বিষয়বস্তুতে চলুন

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে

ইরান–ইসরায়েল যুদ্ধ ছিল মূলত ইরান এবং ইসরায়েলের মধ্যে সংঘটিত একটি যুদ্ধ, যা ১৩ জুন ২০২৫ তারিখে শুরু হয়; যখন ইসরায়েল ইরানের প্রধান সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে অতর্কিত হামলা চালায়।

শুনুন, এই দুই দেশ এতো দীর্ঘ সময় ধরে এবং এতোটাই ভয়াবহভাবে লড়াই করছে যে, তারা নিজেরাও জানে না তারা আসলে কী করছে! আপনারা কি সেটা বুঝতে পারছেন?
২০২৫ সালের ১৩ জুন, শুক্রবার ভোরে তেহরানের বিভিন্ন অংশে ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর হামলা।
২০২৫ সালের ১৫ জুন ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইসরায়েলের বাত ইয়াম শহরে ধ্বংসযজ্ঞ।
ইরানকে বাঁচানোর একমাত্র পথ হলো দেশটিকে তার জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া।
[১]
আমি যাই করি না কেন—হোক তা রাশিয়া/ইউক্রেন কিংবা ইসরায়েল/ইরান সমস্যা সমাধান। আমি কোনো নোবেল শান্তি পুরস্কার পাব না। ফলাফল যাই হোক। কিন্তু জনগণ আসল সত্যটা জানে, আর আমার কাছে সেটাই বড় কথা।~
[২]ডোনাল্ড ট্রাম্প

]

আমি সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই, বিশেষ করে ঈশ্বরকে। আমি শুধু বলতে চাই, ‘ঈশ্বর, আমরা আপনাকে ভালোবাসি। আমাদের মহান সামরিক বাহিনীকে রক্ষা করুন—আমরা তাদেরকেও ভালোবাসি। ঈশ্বর মধ্যপ্রাচ্যের মঙ্গল করুন, ইসরায়েলকে আশীর্বাদ করুন এবং আমেরিকার সহায় হোন।’ ~
ডোনাল্ড ট্রাম্প
যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ইরানের তথাকথিত "সর্বোচ্চ নেতা" আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি কেন এমন নির্লজ্জ এবং বোকার মতো দাবি করছেন যে তিনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হয়েছেন? তিনি ভালো করেই জানেন তার এই বক্তব্য একটি ডাহা মিথ্যা। একজন মহান ধর্মপ্রাণ মানুষ হিসেবে তার মিথ্যা বলা সাজে না। তার দেশ ধ্বংস হয়ে গেছে, তার তিনটি অশুভ পারমাণবিক কেন্দ্র পুরোপুরি ধূলিসাৎ হয়েছে। আমি ঠিক জানতাম তিনি কোথায় লুকিয়ে আছেন। কিন্তু আমি ইসরায়েল বা মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীকে—যারা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী—তাকে হত্যা করার অনুমতি দিইনি। আমি তাকে এক অত্যন্ত কদর্য এবং অসম্মানজনক মৃত্যু থেকে বাঁচিয়েছি। আর এর জন্য তাকে "ধন্যবাদ, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প!" বলতে হবে না।
প্রকৃতপক্ষে, যুদ্ধের একদম শেষ মুহূর্তে আমি ইসরায়েলকে এক বিশাল যুদ্ধবিমানের বহর ফিরিয়ে আনতে বাধ্য করেছিলাম। যারা সরাসরি তেহরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল একটি বড় কোনো লক্ষ্য হাসিলে যাচ্ছিল। সম্ভবত সেটিই হতে পারত চূড়ান্ত আঘাত! এতে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হতো এবং বহু ইরানি প্রাণ হারাত। এটি হতে পারত এই যুদ্ধের সবচেয়ে বড় আক্রমণ। গত কয়েকদিন ধরে আমি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং অন্যান্য বিষয়ে কাজ করছিলাম, যা ইরানকে দ্রুত পূর্ণ পুনরুদ্ধারের একটি সুযোগ করে দিত।কারণ এই নিষেধাজ্ঞাগুলো তাদের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে! কিন্তু না, বিনিময়ে আমি পেলাম শুধুই একটি ক্রোধ, ঘৃণায় আর বিতৃষ্ণায় ভরা বিবৃতি! আমি সাথে সাথে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সব কাজও বন্ধ করে দিলাম। ইরানকে হয় বিশ্বব্যবস্থার ধারায় ফিরতে হবে, নতুবা তাদের অবস্থা আরও শোচনীয় হয়ে যাবে। তারা সবসময়ই রাগান্বিত, শত্রুভাবাপন্ন এবং অসুখী থাকে। আর দেখুন এর ফল তারা কী পেয়েছে। একটি ভস্মীভূত, বিধ্বস্ত দেশ যার কোনো ভবিষ্যৎ-ই নেই! একটি তছনছ হয়ে যাওয়া সেনাবাহিনী, ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং চারদিকে শুধুই মৃত্যু মিছিল। তাদের আর কোনো আশা বেছে নেই এবং পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ খারাপ হবে! আমি আশা করছি যে বর্তমান ইরান নেতৃত্বের উপলব্ধি করা উচিত যে, তেতো কথার চেয়ে মিষ্টি কথায় কাজ আরো বেশি হয়। শান্তি!!!
