জেমস ক্যালাহান
অবয়ব
লিওনার্ড জেমস ক্যালাহান, ব্যারন ক্যালাহান অব কার্ডিফ (২৭ মার্চ ১৯১২ – ২৬ মার্চ ২০০৫) একজন ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি ১৯৭৬ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী এবং ১৯৭৬ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত লেবার পার্টির নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ক্যালাহান একমাত্র ব্যক্তি যিনি রাষ্ট্রের চারটি গুরুত্বপূর্ণ পদেই (গ্রেট অফিসেস অব স্টেট) দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ১৯৬৪ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত চ্যান্সেলর অব দ্য এক্সচেকার, ১৯৬৭ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র সচিব এবং ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত পররাষ্ট্র সচিব ছিলেন। ১৯৪৫ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত তিনি সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাকে সাধারণত জিম ক্যালাহান বলা হয়।
উক্তি
[সম্পাদনা]ব্যাকবেঞ্চ এমপি হিসেবে
[সম্পাদনা]- সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র উদ্যোগী ব্যক্তিদের পথ দেখাতে পারে না—একথা আমি আর কারো মুখে শুনতে চাই না। সোভিয়েত ইউনিয়নের সব স্তরের যোগ্য ব্যক্তিদের যে পুরস্কার দেওয়া হয়, তা পুঁজিবাদী ব্রিটেনের কর্মচারীদের চেয়ে অনেক বেশি। আমি এটি দেখেছি এবং এটি কাজ করে।
- রেনল্ডস নিউজ (১৭ মার্চ ১৯৪৬)
- নির্বাচনে জীবনযাত্রার ব্যয়ের চেয়েও শান্তি বা যুদ্ধের বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমি বিশ্বাস করি না যে স্ট্যালিনের সাথে শান্তি বজায় রাখা সহজ হবে। কিছু প্রতিনিধি মনে করেন স্ট্যালিনের সাথে একটু মেলামেশা করলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। তারা কি মার্ক্সবাদ এবং ইতিহাসের ব্যাখ্যা ভুলে গেছেন? তারা কোনো সাধারণ মানুষের সাথে নয়, বরং স্ট্যালিনের সাথে ডিল করছেন।
- স্কারবোরোতে লেবার পার্টির সম্মেলনে ভাষণ (২ অক্টোবর ১৯৫১)। দ্য টাইমস (৩ অক্টোবর ১৯৫১), পৃষ্ঠা ৭।
শ্যাডো চ্যান্সেলর হিসেবে
[সম্পাদনা]- আমার বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই যে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে যেসব অর্থনৈতিক ও সমাজতান্ত্রিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, সেগুলো পশ্চিমের বিশৃঙ্খল ও পরিকল্পনাহীন সমাজের বিরুদ্ধে শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
- হাউস অব কমন্সে ভাষণ (১৫ ডিসেম্বর ১৯৬০)।
চ্যান্সেলর অব দ্য এক্সচেকার হিসেবে
[সম্পাদনা]- আমি কর বাড়ানো ঘৃণা করি।
- বিবিসি টেলিভিশনে সাক্ষাৎকার (২০ মে ১৯৬৫)।
- গত ১২ মাসে আমরা এক বিশাল লড়াই করেছি। স্টার্লিং এখন নিরাপদ। সেই লড়াইয়ে আমরা জিতেছি।
- হাউস অব কমন্সে ভাষণ (৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৬৫)। দ্য টাইমস (১ অক্টোবর ১৯৬৫), পৃষ্ঠা ১৬।
