এলেন জনসন সারলিফ
অবয়ব

এলেন জনসন স্যারলিফ (জন্ম এলেন ইউজেনিয়া জনসন, ২৯ অক্টোবর ১৯৩৮) একজন লাইবেরিয়ার রাজনীতিবিদ যিনি ২০০৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত লাইবেরিয়ার ২৪তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্যারলিফ ছিলেন আফ্রিকায় প্রথম নির্বাচিত নারী রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি ২০১১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন, শান্তিরক্ষা প্রক্রিয়ায় নারীদের অন্তর্ভুক্তির জন্য তাঁর প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে।
উদ্ধৃতি
[সম্পাদনা]- জাতিগোষ্ঠী আমাদের সমৃদ্ধ করবে; এটি আমাদের বৈচিত্র্যে একটি অনন্য জাতিতে রূপ দেবে এবং বিভক্ত করার জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়।
- ১৫টি উদ্ধৃতি যা নারীদের ক্ষমতায়নে এলেন জনসন স্যারলিফের গুরুত্ব তুলে ধরে – ১০ জানুয়ারি ২০২১, YourStory.Com (পুনরুদ্ধার: ১৪ নভেম্বর ২০২২)
- বিশ্বের সব কন্যা ও নারীদের প্রতি আমি একটি সাধারণ আহ্বান জানাই। আমার বোনরা, আমার কন্যারা, আমার বন্ধুেরা—তোমাদের কণ্ঠ খুঁজে পাও।
- [১] ১০ জানুয়ারি ২০২১, YourStory.Com
- এটি প্রতিটি দেশে একটি বড় চ্যালেঞ্জ, কারণ নারীরা বিশ্বজুড়ে এক ধরনের স্টেরিওটাইপ ও বাধার মুখোমুখি হয়... তাই কর্মও হওয়া উচিত বিশ্বব্যাপী, যৌথ, এবং সীমানা অতিক্রম করে একে অন্যের সঙ্গে সংযুক্ত।
- যদিও নারীই বেশি ভুক্তভোগী, তারাই আবার উঠে দাঁড়ায়। তারাই শান্তি ও পুনর্মিলনের বার্তা প্রচার করে।
- একবার যদি কাচের ছাদ ভেঙে যায়, তবে কেউ চাইলেও তা আর আগের মতো করে তোলা সম্ভব নয়।
- আমি বিশ্বাস করি নারীদের কিছু গুণ রয়েছে যা পুরুষদের তুলনায় তাদের কিছু বাড়তি সুবিধা দেয়। নারীরা সাধারণত বেশি সৎ, বেশি সংবেদনশীল এবং তাদের কাজে বেশি নিষ্ঠা ও প্রতিশ্রুতি দেখায়। হয়তো মা হিসেবে তারা পরিবারের জন্য, শিশুদের জন্য বিশেষ যত্ন নিয়ে থাকে।
- “যদি তোমার স্বপ্ন তোমাকে ভীত না করে, তবে তা যথেষ্ট বড় নয়।” [৭]
- “তোমার স্বপ্নের পরিমাণ সবসময় তোমার বর্তমান সক্ষমতার চেয়ে বড় হওয়া উচিত। যদি স্বপ্ন ভীত না করে, তবে তা যথেষ্ট বড় নয়।” [৮]
- “কিছু দেশ কীভাবে, বাস্তব ও গভীর সমস্যার মধ্যেও, পুনর্মিলন ও পুনর্গঠনের পথে এগিয়ে যেতে পারে, আর অন্যরা পারে না—এই প্রশ্নগুলো আফ্রিকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর জবাব জটিল এবং সবসময় স্পষ্ট নয়। নেতৃত্ব এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কাগামে ছিলেন দৃঢ়, মনোযোগী, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও সৎ একজন নেতা—এবং এখনও তাই। আমি বিশ্বাস করি মানুষের চরিত্র অনেক সময় তার পরিবেশ দ্বারা গঠিত হয়। অ্যাঙ্গোলা, লাইবেরিয়া এবং সিয়েরা লিওন—এই দেশগুলো প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ হলেও তা মাঝে মাঝে আত্মনির্ভরতার অভ্যাসকে দুর্বল করে। কাগামের কিছুই ছিল না। তিনি শরণার্থী শিবিরে বেড়ে ওঠেন, শুধুমাত্র নিজের ইচ্ছাশক্তি ও সংকল্পে দেশ ও জাতির জন্য নতুন ভবিষ্যৎ গড়েন।” [৯]
- ধীরে ধীরে স্বীকৃতি আসছে যে পূর্ণ লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করলে একটি দেশ বেশি সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত হবে। এজন্য আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে।
- "সত্যিকারের পুনর্মিলন কেবল ক্ষমার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং একসাথে ভবিষ্যৎ নির্মাণের মধ্যেও নিহিত।" [১০]
- "ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের বিচার করবে আমরা কী বলেছি তার ভিত্তিতে নয়, বরং আমরা কী করেছি তার ভিত্তিতে।"
- "অবশ্যই আমি আফ্রিকার প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নারী রাষ্ট্রপতি এবং এর ফলে অনেক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। আমি আফ্রিকার সব নারীর আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করি। তাদের জন্য আমাকে সফল হতেই হবে। নারীদের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাজনৈতিক অংশগ্রহণের দরজা খোলা রাখতে হবে। এটি একদিকে দায়িত্বপূর্ণ, আবার অন্যদিকে উত্তেজনাপূর্ণও।" [১১]
- "আমি বহু বছর আগে পেশাগত বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করেছি একটি পুরুষ-প্রধান পরিবেশে। আমি শুধু আশা করি একজন নারী হিসেবে আমি একটি বাড়তি মাত্রা যোগ করতে পারি—একটি সংবেদনশীলতা যা একজন নারী ও মা হিসেবে আসে।" [১২]
- "নারী রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমার বিশেষ কোনো সমস্যা হয় না, কারণ আমি দীর্ঘদিন ধরেই একজন পেশাদার। আমি সবসময় বলি: আমি একজন প্রযুক্তিবিদ, যে কিনা নারী।" [১৩]
- "লাইবেরিয়ার জনগণ জানে পরিষ্কার পানি থেকে বঞ্চিত হওয়া কী। কিন্তু আমরা জানি আবার নতুন করে আমাদের শিশুর মুখে হাসি ফুটানোর অর্থ কী—আশা ও ভবিষ্যতের প্রতি বিশ্বাস ফিরে পাওয়া।" [১৪]
- "আমার জীবনকাহিনি দেখলেই বোঝা যাবে আমি কী করেছি। আমি অনেক মূল্য চুকিয়েছি, যা অনেকেই জানেন না।" [১৫]
- "লাইবেরিয়ার পুরো বিচারব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে বহু বছর ধরে চলা আইনহীনতা, শৃঙ্খলাহীনতা ও যুদ্ধের কারণে। আমাদের আরও যোগ্য বিচারকের প্রয়োজন, আইন সংস্কারের প্রয়োজন।" [১৬]
- "লাইবেরিয়ায় আমাদের প্রধান সমস্যা হলো অবকাঠামো: বিদ্যুৎ, পানি, সড়ক। কোম্পানিগুলো এসব ছাড়া কাজ করতে পারে না। আমাদের আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতিশ্রুতি থাকলেও, তা অর্থে রূপান্তরিত হতে সময় লাগে।" [১৭]
২০১১ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের বক্তৃতা (১০ ডিসেম্বর ২০১১)
[সম্পাদনা]A Voice for Freedom Nobel Prize ওয়েবসাইটে

বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় এলেন জনসন সারলিফ সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।