ট্রাম্প
আমরা লড়ব, আমরা মরব, ইরানকে ফিরিয়ে আনবই।~
[৩][৪]

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • কমান্ডাররা ভাবতেও পারেননি যে ইসরায়েল সরাসরি তাদের ঘরবাড়িতে হানা দেবে। তারা ভেবেছিল যুদ্ধ বাধলে বুঝি ইসরায়েল পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতেই শুধু আক্রমণ করবে। কিন্তু প্রথম সারির কমান্ডারদের অন্দরমহলে ঢুকে আঘাত হানবে, এটা তাদের কল্পনারও বাইরে ছিল! আমি নিজেই ১৪০৩ হিজরি শামসির (ইরানি ক্যালেন্ডার অনুসারে) এপ্রিলে সরদার রশিদ এবং সরদার বাঘেরিকে বলেছিলাম যে, আমার মতে ইসরায়েল সব কমান্ডারকে নির্মূল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরদার রশিদ—রাহিমাহুল্লাহ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)—একজন অত্যন্ত বিচক্ষণ, প্রভাবশালী এবং জ্ঞানপিপাসু মানুষ ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, আমরা যদি বুঝতে পারি তারা এমন কিছু করতে চায়, তবে আমরা এমন সব জায়গায় সরে যাব যেখানে সে পৌঁছাতে পারবে না। আমি বলেছিলাম, সরদার রশিদ, সমস্যাটা এখানেই যে আগে সে আঘাত হানবে, তারপর আমরা বুঝতে পারব।
  • আজ ইরান কেবল টিকে থাকার লড়াই করছে। দুই সপ্তাহ আগে যখন রিপোর্টগুলো শুনলাম, ইরান তখন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির ফন্দি আঁটছিল। আমি বললাম, এটা নিয়ে ঘাবড়ানোর কোনো কিছুই নেই। আমরা যদি ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতাকে ধূলিসাৎ না করতাম, তবে সেই চুক্তি (আব্রাহাম অ্যাকর্ড বা আব্রাহাম চুক্তি) কোনোদিন সম্ভব হতো না। আসলে দুটি কারণে। প্রথমত, আরব দেশগুলো তখন এতখানি সাহসী পদক্ষেপ নেওয়ার সাহস পেত না, কারণ তখন ইরান ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী; যা এখন আর নেই। আর দ্বিতীয়ত, তারা যদি পারমাণবিক অস্ত্র বানানোর কাছাকাছিও পৌঁছাত, তবে সেই মুহূর্তেই তাদের সেই স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়ে এই পৃথিবী থেকেই মুছে ফেলা হতো!
  • আমরা মাত্র ২০টি একেবারে নয়া B-2 বোমারু বিমানের অর্ডার দিয়েছি। আমি যখন ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে আলাস্কায় যাচ্ছিলাম, তখন আমরা এমন অনেক বিমানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম এবং পুতিন মন্তব্য করেছিলেন, 'এগুলো সত্যিই জাদুর মতো কাজ করেছে।' আমি বললাম, 'হ্যাঁ, সত্যিই তাই।'
  • আমরা এখন পর্যন্ত যা দেখিয়েছি তা প্রতিরোধের সামান্য কম্পন মাত্র। আসল ভূমিকম্প তো এখনও আসতেই বাকি!