- আমি ১৯৬৭ সালের সম্ভাবনাকে তিনটি ছোট বাক্যে গুছিয়ে বলছি। আমরা কক্ষপথে ফিরে এসেছি। জাহাজটির গতি বাড়ছে। এই মুহূর্তে প্রতিটি নাবিকই সেই নির্দেশটি জানেন: "নির্ধারিত গতিতে এগিয়ে চলো"।
- হাউস অব কমন্সে বাজেট বক্তৃতা (১১ এপ্রিল ১৯৬৭)। দ্য টাইমস (১২ এপ্রিল ১৯৬৭), পৃষ্ঠা ৭।
স্বরাষ্ট্র সচিব হিসেবে
[সম্পাদনা]- ১৯৬৭ সালে দ্য টাইমসে সেই কুখ্যাত বিজ্ঞাপনটি দেখে অধিকাংশ মানুষ নিশ্চয়ই অবাক হয়েছেন যে ক্যানাবিস বা গাঁজা বৈধ করার পক্ষে একটি গোষ্ঠী কাজ করছে। সংসদ এবং জনমতের উচিত এই গোষ্ঠীর অস্তিত্ব বিবেচনায় নেওয়া এবং আমার মতো করে তাদের মোকাবিলা করতে প্রস্তুত থাকা। এটি তথাকথিত 'পরমতসহিষ্ণু সমাজ' বা পারমিসিভ সোসাইটির একটি দিক। আমার সিদ্ধান্তে সংসদ এই ধরনের প্রবণতায় লাগাম টানতে পেরেছে দেখে আমি খুশি। 'পারমিসিভনেস' শব্দটি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তৈরি হওয়া অন্যতম অপছন্দনীয় শব্দ।
- হাউস অব কমন্সে ভাষণ (২৭ জানুয়ারি ১৯৬৯)।
শ্যাডো চ্যান্সেলর হিসেবে
[সম্পাদনা]- ব্রিটেনের লাখ লাখ মানুষ নিশ্চয়ই অবাক হয়েছেন এটা শুনে যে, চসার, শেকসপিয়র আর মিল্টনের ভাষাকে এখন থেকে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত মার্কিন আমদানি হিসেবে গণ্য করা হবে। বলা হচ্ছে নতুন ইউরোপ গড়তে হলে আমাদের এই ভাষা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে হবে। আমরা মানছি ফরাসিদের গদ্য সাহিত্য ইউরোপে সেরা। কিন্তু ইউরোপীয় হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করতে যদি ফরাসি ভাষাকেই প্রভাবশালী ভাষা হিসেবে মেনে নিতে হয়, তবে আমার উত্তর পরিষ্কার। কোনো ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে আমি ফরাসি ভাষাতেই বলছি: না, আপনাদের অনেক ধন্যবাদ (Non, merci beaucoup)।
- সাউদাম্পটনে ভাষণ (২৫ মে ১৯৭১)।
- রোম চুক্তি ফরাসি কৃষি এবং জার্মান শিল্প উৎপাদনকে সহায়তা করার জন্যই তৈরি করা হয়েছে। এটি ব্রিটেনের ভবিষ্যৎ বাণিজ্যিক ব্যবস্থার জন্য কোনোভাবেই আদর্শ নয়। এই উদ্দেশ্যে এটি তৈরিও করা হয়নি। প্রশ্ন হলো যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছে তাতে এতে যোগ দেওয়া উচিত হবে কি না, নাকি অপেক্ষা করা আমাদের জন্য ভালো হবে।
- কার্ডিফ সাউথ ইস্ট লেবার পার্টির ভাষণ (২৩ জুলাই ১৯৭১)। দ্য টাইমস (২৪ জুলাই ১৯৭১), পৃষ্ঠা ২।
- সৈন্যদের ওপর অতিরিক্ত চাপ দেওয়া হচ্ছে। রাজনীতিবিদরা যে সমস্যা বহু বছর ধরে সমাধান করতে পারেননি, আরইউসি (RUC) তা সমাধান করতে পারবে না। বন্দুকধারীদের সাধারণ মানুষ থেকে আলাদা করতে হলে একটি রাজনৈতিক সমাধান প্রয়োজন।
- বেলফাস্টে ভাষণ (১১ নভেম্বর ১৯৭১)। দ্য টাইমস (১২ নভেম্বর ১৯৭১), পৃষ্ঠা ১।
পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে
[সম্পাদনা]- বিশ্বে আমাদের অবস্থান সংকুচিত হচ্ছে: আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক প্রভাব অর্থনৈতিক শক্তির ওপর নির্ভর করে, যা ফুরিয়ে আসছে। দেশ পূর্ণ কর্মসংস্থান এবং মুদ্রাস্ফীতির অবসান—উভয়ই প্রত্যাশা করে। মানুষ তাদের দাবি না কমালে আমরা এই দুটি একসাথে পাব না। ট্রেড ইউনিয়ন বা টিইউসির (TUC) নির্দেশিকা না মানলে আমাদের আবারও মজুরি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং এমনকি গণতন্ত্রও ভেঙে পড়তে পারে। মাঝে মাঝে রাতে ঘুমানোর সময় আমি ভাবি যদি আমি তরুণ হতাম তবে দেশান্তরী হতাম। কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠে আমি নিজেকে প্রশ্ন করি এমন কোনো জায়গা কি আছে যেখানে আমি যেতে চাই।
- ক্যাবিনেট মিটিংয়ে মন্তব্য (১৭ নভেম্বর ১৯৭৪)। জেমস ক্যালাহান, টাইম অ্যান্ড চ্যান্স (১৯৮৭), পৃষ্ঠা ৩২৬।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে
[সম্পাদনা]- আপনারা এবং আমি জানি যে আমরা মুদ্রাস্ফীতি এবং বেকারত্বের মতো দুটি গভীর সমস্যার মুখোমুখি। এই দুটিই এখনো অনেক বেশি। আমি জোর দিয়ে বলছি যদি আমরা মুদ্রাস্ফীতি কমাতে ব্যর্থ হই, তবে আমরা বেকারত্ব দূর করতে পারব না। বিদেশে পণ্য বিক্রি করতে না পারলে এ দেশে সমৃদ্ধ শিল্প গড়ে তোলা সম্ভব নয়। কেউ ব্রিটেনের ভরণপোষণের দায়িত্ব নেয়নি। গত ১২ মাসের পদক্ষেপ সত্ত্বেও আমরা যে জীবনযাত্রার মান ভোগ করছি, তা উপার্জনের সক্ষমতা আমাদের এখনো হয়নি। আমরা ধারের ওপর আমাদের মান বজায় রাখছি, যা অনির্দিষ্টকাল চলতে পারে না। কোনো সহজ পথ নেই। আমি আপনাদের নিকট ভবিষ্যতে কোনো স্বস্তির প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি না। জাতি হিসেবে ঋণের জালে না জড়িয়ে যতক্ষণ না আমরা স্বাবলম্বী হচ্ছি, ততক্ষণ জীবনযাত্রার মানের স্থায়ী কোনো উন্নতি হবে না।
- প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম টেলিভিশন ভাষণ (৫ এপ্রিল ১৯৭৬)। দ্য টাইমস (৬ এপ্রিল ১৯৭৬), পৃষ্ঠা ১–২।
- আমরা ভাবতাম কর কমিয়ে আর সরকারি ব্যয় বাড়িয়ে মন্দা কাটিয়ে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা সম্ভব। আমি স্পষ্টভাবে বলছি সেই পথ আর নেই। যদি থেকেও থাকে, তা প্রতিটি ক্ষেত্রেই মুদ্রাস্ফীতি বাড়িয়েছিল এবং পরের ধাপে বেকারত্ব আরও বাড়িয়েছিল। আমরা এই দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি থেকে মাত্র মুক্তি পেয়েছি; কিন্তু এর ফলাফল অর্থাৎ উচ্চ বেকারত্ব থেকে এখনো মুক্তি পাইনি। গত ২০ বছরের ইতিহাস এটাই।
- ব্ল্যাকপুলে লেবার পার্টির সম্মেলনে ভাষণ (২৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৬)। এই অংশটি তাঁর জামাতা এবং বিবিসির সাবেক অর্থনৈতিক সংবাদদাতা পিটার জে লিখেছিলেন।
- লেবার পার্টির চ্যান্সেলর ডেনিস হিলি যাকে 'কনফেটি মানি' বা মূল্যহীন টাকা বলছেন, তা ছাপিয়ে যদি আমরা উৎপাদন করার চেয়ে বেশি ব্যয় করতে চাই, তবে আমরা ব্যর্থ হব।
- ব্ল্যাকপুলে লেবার পার্টির সম্মেলনে ভাষণ (২৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৬)।
- নার্সারি স্কুল থেকে প্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষা পর্যন্ত আমাদের শিক্ষার লক্ষ্যগুলো পরিষ্কার। শিশুদের সমাজের একটি গঠনমূলক স্থানে কাজ করার যোগ্য করে তোলা এবং তাদের চাকরির উপযুক্ত করা—উভয়ই আমাদের উদ্দেশ্য। কোনো একটি নয় বরং দুটিই। দক্ষতা না থাকায় কোনো মানুষ যদি শিক্ষিত হয়েও বেকার থাকে, তবে সেই শিক্ষার কোনো মূল্য নেই। আবার তাদের যান্ত্রিক রোবট বানানোও আমাদের লক্ষ্য নয়।
- অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রাস্কিন কলেজে ভাষণ (১৮ অক্টোবর ১৯৭৬)।
- আমি মনে করি মুদ্রাস্ফীতি জয় করাই আমাদের প্রথম কাজ। আমরা তা না করা পর্যন্ত উচ্চ উৎপাদন ছাড়া প্রতিটি মজুরি বৃদ্ধি আসলে বেকারত্বের লাইনে দাঁড়ানোর একটি টিকেট। তাই আগামী ১২ মাসের জন্য ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের সাথে একটি নতুন সমঝোতায় পৌঁছানো গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের মুদ্রাস্ফীতির চক্র থেকে বের করে আনবে।
- লেবার পার্টির ওয়েলস সম্মেলনে ভাষণ (২ জুলাই ১৯৭৭)। দ্য টাইমস (৪ জুলাই ১৯৭৭), পৃষ্ঠা ২।
- ৫ শতাংশই চূড়ান্ত এবং আমি ইউনিয়নগুলোকে বলেছি তাদের কাছে সব অস্ত্র আছে। আমরা তাদের উপস্থিতিতে অসহায় এবং আমাদের তাদের সহযোগিতা প্রয়োজন।
- ক্যাবিনেট মিটিংয়ে বেতন সংক্রান্ত মন্তব্য (২০ জুলাই ১৯৭৮)।
- হাউস অব কমন্স যেহেতু তার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে, তাই এখন আমরা জনগণের কাছে আমাদের বিষয়টি নিয়ে যাব।
- হাউস অব কমন্সে ভাষণ (২৮ মার্চ ১৯৭৯)। অনাস্থা প্রস্তাবে এক ভোটে হেরে যাওয়ার পর ক্যালাহান সাধারণ নির্বাচন ডাকার ঘোষণা দেন।
- রাজনীতিতে মাঝেমধ্যে পরিবর্তন আসে, সম্ভবত প্রতি ৩০ বছরে একবার। তখন আপনি কী বলছেন বা কী করছেন তা কোনো বড় বিষয় নয়। জনগণ কী চায় এবং কী অনুমোদন করে তার ওপর ভিত্তি করেই এই পরিবর্তন ঘটে। আমার ধারণা মার্গারেট থ্যাচারের মাধ্যমে এখন সেই পরিবর্তন আসছে।
- ১৯৭৯ সালের সাধারণ নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য। কেনেথ মর্গান, ক্যালাহান: আ লাইফ (১৯৯৭), পৃষ্ঠা ৬৯৭।
প্রধানমন্ত্রী পরবর্তী জীবন
[সম্পাদনা]- আমি আপনাকে বলছি আসলে কী হয়েছিল। আমরা নির্বাচনে হেরেছি কারণ মানুষের ডাস্টবিন পরিষ্কার হয়নি, রেল ধর্মঘটে যাত্রীরা ক্ষুব্ধ ছিল আর শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর ক্ষমতা অনেক বেড়ে গিয়েছিল। ব্যস, এইটুকুই।
- টনি বেনকে বলা মন্তব্য (৯ মে ১৯৭৯)। টনি বেন, কনফ্লিক্টস অব ইন্টারেস্ট (১৯৯০), পৃষ্ঠা ৪৯৯।
- ব্রিটেনের একতরফা নিরস্ত্রীকরণ আমাদের দেশের স্বার্থের পরিপন্থী। এটি ন্যাটোর কাঠামো দুর্বল করতে পারে এবং ইউরোপের স্থিতিশীলতা বিপন্ন করতে পারে।
- দ্য গার্ডিয়ান (১৯ নভেম্বর ১৯৮২)।
- ফ্রাঙ্কস রিপোর্ট ৩৩৮টি অনুচ্ছেদে একটি চমৎকার ছবি এঁকেছে, যেখানে আলো ও ছায়ার খেলা ছিল। কিন্তু ৩৩৯ নম্বর অনুচ্ছেদে এসে ফ্রাঙ্কস যেন এক বালতি চুন ঢেলে দিয়ে সেই ছবি সাদা করে দিয়েছেন।
- হাউস অব কমন্সে ভাষণ (২৬ জানুয়ারি ১৯৮৩)। ফকল্যান্ড যুদ্ধের আগের গোয়েন্দা তথ্য সংক্রান্ত ফ্রাঙ্কস ইনকোয়ারির জবাবে।
- নেতাকে বিশেষজ্ঞের উপদেশের বিরুদ্ধে যাওয়ার সাহস রাখতে হবে।
- দ্য হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউ (১ নভেম্বর ১৯৮৬)।
