ছবি বানানোর গল্প
ছবি বানানোর গল্প হুমায়ূন আহমেদ-এর আত্মকথামূলক গ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি মূলত তাঁর প্রথম চলচ্চিত্র আগুনের পরশমণি নির্মাণের নেপথ্যকথা। বইটিতে লেখক তাঁর সিনেমা নির্মাণের অভিজ্ঞতা, শুটিং-এর আনন্দ ও অস্থিরতা, কলাকুশলীদের হাস্যরসাত্মক আচরণ, প্রযোজনা ও সেন্সর বোর্ডের টানাপোড়েন—সবকিছুই উজ্জ্বল রসবোধ ও সংবেদনশীলতার সঙ্গে তুলে ধরেছেন।
চলচ্চিত্র নির্মাণের কষ্টসাধ্য প্রক্রিয়াকে লেখক রূপ দিয়েছেন এক অনন্য গল্পে—যেখানে বাস্তব, স্বপ্ন ও সৃজনশীল উন্মাদনা একাকার হয়ে গেছে। বইটির পাতায় পাতায় ফুটে উঠেছে একজন সাহিত্যিকের চোখে চলচ্চিত্র জগতের অন্তরঙ্গ রূপ। গ্রন্থটিতে নির্মাণ-বৃত্তান্ত ছাড়াও সংযোজিত আছে চিত্রনাট্যের অংশ, কর্মপঞ্জি, স্থিরচিত্র ও ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ, যা পাঠককে একাধারে আনন্দ দেয় এবং চলচ্চিত্রশিল্পের ভেতরের জগৎ সম্পর্কে গভীর ধারণা দেয়।
স্বপ্নের জন্ম
[সম্পাদনা]- আমি খানিকক্ষণ চুপ থেকে বললাম, মামা পিসাব করব। মামা করুণ ও হতাশ দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকালেন। আমি তাঁর দৃষ্টি সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে একটু পর পর বলতে লাগলাম, মামা আমি পিসাব করব। মামা আমি পিসাব করব। সম্ভবত তখন ছবির কোন গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছিল। মামা পর্দা থেকে চোখ না সরিয়ে বললেন, নিচে নেমে পিসাব করে ফেল। কিছু হবে না আমি তৎক্ষণাৎ মাতুল আজ্ঞা পালন করলাম। সামনের সীটের ভদ্রলোক মাথা ঘুরিয়ে মামার দিকে তাকিয়ে বিস্মিত গলায় বললেন, এই ছেলেতো প্রস্রাব করছে! আমার পা ভিজিয়ে ফেলেছে! মামা বললেন, ছেলেমানুষ প্রস্রাবতো করবেই। আপনার ঘরে ছেলেপুলে নেই? পা তুলে বসুন না।
- পৃষ্ঠা ১৩
- আমার প্রথম ছবি দেখার অভিজ্ঞতা খুব সুখকর না হলেও খারাপও ছিল না। অন্ধকার হল, পর্দায় ছবির নড়াচড়া আমার ভালই লাগল।
- পৃষ্ঠা ১৪
- পর্দায় উত্তম সুচিত্রার রোমান্টিক সংলাপ হচ্ছে আর এদিকে চলছে শিশুদের চেঁ ভ্যা। মায়েদের তাতে ছবি উপভোগ করতে কোন সমস্যা হচ্ছে না। শিশুকে সামলাচ্ছেন, এই সুচিত্রার কষ্টে চোখের পানি ফেলছেন। সাধে কি আর বলে মেয়েরা সর্বংসহা।
- পৃষ্ঠা ১৪