  • আমেরিকানদের মনে যা আছে তা-ই তাদের করতে দিন। তবে তারা যেন ভালো করে দেখে নেয় যে তারা আসলে কাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে নেমেছে।
  • এই সরকার দুর্বল এবং শতধা বিভক্ত। এটি ইতিমধ্যেই তার অবধারিত মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছে এবং অভ্যন্তরীণভাবে একদম ভঙ্গুর হয়ে পড়ছে। এর হাজার হাজার নেতা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দলত্যাগ করার জন্য এখন প্রস্তুত। এর প্রক্সি গোষ্ঠীগুলো—হামাস, হিজবুল্লাহ এবং হুতিরা এখন এক প্রকার কানাগলিতে এসে যেন ঠেকেছে। আসাদের পতন হয়েছে। আধুনিক ইতিহাসের যেকোনো সময়ের চেয়ে এই ইরানি সরকার এখন অনেক বেশি আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন।
  • ইরানিরা ইসরায়েলকে এই শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই এবং আমাদের দেশ পুনরুদ্ধারের যুদ্ধের এক কৌশলগত অংশীদার হিসেবে দেখে।
  • ইরান এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রের টিকে থাকাই হলো এখন প্রধান বিষয়। আমেরিকানদের তবূ কিছু সমস্যা রয়ে গেছে এবং তারা আদতে আলোচনার পথ-ই খুঁজছে না।
  • শত্রু এখন ইরানের সাধারণ মানুষের ওপর তাদের পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়ার পথ খুঁজছে।
  • আমি অন্তত সাতটি যুদ্ধ থামিয়েছি এবং একটি পারমাণবিক যুদ্ধ রুখে দিয়েছি যা ইরানের সাথে সম্ভবত ঘটতে যাচ্ছিল! ওটা একদম অবধারিত ছিল। ইসরায়েলের জন্য আমার চেয়ে বেশি কেউ কিছু করেনি। এমনকি ইরানের ওপর সাম্প্রতিক এই হামলাগুলোও আমিই করিয়েছি, আমি ওই বিপদটাকে সমূলে উপড়ে ফেলেছি।
  • আমি অনেক আত্মবিশ্বাসী যে ইরানি বিশেষজ্ঞরা তাদের ইসরায়েলি সমকক্ষদের সহযোগিতায় কেবল এই শাসনব্যবস্থার তৈরি করা সমস্যাগুলোর সমাধানই করবে না, বরং ভবিষ্যতে ইসরায়েল এবং একটি স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ ইরানের মধ্যে 'সাইরাস চুক্তি'র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবে। এটি এমন এক চুক্তি যা দুই জাতির মধ্যকার গভীর ও ঐতিহাসিক বন্ধনকে পুনরুজ্জীবিত করবে, ঠিক যেমন ২৫০০ বছর আগে মহান সাইরাস দ্য গ্রেট করেছিলেন।
  • আমরা যখন প্রথম পারমাণবিক কার্যক্রম শুরু করি, তখন আমাদের প্রকৃত লক্ষ্যই ছিল একটি বোমা তৈরি করা।
  • আমেরিকা চলে গেছে; এখন আর কতজন বাকি আছে? মাত্র ছয়জন রয়ে গেছে। এর অর্থ হলো সেখানে এখন ইরান, রাশিয়া, চীন এবং তিনটি ইউরোপীয় দেশ আছে। তার মানে এটি এখন 'তিন বনাম তিন' এর লড়াই হয়ে গেছে। আপনারা কীভাবে সিদ্ধান্ত নিতে চান? যদি সাতটি দেশ থাকত, তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতার একটি বিষয় থাকত; কিন্তু এখন যেহেতু পরিস্থিতি তিনে-তিনে! তাই তারা যদি নিয়ম অনুসরণ করতে চায়, তবে বিষয়টি মোটেও এত সহজ হবে না।
  • মন্ত্রিপরিষদ ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা মন্ত্রী ও গভর্নরদের হাতে অর্পণ করা প্রচলিত আইনের পরিপন্থী, বিধায় এটি ভেটো (বাতিল) করা হয়েছে।
  • ইরান ও চীন হলো এশিয়ার দুই প্রান্তের প্রাচীন সভ্যতার দুটি দেশ, যাদের অঞ্চল ও বিশ্বে এক বৈপ্লবিক রূপান্তর ঘটানোর ক্ষমতা রয়েছে। কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তির সকল দিক বাস্তবায়ন করা এই লক্ষ্য অর্জনের পথ প্রশস্ত করতে সাহায্য করবে।
