এলিজাবেথ বেয়ার
অবয়ব

সারাহ বেয়ার এলিজাবেথ উইশনেভস্কি (জন্ম ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১) একজন মার্কিন লেখক যিনি মূলত অনুমানমূলক কথাসাহিত্য ধারায় কাজ করেন। তিনি এলিজাবেথ বেয়ার ছদ্মনামে লিখে থাকেন।
উক্তি
[সম্পাদনা]ছোটগল্প
[সম্পাদনা]- মূল প্রকাশনার তথ্যের জন্য এলিজাবেথ বেয়ারের ইন্টারনেট সায়েন্স ফিকশন ডেটাবেজ পৃষ্ঠাটি দেখুন
- সাবটেরানিয়ান প্রেস প্রকাশিত হার্ডকভার প্রথম সংস্করণ থেকে সকল পৃষ্ঠা নম্বর নেওয়া হয়েছে, আইএসবিএন 978-1-59606-274-0
- ২০১১ সালে সেরা নভেলার জন্য ওয়ার্ল্ড ফ্যান্টাসি অ্যাওয়ার্ডে মনোনীত
- বৃদ্ধদের নিজেদের সামলিয়ে চলার মতো কিছুই নেই, সে বলত। এটিই হলো শেষ দৌড়। দৌড়াও। দৌড়াও। দেখো পড়ে যাওয়ার আগে কতদূর যেতে পারো।
- অধ্যায় ২ (পৃষ্ঠা ৩৬)
- বয়স এখনো তাকে সব দিক থেকে পরাজিত করতে পারেনি, যদিও এটি ছিল তিলে তিলে ক্ষয় হওয়ার এক যুদ্ধ যা তিনি জানতেন যে তিনি হারতে বাধ্য।
- অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ৪৯)
- যদিও এটি সত্য যে কুখ্যাতি কিছু সুবিধা দেয়, তবে এটি কোনোভাবেই নিশ্চিত নয় যে সেই সুবিধাগুলো অসুবিধাগুলোর ক্ষতিপূরণ করতে পারে।
- অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ৫৪)
- আমরা বার্ধক্যের মর্যাদার দাবি করি, তিনি ভাবলেন, কিন্তু সত্যি হলো, বয়স আমাদের কোনো মর্যাদা ছাড়াই ছেড়ে দেয়।
- অধ্যায় ৪ (পৃষ্ঠা ৮১)
- আর আমি স্বীকার করছি, আমি নিজেও মরণটা খুব একটা পছন্দ করি না। তবে একবার মরণ শেষ হয়ে গেলে, আমি স্বয়ং মৃত্যুর অপেক্ষায় থাকি।
- অধ্যায় ৫ (পৃষ্ঠা ৯৯)
দ্য হ্যান্ড ইজ কুইকার – (২০১৪)
[সম্পাদনা]- পৃথিবী পরিত্যক্ত সাম্রাজ্যগুলোর স্মৃতিচিহ্নে পূর্ণ, হ্যাড্রিয়ান’স ওয়াল থেকে চীনের মহাপ্রাচীর, অ্যারিজোনায় থাকা ধ্বংসাবশেষ থেকে বার্লিনের ধ্বংসাবশেষ পর্যন্ত।
- রিচ হর্টন সম্পাদিত দ্য ইয়ার’স বেস্ট সায়েন্স ফিকশন অ্যান্ড ফ্যান্টাসি ২০১৫-এ পুনঃপ্রকাশিত (পৃষ্ঠা ৪৩০)
ডেরাইভিং লাইফ (২০১৯)
[সম্পাদনা]- নিল ক্লার্ক সম্পাদিত দ্য বেস্ট সায়েন্স ফিকশন অফ দ্য ইয়ার ভলিউম ৫-এ পুনঃপ্রকাশিত
- আপনি কি এমন এক গ্রহের কথা কল্পনা করতে পারেন যা একদল আহম্মকে ঠাসা ছিল যারা শুধু... গাছ কেটে ফেলত?