- ক্রমাগত ছবি দেখে বেঠালেও মনের গভীরে সবসময় মনেহত আমি যা করছি তা ঠিক না। ভুল করছি। নিজের ভেতর চপি অপরাধ বোধ কাজ করতো। অবচেতন মনে হয়তো দাদাজানের বক্তৃতা খেলা করত।
- পৃষ্ঠা ১৫
- আমরা দল বেঁধে রোমান হলিডে দেখতে গেলাম। আমার জীবনের প্রথম দেখা ভাল ছবি। সামান্য একটা ছবি যে মানুষের হৃদয় মন দ্রবীভূত করতে পারে, বুকের ভেতর হাহাকার তৈরি করতে পারে আমার ধারণার ভিতর তা ছিল না। সত্যিকার অর্থে সেদিনই ছবির প্রতি পুরোপুরি আকৃষ্ট হলাম।
- পৃষ্ঠা ১৫
- একটা ভাল বই যেমন কয়েকবার পড়া হয় একটা ভাল ছবিও অনেকবার করে দেখতে শুরু করলাম। সবচে বেশি কোন ছবিটি দেখেছি? সম্ভবত 'দি ক্রেইনস আর ফ্লাইয়িং'। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কাহিনী।
- পৃষ্ঠা ১৫
- মানুষের অবচেতন মন অসম্ভবের জগত নিয়ে কাজ করে।
- পৃষ্ঠা ১৬
- 'আমি তোমাকে আমার একটা স্বপ্নের কথা বলছি, তুমি হেলাফেলা করে শুনছ সেই জন্যেই রাগ করছি। মানুষের স্বপ্ন নিয়ে হেলাফেলা করতে নেই।'
- পৃষ্ঠা ১৬
- আমার লাভের মধ্যে লাভ এই হল আমি অনেকগুলি নাম শিখলাম। 'আইজেনস্টাইন', 'বেটেলশীপ পটেমকিন', 'অক্টোবর', 'গদার', 'ফেলিনি', 'বাইসাইকেল থিফ'...আমার এই অল্প বিদ্যা পরবর্তী সময়ে খুব কাজে এসেছে। অনেক আঁতেলদের ভড়কে দিতে পেরেছি। আঁতেলদের দৌড়ও ঐ নাম পর্যন্ত বলেই ব্যাপার ধরতে পারেননি।
- পৃষ্ঠা ১৬
- আমার অভিমান ভালবাসার মতই তীব্র ।
- পৃষ্ঠা ১৭
- মৃত্যুর আগে প্রিয় কণ্ঠস্বর শুনতে ইচ্ছে করে।
- পৃষ্ঠা ১৭
- মানুষের মৃত্যু হয় কিন্তু তাদের স্বপ্ন মরে না। আনিস ভাই মারা গেলেন, তাঁর স্বপ্ন কিন্তু বেঁচে রইল। কোন এক অদ্ভুত উপায়ে সেই স্বপ্ন ঢুকে গেল আমার মধ্যে। এক ভোরবেলায় আমি আমার স্ত্রীকে ডেকে বললাম, গুলতেকিন! আমি একটা ছবি বানাবো। ছবির নাম 'আগুনের পরশমণি'।
- পৃষ্ঠা ১৮
একশ' রক্ত গোলাপ
[সম্পাদনা]- প্রিয় বিষয়ের কোন ব্যাখ্যা থাকে না।
- পৃষ্ঠা ১৯
- সিনেমা করার জন্যে **আগুনের পরশমণি** বেছে নেয়ার প্রধান কারণ হল, এটি আমার অতি প্রিয় একটি গল্প। অপ্রধান কিছু কারণ আছে যেমন এটি মহান মুক্তিযুদ্ধের গল্প। পুরো গল্পটি একটা সেটে বলা হয়েছে—মধ্যবিত্ত পরিবারের একতলা একটি বাড়িতে কয়েকদিনের ঘটনা। অল্প পাত্র-পাত্রী, বিশাল আয়োজনের দরকার নেই।
- পৃষ্ঠা ১৯
- চিত্রনাট্য মানে ঘটনাগুলো সাজানো—কোনটার পর কোনটা আসবে। চিত্রনাট্য তৈরি মানেই ছবির অর্ধেক কাজ শেষ। ভাল চিত্রনাট্য মানে পুরো ছবিটাই হাতে।
- পৃষ্ঠা ১৯