  • তারা তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে অপরাধী এবং সংগঠিত অপরাধী চক্রের সদস্যদের 'ছদ্মবেশ' হিসেবে ব্যবহার করছে।
    • মাইক বার্গেস (একজন বিশিষ্ট অস্ট্রেলীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তা, যিনি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নিরাপত্তা সংস্থা অস্ট্রেলিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স অর্গানাইজেশনের (ASIO) ডিরেক্টর-জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন), অস্ট্রেলিয়ান কোশার রেস্তোরাঁয় আইআরজিসির হামলা প্রসঙ্গে সোর্স: বিবিসি নিউজ
  • বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে যে ইরানি জনগণের মধ্যে সুখ-সন্তুষ্টির পরিমাণ অত্যন্ত কম।
  • আমাদের এই সরকারের বড় দুর্বলতা হলো যে আমরা গত চার দশকে এদেশের মানুষের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ ও সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত করতে পারিনি।
  • ইউনাইটেড কিংডম বা যুক্তরাজ্য, জার্মানি এবং ফ্রান্স—এই তিনটি ইউরোপীয় দেশকে অবশ্যই আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা করতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে অনতিবিলম্বে পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে। কোনো আলোচনা দিয়েই এই শাসনের পরিবর্তন সম্ভব নয়, কারণ ইসলামিক রিপাবলিক বর্তমান বিশ্বের জন্য এক চরম হুমকি।
  • আমরা লড়ব, আমরা মরব, তবুও ইরানকে আমরা ফিরিয়ে আনব।
  • হঠাৎ করেই সব ভুয়া প্রোফাইল থেকে পোস্ট করা বন্ধ হয়ে গেল! দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে তারা অদৃশ্য! কোনো পোস্ট নেই, কোনো শোরগোল নেই, চারদিকে শুধুই এক ডিজিটাল নিস্তব্ধতা।
  • ইউরোপের রাজধানীতে যুদ্ধ চলাকালীন একদিন তারা ইরানের ইসলামিক রিপাবলিক সরকারের পতন এবং বিকল্প হিসেবে ইরানের একজন রাজার রাজ্যাভিষেক নিয়ে আলোচনা করেছিল। তাদের মধ্যে একজন ইরানিও উপস্থিত ছিল, ধিক্কার জানাই সেই ইরানিকে।
  • আমার মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এই সমস্যাটির কোনো সমাধান নেই।
  • আমরা বেশ কয়েকটি দেশে অস্ত্র তৈরির কারখানা গড়ে তুলেছি, তবে কৌশলগত কারণে আপাতত আমরা সেই দেশগুলোর নাম প্রকাশ করছি না।
  • আমি ইরানের একনায়ক খামেনিকে পরামর্শ দিচ্ছি—তিনি যখনই তার বাংকার থেকে বের হবেন, যেন আকাশের দিকে তাকান এবং প্রতিটি গুঞ্জন গভীর মনোযোগ দিয়ে শোনেন। 'রেড ওয়েডিং' এর কুশীলবরা সেখানেই তার জন্য অপেক্ষা করছে।
  • এমন কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি করবেন না যা আমাদের ক্ষয়িষ্ণু করে তোলে এবং শত্রুকে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে প্রলুব্ধ করে।
  • যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ইরানের তথাকথিত "সর্বোচ্চ নেতা" আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি কেন এমন নির্লজ্জ এবং বোকার মতো দাবি করছেন যে তিনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হয়েছেন? তিনি ভালো করেই জানেন তার এই বক্তব্য একটি ডাহা মিথ্যা। একজন মহান ধর্মপ্রাণ মানুষ হিসেবে তার মিথ্যা বলা সাজে না। তার দেশ ধ্বংস হয়ে গেছে, তার তিনটি অশুভ পারমাণবিক কেন্দ্র পুরোপুরি ধূলিসাৎ হয়েছে। আমি ঠিক জানতাম তিনি কোথায় লুকিয়ে আছেন। কিন্তু আমি ইসরায়েল বা মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীকে—যারা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী—তাকে হত্যা করার অনুমতি দিইনি। আমি তাকে এক অত্যন্ত কদর্য এবং অসম্মানজনক মৃত্যু থেকে বাঁচিয়েছি। আর এর জন্য তাকে "ধন্যবাদ, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প!" বলতে হবে না।
    প্রকৃতপক্ষে, যুদ্ধের একদম শেষ মুহূর্তে আমি ইসরায়েলকে এক বিশাল যুদ্ধবিমানের বহর ফিরিয়ে আনতে বাধ্য করেছিলাম। যারা সরাসরি তেহরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল একটি বড় কোনো লক্ষ্য হাসিলে যাচ্ছিল। সম্ভবত সেটিই হতে পারত চূড়ান্ত আঘাত! এতে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হতো এবং বহু ইরানি প্রাণ হারাত। এটি হতে পারত এই যুদ্ধের সবচেয়ে বড় আক্রমণ। গত কয়েকদিন ধরে আমি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং অন্যান্য বিষয়ে কাজ করছিলাম, যা ইরানকে দ্রুত পূর্ণ পুনরুদ্ধারের একটি সুযোগ করে দিত।কারণ এই নিষেধাজ্ঞাগুলো তাদের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে! কিন্তু না, বিনিময়ে আমি পেলাম শুধুই একটি ক্রোধ, ঘৃণায় আর বিতৃষ্ণায় ভরা বিবৃতি! আমি সাথে সাথে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সব কাজও বন্ধ করে দিলাম। ইরানকে হয় বিশ্বব্যবস্থার ধারায় ফিরতে হবে, নতুবা তাদের অবস্থা আরও শোচনীয় হয়ে যাবে। তারা সবসময়ই রাগান্বিত, শত্রুভাবাপন্ন এবং অসুখী থাকে। আর দেখুন এর ফল তারা কী পেয়েছে। একটি ভস্মীভূত, বিধ্বস্ত দেশ যার কোনো ভবিষ্যৎ-ই নেই! একটি তছনছ হয়ে যাওয়া সেনাবাহিনী, ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং চারদিকে শুধুই মৃত্যু মিছিল। তাদের আর কোনো আশা বেছে নেই এবং পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ খারাপ হবে! আমি আশা করছি যে বর্তমান ইরান নেতৃত্বের উপলব্ধি করা উচিত যে, 'তেতো কথার চেয়ে মিষ্টি কথায় কাজ আরো বেশি হয়'। শান্তি!!!
  • যখন আমরা বিশ্বাস করি যে তাদের (ইউরোপীয় দেশগুলোর) 'স্ন্যাপব্যাক' (কোনো নিষেধাজ্ঞা পুনরায় কার্যকর করার একটি প্রক্রিয়া) কার্যকর করার কোনো অধিকার নেই, তখন এটা বলাই বাহুল্য যে তারা এর সময়সীমা বাড়ানোরও কোনো অধিকার রাখে না।
  • নেতানিয়াহু একজন ভালো মানুষ এবং তিনি সম্মুখ সমরে লড়ে যাচ্ছেন। তিনি অবিরাম লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, অথচ দেখুন তারা তাকে জেলের ঘানি টানানোর সবরকম চেষ্টা করছে। একবার ভাবা যায়? তিনি একজন সত্যিকারের 'ওয়ার হিরো', কারণ আমরা একসাথে কাজ করেছি। তিনি যুদ্ধনায়ক, আর আমার মনে হয় আমিও তাই। কেউ হয়তো পাত্তা দেয় না, কিন্তু আমি নিজেও একজন যুদ্ধনায়ক। কারণ শেষ পর্যন্ত ওই বিমানগুলো তো আমিই পাঠিয়েছিলাম।
  • আমেরিকানরা এবং জায়নবাদীরা বলে যে তারা পেশি শক্তির মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা করবে। সুতরাং ইরানকেও শক্তিশালী হতে হবে, কারণ প্রকৃতির নিয়মে দুর্বলেরা সবসময়-ই পদদলিত হয়। আমার মনে হয় সামনে আরও একটি যুদ্ধ হতে পারে, আর সেই যুদ্ধের পর হয়তো পৃথিবীতে আর কোনো যুদ্ধই থাকবে না!