- একজন নেতাকে সংগতিপূর্ণ বা অবিচল 'দেখাতে' হয়। এর মানে এই নয় যে তাকে সব সময় অবিচলই থাকতে হবে।
- দ্য হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউ (১ নভেম্বর ১৯৮৬)।
ভুলভাবে আরোপিত উক্তি
[সম্পাদনা]- সত্য জুতো পরার আগেই মিথ্যা পৃথিবীর অর্ধেকটা ঘুরে আসে।
- যদিও ক্যালাহান ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর হাউস অব কমন্সে এটি বলেছিলেন, তবে এটি আসলে ১৯শ শতাব্দীর যাজক চার্লস স্পারজিয়নের একটি বক্তব্যের সারসংক্ষেপ। ক্যালাহান এটি ব্যবহারের অনেক আগেই ১৯৩৯ সাল থেকে এই রূপে প্রচলিত ছিল।
ক্যালাহান সম্পর্কে উক্তি
[সম্পাদনা]- জিম ক্যালাহান একজন শক্তিশালী প্রতিপক্ষ ছিলেন, যিনি বিতর্কে আমাকে হারিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখতেন। অন্য কোনো পরিস্থিতিতে তিনি একজন সফল প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন। তিনি দলীয় ব্যবস্থাপনায় দক্ষ ছিলেন। আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও আমি সব সময় তাকে শ্রদ্ধা করতাম কারণ আমি জানতাম তিনি গভীর দেশপ্রেম দ্বারা উদ্বুদ্ধ ছিলেন।
- মার্গারেট থ্যাচার, ২০০৫।
- তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে সামাজিক অবস্থা কোনো ব্যক্তির জীবনে বড় প্রভাব ফেললেও সেই ব্যক্তিই তার নিজের জীবনের জন্য দায়ী। তিনি নিজেই তার প্রমাণ ছিলেন। তিনি আইন-শৃঙ্খলার বিষয়ে মোটেও নমনীয় ছিলেন না; বরং উল্টোটি ছিলেন। তিনি ঠিকই বুঝতে পেরেছিলেন যে লিবারেলিজম বা উদারপন্থা সবসময় অপরাধ বৃদ্ধির সঠিক উত্তর নয়। অর্থাৎ অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো—যা কিছুটা পুরনো আমলের বিষয় মনে হতে পারে—তিনি সেটিকে আধুনিক সমস্যার সমাধান হিসেবে দেখেছিলেন।
- টনি ব্লেয়ার, ২০০৭।
- আমার মতে ক্যালাহান অ্যাটলির পর ব্রিটেনের যুদ্ধ পরবর্তী সেরা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দেশের সেবা করা ছাড়া তার আর কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল না। সরকারের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা এবং আইএমএফের সাথে আলোচনার জন্য যে রাজনৈতিক দক্ষতা প্রয়োজন ছিল তা তার মধ্যে পূর্ণমাত্রায় ছিল।
- ডেনিস হিলি, ১৯৮৯।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় জেমস ক্যালাহান সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।
বিষয়শ্রেণীসমূহ:
- ইংল্যান্ডের রাজনীতিবিদ
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী
- ইংল্যান্ডের অর্থনীতিবিদ
- ১৯১২-এ জন্ম
- ২০০৫-এ মৃত্যু
- ব্রিটিশ পিয়ার
- গণতান্ত্রিক সমাজতান্ত্রিক
- লেবার পার্টির রাজনীতিবিদ
- নাবিক
- পোর্টসমাউথের ব্যক্তি
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র সচিব
- ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি
- চ্যান্সেলর অব দ্য এক্সচেকার
- যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব
- স্নায়ুযুদ্ধের ব্যক্তি