বিষয়বস্তুতে চলুন

ইয়াহিয়া

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে

হযরত ইয়াহিয়া (হিব্রু: יוחנן המטביל, Yo-hanan ha-matbil; আরবি: يحيى‎ Yahyá এবং يوحنا Yūhannā; আর্মেনীয়: Yokhanan) কুরআনের বর্ণনা অনুসারে একজন নবী ছিলেন।সূরা মারইয়ামে হযরত ইয়াহিয়া (আ:) কথা বলা হয়েছে। তিনি ছিলেন বিশেষ গুণের অধিকারী।

ইয়াহিয়া সম্পর্কে উক্তি

[সম্পাদনা]
  • তিনি বললেন, ‘হে যাকারিয়া! আমি তোমাকে একটি পুত্রের শুভ সংবাদ দিচ্ছি যার নাম হবে ইয়াহইয়া, পূর্বে এ নামে আমি কাউকে আখ্যায়িত করিনি।’
    • আল কুরআন,১৯:৭
  • ‘হে ইয়াহ্ইয়া! এ কিতাব (তাওরাত) সুদৃঢ়ভাবে ধারণ কর।’ আমি তাকে বাল্য কালেই জ্ঞান দান করেছিলাম।আর (দিয়েছিলাম) আমার পক্ষ থেকে দয়া-মায়া ও পবিত্রতা। সে ছিল আল্লাহভীরু ।আর পিতা-মাতার প্রতি সদয়, সে দাম্ভিক, অবাধ্য ছিল না।তার উপর শান্তি যেদিন সে জন্মেছে, যেদিন তার মৃত্যু হবে আর যেদিন সে জীবন্ত হয়ে উত্থিত হবে।
    • আল কুরআন,১৯ঃ১২-১৫
  • আর যাকারিয়া, ইয়াহইয়া, ‘ঈসা ও ইলিয়াস- এরা সবাই সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত।
    • আল কুরআন,৬:৮৫
  • ‘অতঃপর যখন সে কামরায় ছালাতরত অবস্থায় দাঁড়িয়েছিল, তখন ফেরেশতারা তাকে ডেকে বলল, যে, আল্লাহ আপনাকে সুসংবাদ দিচ্ছেন ইয়াহইয়া সম্পর্কে। (১) যিনি সাক্ষ্য দিবেন আল্লাহর নির্দেশের সত্যতা সম্পর্কে। (২) যিনি নেতা হবেন এবং (৩) যিনি নারীসঙ্গ মুক্ত হবেন ও (৪) সৎকর্মশীল নবী হবেন।
    • আলে ইমরান ৩/৩৯
  • শৈশবে ইয়াহইয়া (আ.)-কে বলা হয়েছিল, এসো, আমরা খেলা করি। জবাবে তিনি বলেছিলেন, আমাদের খেলা করার জন্য সৃষ্টি করা হয়নি।
    • মামার (রহ.) থেকে বর্ণিত আছে,(জামেউল বায়ান : ১৬/৫৫)।
  • ইবনে আসকির তাঁর 'আল মুসতাকসা ফী ফাযাইলিল আকসা' নামক গ্রন্থে বর্ণনা করেন,দামেশকে জনৈক রাজার নাম ছিল , হাদ্দাদ ইবনে হাদার। রাজা তাঁর এক পুত্রকে তার ভাই আরয়ালের কন্যার সাথে বিবাহ করায়। পুত্রব্ধুটি ছিল বহু ভু- সম্পত্তির মালিক । দামেশকের সকল বাজার ঘাট ছিল তার অধীন। রাজপুত্র একদা কসম খেয়ে স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়ে দেয় । কিন্তু কিছুদিন পরে সে আবার সেই স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেবার সিদ্ধান্ত নেয় এবং হযরত ইয়াহইয়া (আঃ)-এর নিকট এই ব্যাপারে মাছআলা জিজ্ঞেস করে । নবী হযরত ইয়াহইয়া (আঃ) জবাব দেন, অন্যত্র বিবাহ ব্যাতীত এই স্ত্রী পুনরায় গ্রহন করা তোমার জন্য জায়েজ নয়।এই রকম ফতোয়া প্রদান করায় , উক্ত মহিলার মনে নবী হযরত ইয়াহইয়া (আঃ)-এর প্রতি ক্ষোভের সৃষ্টি হয় । মহিলা হযরত ইয়াহইয়া (আঃ)-কে হত্যা করার জন্য রাজার কাছে অনুমতি চায়। মহিলার মা তাকে এই কাজে প্ররোচিত করে। রাজা প্রথমে অনুমতি না দিলেও পরে অনুমতি দেয়। হযরত ইয়াহইয়া (আঃ) 'জায়রুন' নামক স্থানে নামাজ আদায় করছিলেন। এই অবস্থায় মহিলার প্রেরিত ঘাতক নবী হযরত ইয়াহইয়া (আঃ) কে শহীদ করে দেয় এবং ছিন্ন মস্তক মোবারক একটি পাত্রে করে নিয়ে যায়। কিন্তু তখনো ঐ পাত্র থেকে আওয়াজ আসছিল, " লা তাহিল্লু লা তাহিল্লু - লাহু হাত্তা তানকিহা জাওজান গইরাহ"অর্থাৎ, অন্যত্র বিবাহ ব্যাতীত ঐ স্বামীর নিকটে যাওয়া জায়েজ হবে না জায়েজ হবে না।"
    • আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ২য় খন্ড,লেখকঃ হাফিজ ইবনে কাসীর আদ দামেশকী (রহঃ)

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

দাউদ

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]