কাঁঠাল
অবয়ব
কাঁঠাল (বৈজ্ঞানিক নাম Artocarpus heterophyllus) মোরাসিয়া পরিবারের (ডুমুর বা পাউরুটি পরিবারের প্রজাতি) আর্টোকার্পাস গোত্রের একটি ফল। এর উৎস দক্ষিণ ভারতের পশ্চিম ঘাট এবং মালয়েশিয়ার অতিবৃষ্টি অরণ্যের মধ্যবর্তী অঞ্চলে। কাঁঠাল গাছ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় নিম্নভূমিতে ভাল উপযোগী এবং বিশ্বের ক্রান্তীয় অঞ্চলে ব্যাপকভাবে চাষ হয়। এটি সমস্ত গাছের ফলের মধ্যে বৃহত্তম ফল এবং ওজনে ৫৫ কেজি (১২০ পাউন্ড) দৈর্ঘ্যে ৯০ সেমি (৩৫ ইঞ্চি) এবং ব্যাসে ৫০ সেন্টিমিটার (২০ ইঞ্চি) পর্যন্ত হতে পারে।
উক্তি
[সম্পাদনা]- পুবে হাওয়ার এল ঋতু, আকাশ-জোড়া মেঘ—
ঘরমুখো ঐ নৌকোগুলােয় লাগল অধীর বেগ।
ইলিশ মাছ আর পাকা কাঁঠাল জমল পারের হাটে,
কেনাবেচার ভিড় লাগল নৌকো-বাঁধা ঘাটে।- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "ছড়ার ছবি", 'পদ্মায়' ছড়ার অংশ।
- যখন মৃত্যুর ঘুমে শুয়ে র’ব—অন্ধকারে নক্ষত্রের নিচে
কাঁঠাল গাছের তলে হয়তো বা ধলেশ্বরী চিলাইয়ের পাশে—
দিনমানে কোনো মুখ হয়তো সে শ্মশানের কাছে নাহি আসে—
তবুও কাঁঠাল জাম বাংলার—তাহাদের ছায়া যে পড়িছে
আমার বুকের ’পরে—আমার মুখের ’পরে নীরবে ঝরিছে
খয়েরী অশথপাতা—বঁইচি শেয়ালকাঁটা আমার এ দেহ ভালোবাসে- জীবনানন্দ দাশ, রূপসী বাংলা, প্রকাশক: সিগনেট প্রেস, প্রথম সংস্করণ: অগাস্ট ১৯৫৭, পৃষ্ঠা: ২৩
- আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে—এই বাংলায়
হয়তো মানুষ নয়—হয়তো বা শঙ্খচিল শালিখের বেশে;
হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশে
কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠাল-ছায়ায়;- জীবনানন্দ দাশ, রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় কাঁঠাল সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।