- দৃশ্যগুলি সাজানোর পরের ধাপ হলো শট ডিভিশন—প্রতিটি দৃশ্য ক্যামেরায় কেমন করে ধরা হবে। টপ শট, বিগ ক্লোজ, বিগ ক্লোজ টু লং শট, ক্যামেরা ট্রলি—এসবই শট ডিভিশনের অংশ।
- পৃষ্ঠা ১৯
- একজন পরিচালক কতটা ওস্তাদ তা বোঝা যায় তাঁর শট ডিভিশনে। একই দৃশ্য কুবরিক যেভাবে ধরবেন, ফেলিনি ধরবেন অন্যভাবে; ভিস্যুয়েল রূপান্তরের ভিন্নতায় দৃশ্য সম্পূর্ণ আলাদা মনে হবে।
- পৃষ্ঠা ১৯
- আগুনের পরশমণি আমার লেখা প্রথম চিত্রনাট্য নয়। **শঙ্খনীল কারাগার** ছবির কাহিনী ও চিত্রনাট্যও আমার। অনেকে বলেছেন, সেটি নাটক নাটক মনে হয়েছে—দুই ঘন্টার সিনেমায় এক ঘন্টার নাটক দেখেছেন; চলচ্চিত্রের ভাষা ব্যবহার হয়নি।
- পৃষ্ঠা ২০
- একটি আপ্তবাক্য আছে—স্ত্রীর পরামর্শ মন দিয়ে শুনবে, কিন্তু কাজ করবে নিজের মতো। তাই রিসার্চ পেপার নিয়ে মাথা ঘামালাম না। অধ্যাপক হওয়া জরুরি নয়; ছবি বানানো জরুরি। সেখানে স্বপ্ন মিশে আছে।
- পৃষ্ঠা ২১
- ছবি বানানোর চল্লিশ ভাগ কাজ শেষ—চিত্রনাট্য তৈরি। এখন কাজে ঝাঁপ দিতে হবে। শূন্য পকেটে তা যায় না; অন্তত চল্লিশ লক্ষ টাকা চাই। সম্বল বলতে রয়্যালটি থেকে জমা দুই লক্ষ।
- পৃষ্ঠা ২১
- টাকা জমলেই খরচ করে ফেলতে ইচ্ছে করে। টাকা জমিয়ে রাখা অস্বস্তিকর—টাকার জন্ম হয়েছে খরচের জন্য, জমিয়ে রাখার জন্য নয়।
- পৃষ্ঠা ২১
- ভোর পাঁচটায় ঘুমিয়ে দশটায় উঠলাম। আগুনের পরশমণির চা না খেয়ে চিত্রনাট্য হাতে সেক্রেটারিয়েটে গেলাম। তথ্যমন্ত্রীকে বোঝাব বাংলাদেশের উচিত এই মুক্তিযুদ্ধের ছবিতে সাহায্য করা।
- পৃষ্ঠা ২২
- ট্রেনে ফিরতে ফিরতে ভাবলাম, কেন নিজেকে ছোট করছি? কেন অন্যের উপর নির্ভর? এলিফ্যান্ট রোডের ফ্ল্যাটটা বিক্রি করে দেব—তারপর যা হওয়ার হবে। টলস্টয়ের ‘How much land does a man require?’ গল্প তো বলেই দিয়েছে—মানুষের প্রয়োজন সাড়ে তিন ফুট জায়গা।
- পৃষ্ঠা ২৩
- যিনি অন্যের স্বপ্নকে গুরুত্ব দেন—রক্ত গোলাপ তাঁর জন্যেই।
- পৃষ্ঠা ২৫
এক পোয়া বাঘের দুধ
[সম্পাদনা]- ছবির জগতের ব্যবস্থাপকদের কাজ হচ্ছে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র জোগাড় যন্ত্র করে দেয়া।
- পৃষ্ঠা ৪৯
- বাংলাদেশের ছবির ব্যবস্থাপকদের খুব সুনাম… দুধটা আসলেই বাঘের।
- পৃষ্ঠা ৪৯
- আমার ছবিতে সেনাবাহিনীর সুদসারা গরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয়ও করলেন… আগুনের পরশমণি নিয়ে আমি অপুতে পারতাম না।
