ইসলামে লিঙ্গ পার্থক্যকরণ
অবয়ব
ইসলামে লিঙ্গ পার্থক্যকরণ হল ইসলামী আইন, প্রথা ও ঐতিহ্য যার দ্বারা ইসলামী দেশ ও সম্প্রদায়গুলোতে সামাজিক ও অন্যান্য কাঠামোতে পুরুষ ও বালকদেরকে নারী ও বালিকাদের থেকে পৃথক রাখার চর্চা ও আবশ্যকতা বোঝানো হয়। কোরআনে ও হাদীসে লিঙ্গ পার্থক্যকরণ আছে কিনা এবিষয়ে পন্ডিতগণের মতে ভিন্নতা রয়েছে। ইসলামী ধর্মতত্ত্বে লিঙ্গ পার্থক্যকরণ আছে কিনা এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মাঝে ভিন্নমত রয়েছে।
ইসলামে লিঙ্গ পার্থক্যকরণ সম্পর্কে উক্তি
[সম্পাদনা]- হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদের গৃহ ব্যতীত অন্য গৃহে প্রবেশ করো না, যে পর্যন্ত আলাপ-পরিচয় না কর এবং গৃহবাসীদেরকে সালাম না কর। এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম, যাতে তোমরা স্মরণ রাখ। যদি তোমরা গৃহে কাউকে না পাও, তবে অনুমতি গ্রহণ না করা পর্যন্ত সেখানে প্রবেশ করো না। যদি তোমাদেরকে বলা হয় ফিরে যাও, তবে ফিরে যাবে। এতে তোমাদের জন্যে অনেক পবিত্রতা আছে এবং তোমরা যা কর, আল্লাহ তা ভালোভাবে জানেন। যে গৃহে কেউ বাস করে না, যাতে তোমাদের সামগ্রী আছে এমন গৃহে প্রবেশ করাতে তোমাদের কোন পাপ নেই এবং আল্লাহ জানেন তোমরা যা প্রকাশ কর এবং যা গোপন কর। মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন। ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।
- আল কোরআন,২৪:২৭-৩১
- হে নবী! আপনি আপনার পত্নীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের মহিলাদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্ত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু।
- কুরআন, সূরা ৩৩ (আল-আহজাব), আয়াত ৫৯
- রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর বান্দীদেরকে আল্লাহর মসজিদে যেতে নিষেধ করবে না।
- ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। মুসলিম ৮৭৪ (হাদীস একাডেমী), বুখারী ৮৭৩ (তাওহীদ), ৮২৪ (আধুনিক)
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় ইসলামে লিঙ্গ পার্থক্যকরণ সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।