হচ্ছে) একে অপরের সাথে অনেক কম মিলিত হতো অর্থাৎ প্রায় সমান্তরাল হতো। ধরা যাক একটি যান্ত্রিক নিক্তিকে মহাকাশের তারামণ্ডলীর নিক্তির [সেই নামের নক্ষত্রমণ্ডলী] বাইরে অসীম দূরত্বে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তখন সবাই বুঝতে পারবে যে ঝোলানো সুতোগুলো আর মিলিত হবে না বরং একদম সমান্তরাল হয়ে যাবে। ... শুধুমাত্র জ্যামিতিবিদেরই এই বিশেষ সুবিধা রয়েছে যে তিনি বুদ্ধিবৃত্তির সাহায্যে বিমূর্তভাবে সব ধরনের নির্মাণকাজ [অপারাসিওনেস] করতে পারেন। তাহলে কে আমাকে বিশ্বের সীমানার বাইরে অসীম দূরত্বে কল্পিত একটি নিক্তিতে ঝুলন্ত বস্তুগুলো নিয়ে স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে বাধা দিতে চাইবে?
    • পাওলো মানকোসুর ফিলোসফি অব ম্যাথেমেটিক্স অ্যান্ড ম্যাথেমেটিক্যাল প্র্যাকটিস ইন দ্য সেভেনটিন্থ সেঞ্চুরি (নিউ ইয়র্ক: অক্সফোর্ড ইউপি, ১৯৯৬) পৃষ্ঠা ১৩৮–৩৯ এ উদ্ধৃত।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]