- পৃষ্ঠা ৫২
- ঝগড়া শুরু হলে বুদ্ধিমান স্বামীরা চুপ করে থাকেন… স্ত্রীর সাবমেশিনগানের গুলি চুপচাপ থেকে সামাল দেন।
- পৃষ্ঠা ৫৩
- আমার মন খুব খারাপ—ছবি বানানোর এই বিপুল কর্মকান্ডে আমার স্ত্রী পাশে থাকবে না… আমি হাসিখুশি থাকার অভিনয় করছি।
- পৃষ্ঠা ৫৩
- আমরা ব্যবহার করছি জার্মানীর বিখ্যাত এরিফ্লেক্স ক্যামেরা মডেল থ্রি সি… ভ্যারিয়েবল মেটর আছে।
- পৃষ্ঠা ৫৪
- আমি ক্যামেরাম্যান আধভাব সাহেবের দিকে তাকালাম… আমার মনে হচ্ছে টেনশন জনিত ঘাম।
- পৃষ্ঠা ৫৪
- আমি লজ্জা ভেঙ্গে বললাম… পাখির খাঁচা হুট করে বের হয়ে আসছে সেটা ভাল লাগল না।
- পৃষ্ঠা ৫৪
- আমি লাইট-ক্যামেরা-একশান বললাম… আমি কাট বলতে ভুলে গেলাম।
- পৃষ্ঠা ৫৬
- পরদিন দৈনিক বাংলা সচিত্র প্রতিবেদন—‘কাট’ বলতে ভুলে গেছেন।
- পৃষ্ঠা ৫৬
- আমি আমার আনাড়িপনা কাটাতে কিছু ব্যবস্থা নিলাম… প্রতিটি শট ভিডিওতে তুলে রাখা।
- পৃষ্ঠা ৫৬
- ছবিতে সব দৃশ্য একের পর এক নেয়া হয় না… কন্টিনিউটি সমস্যা থেকেই যায়।
- পৃষ্ঠা ৫৬
- বাংলাদেশের ছবিতে নায়করা নায়িকাদের সম্মান পান না… নায়ককে স্যার বলা হয় না।
- পৃষ্ঠা ৫৬
- বাংলাদেশের ছবির নায়িকারা যে এত মোটা—তার কারণ বোধ হয় এফডিসির খাওয়া।
- পৃষ্ঠা ৫৮
- আমি নিজে এফডিসির খাবার খুব পছন্দ করতাম… গোশতের নিচে মৃত তেলাপোকা!
- পৃষ্ঠা ৫৮
- শুটিং যত এগুচ্ছে আমার আস্থাভাব ততই কমছে… ক্যামেরায় যা দেখি বড়পর্দায় কেমন আসবে বুঝি না।
- পৃষ্ঠা ৫৯
- দৃশ্যটি সব রকম লেন্সে নেয়া হল… লেন্স বদলালে দৃশ্যটাই বদলে যাচ্ছে।
- পৃষ্ঠা ৬০
- সামান্য ইন-আউট বুঝতে পারছি না… হীনমন্যতা কাজ করছিল।
- পৃষ্ঠা ৬০
- যার নিজের বুদ্ধির উপর আস্থা আছে সে হঠাৎ টের পেলে… সে মুষড়ে পড়ে।
- পৃষ্ঠা ৬০
- ছবি পাড়ায় প্রচলিত বিশ্বাস—শুটিং চলাকালে চশমা ভাঙ্গা মানে সুপার-ডুপার হিট।
- পৃষ্ঠা ৬০
- ছবিতে সাপ থাকলেও ছবি হিট হয়… ‘স্যার, কোন একটা সীনে একটা সাপ দেখিয়ে দেন।’
- পৃষ্ঠা ৬১
- ছবি পাড়ার সবচে বড় চক্কর—খরচের চক্কর।
- পৃষ্ঠা ৬৩
- এফডিসি সরকারী সংস্থা হলেও টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না।
- পৃষ্ঠা ৬৩
- ‘আমাদের দেশের হল খারাপ… লাইট কমালে রাতের দৃশ্য দেখা যাবে না।’ আমি ডিসিশন দিতে পারি না।
- পৃষ্ঠা ৬৪
- আমার সবচে বেশী বকা যার খাওয়ার কথা ছিল তিনি খাননি—শংকর।