  • এই মুহূর্তে ইউরোপের সব দেশই আমাদের নাগালের মধ্যে। আমরা আমাদের যুদ্ধজাহাজগুলোকে আমেরিকার ২,০০০ কিলোমিটারের মধ্যে নিয়ে যেতে পারি এবং সেখান থেকে ওয়াশিংটন, নিউ ইয়র্কসহ অন্যান্য শহরগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে পারি।
  • জনসাধারণের আশ্বস্ত হওয়া উচিত যে, আর কোনো যুদ্ধ ঘটতে যাচ্ছে না।
  • (ইসলামী প্রজাতন্ত্র) তাদের 'যুদ্ধও নয়, আলোচনাও নয়'—এই অনড় অবস্থানের মাধ্যমে দেশের 'মর্যাদা ও প্রজ্ঞা' ধূলিসাৎ করেছে। অথচ পরিণামে যুদ্ধ এবং আলোচনা উভয়ই ঘটেছে। আর এখন তারা খোদ ইরানকে রক্ষা করতেই হিমশিম খাচ্ছে।
  • আগামী সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরের মধ্যে বাঁধগুলোতে আর কোনো পানি অবশিষ্ট থাকবে না। তিনি ঠিকই বলেছেন যে সবকিছুই ভেঙে পড়ছে। এই প্রচণ্ড গ্রীষ্মের দাবদাহে আপনাদের সন্তানদের দেওয়ার মতো এক ফোঁটা স্বচ্ছ ও শীতল পানিও নেই। কী এক চরম ভণ্ডামি! ইরানি জনগণের প্রতি কী প্রবল অবজ্ঞা! ইরানে পানির জন্য যে তৃষ্ণা, তা কেবল স্বাধীনতার তৃষ্ণার সাথেই তুলনা করা চলে। আপনারা এমন নেতাদের পাওয়ার যোগ্য নন, যারা যুদ্ধের এই কঠিন সময়ে আপনাদের একা ফেলে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। একবার ভাবুন, উত্তর-পশ্চিম ইরানের সেই এক সময়ের নয়নাভিরাম উরমিয়া লেক আবারও পুনরুজ্জীবিত করার কথা!
  • আমরা মার্কিন আলোচনাকারীদের জানিয়েছিলাম যে আমরা আস্থা তৈরি করতে ইচ্ছুক, কিন্তু মনে হচ্ছে তারা যেন ঘুমের ভান করে আছে।
  • পারমাণবিক চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার অনুমোদনের জন্য আমাদের মাত্র ২৪ ঘণ্টা সময় প্রয়োজন। ট্রিগারে এখন আমাদের আঙুল রাখা আছে।
  • আপনারা কি যুদ্ধ করতে চান? বেশ, আপনারা তো লড়েছিলেন, কিন্তু তারা আমাদের ওপর আঘাত হেনেছে। আমরা যদি আবারও পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পুনর্নির্মাণ করি, তারা আবারও সেগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাবে। এমতাবস্থায় আলোচনা ছাড়া আমাদের আর করারই বা কী আছে?
  • ইরান ছিল ঘৃণার মদদদাতা এবং এক অতিশয় অশুভ স্থান! তাদের জন্য এমনটা করা অত্যন্ত বিপজ্জনক হবে, কারণ তারা শুরু করা মাত্রই আমরা ফিরে আসব। আমরা ফিরে আসবই। আর আমার মনে হয় তারা সেটা বোঝে। আমরা ইরানের সাথে যা করেছি তা যদি ভেবে দেখেন... তবে দেখবেন আগামী বছরগুলোতে পরিস্থিতি অনেক ভিন্ন হতে চলেছে।
  • আপনারা যদি চান, তবে একটি স্বাধীন ইরান আর স্বপ্ন হয়ে থাকবে না। তাহলে রাজপথে নেমে আসুন। এই ধর্মান্ধদের আর এক মুহূর্তের জন্যও আপনাদের জীবন ধ্বংস করতে দেবেন না। মহান সাইরাসের বংশধর হিসেবে আপনারা এর চেয়ে অনেক বেশি কিছু পাওয়ার যোগ্য।
  • এমন কোনো করিডোর মার্কিন প্রেসিডেন্টের মালিকানাধীন রুট হবে না, বরং তা ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাড়াটে সৈন্যদের কবরস্থানে পরিণত হবে। ফলস্বরূপ, ইরান এই বিষয়ে অটল যে তারা দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের নিরাপত্তার স্বার্থে রাশিয়ার উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি নির্বিশাজেই পদক্ষেপ নেবে।
  • ইরান সরকার দেশত্যাগ করা ইরানিদের বিকল্প হিসেবে শূন্যস্থান পূরণে প্রায় ৬০ থেকে ১০০ লক্ষ আফগান নাগরিককে দেশে আমদানি করেছে।
  • আমরা তাদের পারমাণবিক সক্ষমতাকে পুরোপুরি ধূলিসাৎ করে দিয়েছি। তারা চাইলে আবার শুরু করতে পারে; তবে যদি তারা তা করে, তবে চোখের পলক ফেলার আগেই আমরা তা আবারও গুঁড়িয়ে দেব।
  • ইরান অত্যন্ত শোচনীয়ভাবে মার খেয়েছে। তবু তারা এখনও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে কথা বলে। আমি বলতে চাইছি, এমন পাগলামিটা কে করে? আপনি মাত্রই ভয়াবহ এক ধ্বংসযজ্ঞ থেকে বেরিয়ে এলেন এবং এসেই বলা শুরু করলেন, 'আমরা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ চালিয়ে যেতে চাই'! কার বুদ্ধিশুদ্ধি এত কম হতে পারে যে সে এই কথা বলবে?
