বিষয়বস্তুতে চলুন

জাক-ইভ কুস্তো

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে
জন্ম থেকেই মানুষ কাঁধে মহাকর্ষের ভার বহন করে। সে পৃথিবীর সাথে আবদ্ধ। কিন্তু মানুষ পৃষ্ঠতলের নিচে ডুব দিলেই মুক্ত।
~ কুস্তো, ১৯৬০

জ্যাক-ইভ কুস্তো, এসি (১১ জুন ১৯১০ – ২৫ জুন ১৯৯৭), ইংরেজিতে সাধারণত জ্যাক কুস্তো নামে পরিচিত, একজন ফরাসি নৌ কর্মকর্তা, অভিযাত্রী, সংরক্ষণবাদী, চলচ্চিত্র নির্মাতা, উদ্ভাবক, বিজ্ঞানী, আলোকচিত্রী, লেখক এবং গবেষক ছিলেন। তিনি সমুদ্র ও জলজ জীবনের সব রূপ নিয়ে গবেষণা করেছেন। তিনি অ্যাকুয়া-লাং তৈরি করতে সহায়তা করেন, সামুদ্রিক সংরক্ষণের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করেন এবং আকাদেমি ফ্রঁসেজের সদস্য ছিলেন।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • জন্ম থেকেই মানুষ কাঁধে মহাকর্ষের ভার বহন করে। সে পৃথিবীর সাথে আবদ্ধ। কিন্তু মানুষ পৃষ্ঠতলের নিচে ডুব দিলেই মুক্ত।
    • টাইম (২৮ মার্চ ১৯৬০)
  • পানির প্লবতায় হাত নাড়িয়ে মানুষ যেকোনো দিকে উড়তে পারে—উপরে, নিচে বা পাশে। পানির নিচে মানুষ প্রধান দেবদূতের মতো হয়ে যায়।
    • টাইম (২৮ মার্চ ১৯৬০)
  • সমুদ্র হলো বিশ্বের আবর্জনার ভাগাড়।
    • মার্কিন প্রতিনিধি সভার বিজ্ঞান ও মহাকাশচারী কমিটিতে সমুদ্রকে "যেখানে সব ধরনের দূষণ গিয়ে জমা হয়" হিসেবে ঘোষণা করার সময় (২৮ জানুয়ারি ১৯৭১)
  • আমাদের সমুদ্র চাষ করতে হবে এবং সেখানকার প্রাণীদের লালন-পালন করতে হবে... শিকারির পরিবর্তে কৃষকের মতো সমুদ্র ব্যবহার করতে হবে। শিকারের বদলে চাষাবাদই সভ্যতার মূল কথা।
    • সাক্ষাৎকার (১৭ জুলাই ১৯৭১); উদ্ধৃত: এলিজাবেথ ব্রুবাকার এবং অন্যান্য (২০০৮) ব্রেথ অব ফ্রেশ এয়ার, পৃষ্ঠা ১৮০
  • আমরা বর্তমানে যেভাবে চাষাবাদ করি তা আসলে শিকারের মতো এবং সমুদ্রের ক্ষেত্রে আমরা বর্বর আচরণ করি।
    • সাক্ষাৎকার (১৭ জুলাই ১৯৭১): উদ্ধৃত: জেন গুডঅল এবং অন্যান্য (২০০৫) হারভেস্ট ফর হোপ: এ গাইড টু মাইন্ডফুল ইটিং।
  • আমরা যদি এভাবেই চলতে থাকি, তবে আমাদের এই লোভের ফল ভোগ করতে হবে। আমরা যদি সচেতন না হই, তবে পৃথিবী থেকে মানুষের বিলুপ্তি ঘটবে এবং তার স্থান নেবে পতঙ্গ।
  • আসলে বিজ্ঞানী কে? তিনি একজন কৌতূহলী মানুষ, যিনি প্রকৃতির রহস্য জানার জন্য প্রকৃতির চাবির ছিদ্র দিয়ে উঁকি দিচ্ছেন।
    • ক্রিশ্চিয়ান সায়েন্স মনিটর (২১ জুলাই ১৯৭১)
