বিষয়বস্তুতে চলুন

উইলিয়াম শকলি

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে
চাঁদের আলোতে এবং দড়ি ছাড়াই পাহাড়ে চড়ার এক অদম্য আকাঙ্ক্ষায় আমি আচ্ছন্ন।

উইলিয়াম ব্র্যাডফোর্ড শকলি জুনিয়র (১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯১০ – ১২ আগস্ট, ১৯৮৯) ছিলেন একজন মার্কিন উদ্ভাবক, পদার্থবিজ্ঞানী এবং সুপ্রজননবিদ। তিনি বেল ল্যাবসের একটি গবেষণা দলের ব্যবস্থাপক ছিলেন, যার সদস্য ছিলেন জন বারডিন ও ওয়াল্টার ব্র্যাটেন। "অর্ধপরিবাহী নিয়ে গবেষণা এবং ট্রানজিস্টর প্রভাব আবিষ্কারের" জন্য এই তিন বিজ্ঞানীকে যৌথভাবে ১৯৫৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • আমার গবেষণা আমাকে অনিবার্যভাবে এই মতামতের দিকে নিয়ে গেছে যে, আমেরিকার কৃষ্ণাঙ্গদের বুদ্ধিবৃত্তিক এবং সামাজিক ঘাটতির প্রধান কারণ হলো বংশগতি এবং জাতিগত জিনগত উৎস। তাই পরিবেশের ব্যবহারিক উন্নতির মাধ্যমে একে খুব একটা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।
    • ব্ল্যাক জার্নাল-এর সাথে সাক্ষাৎকারে।
  • আমি চাঁদের আলোতে এবং কোনো রকম দড়ি ছাড়াই পাহাড়ে চড়ার এক অদম্য আকাঙ্ক্ষায় আচ্ছন্ন। এটি আমার পাহাড় আরোহণের সমস্ত শিক্ষার পরিপন্থী; এর মানে এই নয় যে আমার প্রশিক্ষণ খারাপ, বরং এটি কেবল আমার জেদ বা একগুঁয়েমিকে বোঝায়।
    • ১৯৪৭ সালে ট্রানজিস্টর নিয়ে কাজ করার সময় নিজের উদ্দেশ্যে লেখা চিরকুট; সূত্র: জোয়েল এন. শারকিন রচিত ব্রোকেন জিনিয়াস : দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অফ উইলিয়াম শকলি, ক্রিয়েটর অফ দ্য ইলেকট্রনিক এজ (২০০৬), অধ্যায় ৭, পাতা ১২৫।
  • প্রকৃতি বিভিন্ন জনসমষ্টিকে এমনভাবে বর্ণ-সংকেত দিয়ে আলাদা করে দিয়েছে যে, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে ফলপ্রসূ ও কার্যকর জীবনের সাথে তাদের খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতা সম্পর্কে পরিসংখ্যানগতভাবে নির্ভরযোগ্য ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব। একজন বাস্তববাদী সাধারণ মানুষ সহজেই এটি করতে পারেন এবং লাভজনকভাবে ব্যবহার করতে পারেন।
  • বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে চলে, সে বিষয়ে আমার একটি অভিজ্ঞতা হয়েছিল। গোড়ালি মচকে যাওয়ার কারণে আমাকে গোলকীয় ত্রিকোণমিতি বিষয়টি পড়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। যেহেতু আমার পা মচকে গিয়েছিল, তাই শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে আমার কোর্স অসম্পূর্ণ ছিল। নিয়ম ছিল যে, কোনো বিষয়ে অসম্পূর্ণ থাকলে বাড়তি কোনো বিষয় পড়ার অনুমতি মিলবে না। আমি প্রশাসনিক অফিসের একজন করণিক ব্যক্তির সাথে এ নিয়ে বিতর্ক করেও সফল হতে পারিনি। এটি এমন এক অভিজ্ঞতা যা আমি আজও মনে রেখেছি এবং মানুষকে পরামর্শ দিই যেন প্রথম বাধা পেয়েই কেউ থেমে না যায়।
  • আপনি যদি একটি খড়ের আঁটি গাধার লেজে বেঁধে তাতে দিয়াশলাই জ্বালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন, তবে এর কিছুক্ষণ পরেই ওই গাধার খরচ করা শক্তির সাথে আপনার দিয়াশলাই জ্বালাতে খরচ হওয়া শক্তির তুলনা করলে আপনি অ্যাম্প্লিফিকেশন বা বিবর্ধনের ধারণাটি বুঝতে পারবেন।
    • ফ্রেড ওয়ারশফস্কি রচিত দ্য চিপ ওয়ার : দ্য ব্যাটল ফর দ্য ওয়ার্ল্ড অফ টুমরো (১৯৮৯), পাতা ২১।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]