  • ইসলামী প্রজাতন্ত্রের এই ইরান-বিরোধী শাসনব্যবস্থা এবং তার সর্পতুল্য নেতা, যারা কয়েক দশক ধরে পরজীবীর মতো ইরানের রক্ত চুষে বেঁচে আছে, তারা এখন পতনের দ্বারপ্রান্তে এসে নিজেদের কুৎসিত মুখে দেশপ্রেমের মুখোশ পরেছে। তারা চরম ধৃষ্টতার সাথে আমাদের "ও ইরান" (ইরানের একটি জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক সংগীত) সংগীতটিকে বিকৃত করার দুঃসাহস দেখাচ্ছে। এই সেই শাসনব্যবস্থা, যারা শুরু থেকেই তাদের নিপীড়ন আর নৃশংস অপরাধকে বৈধতা দিতে ইসলাম ও শিয়া মতবাদকে আঁকড়ে ধরেছিল।যাদের প্রতিটি কাজের মূল ভিত্তিই ছিল ইরান, তার সংস্কৃতি, সভ্যতা, ভূমি, জাতি এবং জাতীয় স্বার্থের প্রতি চরম শত্রুতা। এখন ধ্বংসের কিনারে দাঁড়িয়ে তারা নিজেদের ইরানের রক্ষক হিসেবে জাহির করছে। অথচ লক্ষণীয় যে, তাদের সেই ত্রাস সৃষ্টিকারী ও দমনকারী বাহিনী 'রেভল্যুশনারি গার্ড কর্প্সের' নামের কোথাও 'ইরান' শব্দটি পর্যন্ত নেই! আর এটাই তাদের জন্য সবচেয়ে মানানসই।
  • ইরান-বিরোধী এই ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বেপরোয়া নেতা আলী খামেনি আবারও আমাদের দেশকে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়েছেন। এটি ইরানের যুদ্ধ নয়, এটি ইরানি জনগণেরও যুদ্ধ নয়। এটি খামেনির যুদ্ধ এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রের যুদ্ধ। পতনের পরবর্তী প্রথম ১০০ দিন, অন্তর্বর্তীকালীন পর্যায় এবং ইরানি জনগণের দ্বারা গঠিত একটি জাতীয় ও গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। ইরানি জনগণকে এই শাসনব্যবস্থার অবসান ঘটাতে এবং নিজেদের দেশ পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করুন।
  • ইরানি জনগণ বর্তমান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের শাসনব্যবস্থা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন এবং আশীর্বাদপুষ্ট ইহুদি জাতির প্রতি তাদের মনে কখনোই কোনো বিদ্বেষ ছিল না। ইসলামিক রিপাবলিক আজ তার এমন এক শেষ সীমায় পৌঁছে গেছে এবং পতনের মুখে দাঁড়িয়েছে। আলী খামেনি এখন ভীতুর মতো আত্মগোপন করে আছেন এবং পরিস্থিতির ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছেন।
  • ইরানের বিরুদ্ধে আমরা অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছি। এখন মোটেও তারা সুখে নেই... বরং বোমায় বিধ্বস্ত। আসলে জায়গাটি পুরো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। কেউ সেখানে যাওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হতেও কয়েক বছর লেগে যাবে। তবে ইরান থেকে আমরা যা চাই, তা-ই আদায় করে নেব। এটি হতে যাচ্ছে এক দ্রুত উদযাপনের মুহূর্ত। আমাদের আঘাত ছিল একদম নিখুঁত পুরো যা নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার মতো।
    • ডোনাল্ড ট্রাম্প
  • ক্ষেপণাস্ত্রগুলো পারমাণবিক স্থাপনা গুলোকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে, বোমাগুলো স্থাপনার ভেতরে এমনভাবে ঢুকে গিয়েছিল তা একদম যেন ছুরি দিয়ে মোম কাটছে, এমন অবলীলায় তা ভেতরে ঢুকে গেল।।
  • নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পূর্ণ অধিকার ইসরায়েলের রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য এটাই হওয়া উচিত যাতে ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে।
  • আমার পুরো প্রশাসনকে ইরানের সাথে আলোচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা একটি মহান দেশ হয়ে উঠতে পারে, তবে তার আগে তাদের অবশ্যই পারমাণবিক অস্ত্র পুরোপুরি ত্যাগ করতে হবে।
  • ইরানের কিছু কট্টরপন্থী নেতা খুব সাহসের সাথে বড় বড় কথা বলেছিলেন, কিন্তু তারা জানতেন না যে কী ঘটতে চলেছে। তারা এখন সবাই মৃত, এবং পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। অনেক দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই পদক্ষেপ নিন। একসময়ের সেই ঐতিহ্যবাহী পারস্য সাম্রাজ্যকে রক্ষা করুন।
  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেছেন যে ইরানকে অবশ্যই আত্মসমর্পণ করতে হবে। এই বক্তব্যটি মার্কিন প্রেসিডেন্টের মুখ দিয়ে বের হওয়ার জন্য বড্ড বেশি বড় হয়ে গেছে। আগের কোনো প্রশাসনই এভাবে প্রকাশ্যে এমন কথা বলেনি কারণ এটি একটি অগ্রহণযোগ্য বিষয়। প্রতিবারই তারা হরেক রকম অজুহাত নিয়ে আসে। কখনো সেটি মানবাধিকার, কখনো গণতন্ত্রের সুরক্ষা, আবার কখনো বা নারী অধিকার। কখনো তো তারা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে পড়ে থাকে, আবার কখনো পারমাণবিক ইস্যু বা ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নকে সামনে আনে। তারা আসলে কেবল নানা ধরনের অজুহাতই তৈরি করাতেই ব্যস্ত।
  • আমরা খুব ভালো করেই জানি যে এই 'সর্বোচ্চ নেতা' কোথায় লুকিয়ে রয়েছেন। তিনি এখন একটি অত্যন্ত সহজ লক্ষ্যবস্তু, তবে আপাতত সেখানে নিরাপদেই আছেন। হয়তো আমরা তাকে অন্তত এই মুহূর্তের জন্য বেঁচে থাকতে দিচ্ছি।
  • ওই একটি আঘাতই যুদ্ধ শেষ করে দিয়েছে। আমি হিরোশিমার উদাহরণ দিতে চাই না, আমি নাগাসাকির উদাহরণও দিতে চাই না, তবে ওটি ছিল মূলত একই জিনিস। যা যুদ্ধকে একদম থামিয়ে দিয়েছিল। এই আঘাতটিই যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছে। আমরা যদি সেটিকে ধ্বংস না করতাম, তবে তারা এখনও যুদ্ধ চালিয়ে যেত।
দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে ইরান কেবল 'আমেরিকা ধ্বংস হোক, ইসরায়েল নিপাত যাক'—এসবই বলে এসেছে। ~ ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২২ জুন, ২০২৫
  • Beams are on (ইন্টারনেটের সিগন্যাল প্রেরণ করা হচ্ছে; ইরানে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট চলাকালীন ইলন মাস্ক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম X এ ছোট করে লিখেছিলেন, "The beams are on" । এর মানে ছিল, ইরানের আকাশে এখন স্টারলিংকের সিগন্যাল সক্রিয় এবং মানুষ বিশেষ টার্মিনালের মাধ্যমে সেখান থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে)