বিষয়বস্তুতে চলুন

এ টি এম মোস্তফা

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে

এ টি এম মোস্তফা (১৯২৫–১৯৬৬) ছিলেন একজন পাকিস্তানি আইনজীবী, রাজনীতিবিদ এবং ক্রিকেটার।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • আমরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এক নতুন যুগের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছি। এই নতুন সময়ের মুখোমুখি হয়ে, অতীত ও বর্তমানের সংযোগস্থলে দাঁড়ানো শিক্ষকদের দায়িত্ব হলো ভবিষ্যতের জন্য একটি সুস্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে সহায়তা করা।
  • শিল্পকলা কোনো খেলার বস্তু নয়, কোনো অলংকারমূলক কাজও নয়; এটি জীবনের ভাব প্রকাশ করে—এটি জীবনের একটি ঝলক দেখায়।

তার সম্পর্কে উক্তি

[সম্পাদনা]
  • সালটি ছিল ১৯৫০। তখন আমি লন্ডনে সাংবাদিকতা করতাম এবং "ডেইলি টেলিগ্রাফ"-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। সেদিন সকালে খবরগুলো দেখছিলাম। হঠাৎ দেখি বার-অ্যাট-ল’ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকা সম্বলিত কপিটি। সেখানে মোস্তফার নাম ছিল। আমি সঙ্গে সঙ্গে তার বাড়িতে ফোন করে তাকে অভিনন্দন জানাই। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে মোস্তফা আমার ফ্ল্যাটে অনেক খাবারদাবার নিয়ে হাজির হয়। পত্রিকা অফিস থেকে গরম খবর হিসেবে তার ফলাফল জানিয়ে দেওয়ার জন্য সে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। এমনই মানুষ ছিলো সে, যে আজ আর আমাদের মাঝে নেই।
  • সামরিক শাসনের সময়ে ব্রিগেডিয়ার সাহেব দাদ ছিলেন পূর্ব পাকিস্তান ক্রীড়া ফেডারেশনের সভাপতি। কোনো এক কারণে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের খেলোয়াড় ও পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক ফুটবলার কবিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ক্লাবটির একটি গুরুত্বপূর্ণ লিগ ম্যাচ সামনে ছিল, সেখানে কবিরের উপস্থিতি খুবই প্রয়োজন ছিল। তখন মোস্তফা ভাই এগিয়ে আসেন। ম্যাচের আগের দিন জানা গেল, ব্রিগেডিয়ার সাহেব দাদ এক বন্ধুর বাসায় নৈশভোজে আছেন। খেলাধুলার প্রকৃত অনুরাগী মোস্তফা ভাই সেখানে যেতে দ্বিধা বোধ করেননি। যতক্ষণ না ব্রিগেডিয়ার সাহেব দাদ বের হয়ে আসছেন, ততক্ষণ তিনি বাড়ির বাইরে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেন। মোস্তফা ভাই তার কাছে গিয়ে কবিরের জন্য ক্ষমা প্রার্থনার আবেদন করে পরদিন তাকে খেলতে দেওয়ার অনুরোধ জানান। সত্যি বলতে, এমন একজন মর্যাদাসম্পন্ন মানুষকে অন্ধকার রাতে একটি বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করতে দেখে ব্রিগেডিয়ার সাহেব দাদ বিব্রত বোধ করছিলেন। তিনি সঙ্গে সঙ্গে আশ্বাস দেন যে বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহার করা হবে। পরদিন কবির খেলেছিলো। এই বিষয়গুলো হয়তো ছোট মনে হতে পারে, কিন্তু এগুলো খেলাধুলা ও খেলোয়াড়দের প্রতি তার আন্তরিক ভালোবাসা ও অনুভূতির পরিচয় দেয়।
  • মোস্তফার প্রতি আমার গভীর মমত্ববোধ আছে। পাকিস্তান ও কাশ্মীর সর্বদা তার মুখ থেকে উচ্চারিত হতো।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]