  • সব প্রাণীর মধ্যে সম্ভবত মানুষই একমাত্র প্রাণী যে নিজেকে পরম সুস্বাদু মনে করে।
    • অক্টোপাস অ্যান্ড স্কুইড: দ্য সফট ইন্টেলিজেন্স (১৯৭৩)
  • আমি বিজ্ঞানী নই; বরং আমি বিজ্ঞানীদের একজন সংগঠক।
    • ক্রিশ্চিয়ান সায়েন্স মনিটর (২৪ জুলাই ১৯৮৬)
  • আমি বলেছিলাম যে সমুদ্র অসুস্থ, তবে তা মরে যাবে না। সমুদ্রে প্রাণের বিনাশ অসম্ভব—সেখানে সবসময়ই জীবন থাকবে—তবে প্রতি বছর এটি আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছে।
  • গত কয়েক দশকে সংবাদমাধ্যম একটি ভয়ংকর ক্ষতিকর গুজব ছড়িয়েছে। এটি অত্যন্ত বোকামি যে মানুষ নীল তিমির ধমনির মধ্য দিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে যেতে পারে। অবশ্যই এটি সত্য নয়। আমি জানি না কেন এই গুজবটি পরিকল্পিতভাবে বারবার বলা হয়, তবে বিজ্ঞানের জন্য এটি একটি কলঙ্ক।
    • অক্টোপাস অ্যান্ড স্কুইড: দ্য সফট ইন্টেলিজেন্স (১৯৭৩)
  • আগামী ৪০ বছরে জীবন কেমন হতে পারে আমাদের সেই প্রস্তুতি নিতে হবে। পৃথিবীর অনবায়নযোগ্য সম্পদ দিয়ে কী সম্ভব আর কী অসম্ভব তা আমাদের চিহ্নিত করতে হবে। প্রযুক্তিগত উন্নতির ভূমিকা কী হবে? সব দিক বিবেচনা করে ১০ বিলিয়ন মানুষের জন্য জীবনযাত্রার সর্বোত্তম মান কীভাবে নিশ্চিত করা যায়? এটি একটি সমস্যা যা সমাধান করা প্রয়োজন।
  • কখনও কখনও আমরা খুব ভাগ্যবান হই যখন বুঝতে পারি আমাদের জীবন বদলে গেছে। আমরা পুরনোকে বিসর্জন দিই, নতুনকে গ্রহণ করি এবং একটি অপরিবর্তনীয় পথে এগিয়ে চলি।
    • দ্য সাইলেন্ট ওয়ার্ল্ড; লেখক: ক্যাপ্টেন জ্যাক-ইভ কুস্তো ও ফ্রেডেরিক ডুমাস; ২০০৪ ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি, পৃষ্ঠা ৫।

কুস্তো সম্পর্কে উক্তি

[সম্পাদনা]
  • সিলভিয়া আর্লের প্রজন্ম ছিল অভিযাত্রী... তারা বুঝতে চাইতেন সেখানে কী আছে বা কীভাবে কাজ করে। পরে তারা বুঝলেন সমুদ্র বিপদে আছে এবং তারা সবাই সংরক্ষণবাদী হয়ে উঠলেন। জ্যাক কুস্তোর ক্ষেত্রেও আমরা একই পেশাদার পরিবর্তন দেখেছি।
  • সিলভিয়া আর্ল, একজন মহান বিজ্ঞানী হওয়ার পাশাপাশি জ্যাক কুস্তোর যোগ্য উত্তরসূরি। তিনি আমাদের মতো স্থলচরদের কাছে সমুদ্রের রহস্য উন্মোচন করেছেন এবং আমাদের বিস্মিত ও স্বচ্ছন্দ হতে সাহায্য করেছেন।
    • বিল ম্যাককিবেন দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ ব্লু: হাউ আওয়ার ফেট অ্যান্ড দি ওশেন'স আর ওয়ান (২০০৯)

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]