- পৃষ্ঠা ১২৪
- আমি বললাম, “আমি এমন কারো সাথে বিছানায় আছি যাকে আমি কখনো দেখিনি, এটা খুব অদ্ভুত লাগছে।”
বলার সাথে সাথেই আমি বুঝতে পারলাম এটি কতটা বোকামি ছিল। আপনি যখনই কারো সাথে বিছানায় থাকেন, তখন আপনি আপনার আগে আসা সবার সাথেই বিছানায় থাকেন – সবাই যারা তাদের কষ্ট দিয়েছে, সারিয়ে তুলেছে, গড়ে তুলেছে। সেই সব প্রেতাত্মারা সেই ঘরেই থাকে।- পৃষ্ঠা ১৩২
- হতাশাবাদ হলো বাস্তববাদ।
- পৃষ্ঠা ১৩৪
- আমাদের যা প্রয়োজন, তা আমাদের লাগবেই। নিজেদের বিচার করে তা পরিবর্তন করা যায় না। মাঝেমধ্যে ভবিষ্যতের কোনো এক অনির্দিষ্ট সময়ের মহৎ কোনো কাজের চেয়ে এখনকার একটা আলিঙ্গন আর একটা বিস্কুটের মূল্য অনেক বেশি।
- পৃষ্ঠা ১৩৬
- ব্যান্টাম স্পেকট্রা প্রকাশিত মাস মার্কেট পেপারব্যাক প্রথম সংস্করণ থেকে সকল পৃষ্ঠা নম্বর নেওয়া হয়েছে, আইএসবিএন 0-553-58904-0
- ২০০৬ সালে ফিলিপ কে. ডিক অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত
- বইয়ের মূল ইটালিক্স বজায় রাখা হয়েছে
- “হয় মারো, নয়তো মরো,” ভিনসেন্ট বলল, যা প্রায় তার মন্ত্রের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
- অধ্যায় ১ (পৃষ্ঠা ৫)
- প্রতিটি গ্রহেই এমন কিছু নির্বোধ আছে যারা নৈতিকতার চেয়ে অধিকার বা মালিকানাকে বেশি গুরুত্ব দেয়।
- অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ৫৬)
- কুসানাগি-জোন্স মিথ্যা বলার ব্যাপারে অপরাধবোধ করার সময় অনেক আগেই পেরিয়ে এসেছে। বিবেক হলো সেই প্রথম জিনিসগুলোর মধ্যে একটি যা সবার আগে হারিয়ে যায়। যদি শুরুতে তার মধ্যে বিবেকের লেশমাত্র থাকতও, তবে এই পেশা তা পুড়িয়ে ছাই করে দিয়েছে।
- অধ্যায় ৬ (পৃষ্ঠা ৯৫)
- “দুর্বলকে রক্ষা করো, শক্তিশালীকে সংযত করো” – এই বার্তার চেয়ে বেশি জটিল কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় এজেন্ডার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত যেকোনো সরকারই স্বৈরাচারে পরিণত হতে বাধ্য।
- অধ্যায় ৭ (পৃষ্ঠা ১১৬)
- ইউটোপিয়ার দ্বিতীয় ব্যর্থতা। এই সব অভিশপ্ত জিনিসের সমস্যা তখনই দেখা দেয় যখন আপনি আপনার দার্শনিক কাঠামোর মধ্যে সত্যিকারের মানুষকে ঢোকানোর চেষ্টা করেন।
- অধ্যায় ৭ (পৃষ্ঠা ১২৩)
- “ভণ্ড,” সে বলল। তবে সে হাসল। “সবসময় নিজেকে এতটা নৈতিকভাবে শ্রেষ্ঠ জাহির করা কি ক্লান্তিকর নয়?”
- অধ্যায় ৮ (পৃষ্ঠা ১৩৩)
- গম্ভীর মুখে মিথ্যা বলতে না পারলে সে খুব একটা ভালো কূটনীতিক হতে পারত না।
- অধ্যায় ১৮ (পৃষ্ঠা ২৭২)
- “আপনি যদি কখনো স্রষ্টা ঈশ্বরের অস্তিত্ব অস্বীকার করার প্রয়োজন বোধ করেন,” সে বলল, “তবে মানবদেহের অদক্ষতার যে বিস্ময়, তা দিয়েই শুরু করাটা দারুণ হবে।”
- অধ্যায় ১৯ (পৃষ্ঠা ২৯১)
- “সাংস্কৃতিক আধিপত্য গড়ে ওঠে আনুগত্যের ওপর ভিত্তি করে,” সে দীর্ঘ সময় পর বলল। “অবরুদ্ধ মানসিকতা। নিপীড়িত দর্শন বা ধর্মগুলোর দিকে তাকান অথবা সেই সব ধর্মের দিকে যারা নিজেদের নিপীড়িত হিসেবে জাহির করে যাতে এই ধরণের রক্ষণাত্মক মনোভাব উসকে দেওয়া যায়। যুক্তির কোনো দাম নেই এখানে। আদিম মস্তিষ্ক যা চায়, উন্নত মস্তিষ্ক তা-ই জায়েজ করে দেয়, আর পরিস্থিতি যখন ভীতিজনক হয়, তখন ভিন্ন যেকোনো কিছুই শত্রু। এর পেছনে একশটা ছদ্ম-যৌক্তিক কারণ দেখানো যেতে পারে, তবে সব কিছুর মূলে একটাই কথা: আপনি যদি আমাদের একজন না হন, তবে আপনি তাদের একজন।”
- অধ্যায় ২২ (পৃষ্ঠা ৩৪১)
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় এলিজাবেথ বেয়ার সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।