- পৃষ্ঠা ৬৬
- ভদ্রলোক ঢুকে কাঁদতে শুরু করলেন… ‘প্রণাম করতে ভুলে গেছি।’ কাটের পর কাট।
- পৃষ্ঠা ৬৭
- ডলি জহুরের দিকে তাকিয়ে বললেন—‘মা-আম্মা… মিলিটারী মাইরা ফেলেছে।’ ক্যামেরাম্যান নিজেই ক্যামেরা বন্ধ করলেন।
- পৃষ্ঠা ৬৮
- গাধাটার পেছনে সময় নষ্ট করছি কারণ সে ময়মনসিংহ থেকে আগ্রহ নিয়ে এসেছে… মানুষের দীর্ঘশ্বাসকে আমি ভয় পাই।
- পৃষ্ঠা ৬৮
- তেইশটা শটের পর শংকরের অভিনয় ওকে হল… ‘দাদার সঙ্গে কাজ করে বড় তৃপ্তি পেয়েছি।’
- পৃষ্ঠা ৬৮
- ‘রোল দেয়া হবে… রোল পছন্দ না বলে পালাতে পারবেন না… জেলের ভাত খেতে হবে।’ তারপর—‘নেংটা হয়ে শট দিতে হবে।’
- পৃষ্ঠা ৭০
- অভিনেতাদের কাছে থেকে অভিনয় আদায় করা দুরূহ।
- পৃষ্ঠা ৭২
- নূরকে আমার সবসময় মনে হয় ডাস্টিন হফম্যানের চেয়েও বড় অভিনেতা।
- পৃষ্ঠা ৭৩
- লেক গিনিস কি আবুল হায়াতের চেয়েও বড় অভিনেতা? আমার মনে হয় না।
- পৃষ্ঠা ৭৩
- হুমায়ূন ফরিদী—গ্র্যান্ড মাস্টার। তাঁকে ভিলেন সাজিয়ে লাফালাফি করতে দেখে কষ্ট হয়।
- পৃষ্ঠা ৭৩
- ক্ষমতাধর অভিনেতা-অভিনেত্রী আমাদের আছে… আমরা তাঁদের ব্যবহার করতে পারছি না।
- পৃষ্ঠা ৭৩
- আমি স্বীকার করছি—অভিনেতাদের থেকে খুব কিছু আদায় করতে পারিনি, কিন্তু পশুপাখিদের থেকে পেরেছি।
- পৃষ্ঠা ৭৩
- তারা চৌধুরী ও আখতার সাহেব স্পটে নতুন শট ডিভিশন করছিলেন… এটা ঠিক হয়নি।
- পৃষ্ঠা ৭৪
- সেন্সার প্রিন্ট দেখে মন ভেঙে গেল… কিছু জায়গায় ছবি কাঁপছে। রাতে ঘুম হল না।
- পৃষ্ঠা ৭৫
- বইয়ের রয়্যালটি পাচ্ছি না… মাইক্রোবাস বিক্রি করলে বাচ্চারা মন খারাপ করবে।
- পৃষ্ঠা ৭৬
- ছবির পরিবর্তন করা হল না… কাঁপুনি অংশগুলো দেখলে এখনো চোখে জল আসে—ব্যক্তিগত ব্যর্থতার জল।
- পৃষ্ঠা ৭৬
- মরা কুকুর ডাস্টবিনে ছিল… পত্রিকায় বের হলো ‘নূর সাহেবের ডীপ ফ্রীজে কুকুর’। সবই রসিকতার ভুল ব্যাখ্যা।
- পৃষ্ঠা ৭৯
এই ভুক্তি বা অনুচ্ছেদটি পরিবর্ধন বা বড় কোনো পুনর্গঠনের মধ্যে রয়েছে। এটির উন্নয়নের জন্য আপনার যে কোনো প্রকার সহায়তাকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। যদি এই ভুক্তি বা অনুচ্ছেদটি কয়েকদিনের জন্য সম্পাদনা করা না হয়, তাহলে অনুগ্রহপূর্বক এই টেমপ্লেটটি সরিয়ে ফেলুন। ৫৫ দিন আগে Md Rashidul Hasan Biplob (আলাপ | অবদান) এই নিবন্ধটি সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন। (হালনাগাদ) |