ঝুম্পা লাহিড়ী
অবয়ব

নীলাঞ্জনা সুদেষ্ণা "ঝুম্পা" লাহিড়ী (জন্ম: ১১ জুলাই ১৯৬৭) একজন ভারতীয়-মার্কিন ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার এবং পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী।
| এটি লেখক সম্পর্কিত একটি অসম্পূর্ণ পাতা। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে সহায়তা করতে পারেন। |
উক্তি
[সম্পাদনা]- অশোক নিজের হাতে থাকা বইটি খোলার সুযোগ নিয়ে বলল, "আমার দাদু সবসময় বলেন, বই তো এই জন্যই। এক ইঞ্চিও না নড়ে ভ্রমণ করার জন্য।"
- দ্য নেমসেক, (২০০৩) পৃষ্ঠা ১৬।
- (ব্যক্তিগতভাবে এবং আপনার নিজের লেখার অনুপ্রেরণা হিসেবে কোন অভিবাসী সাহিত্য আপনার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?) আমি জানি না "অভিবাসী সাহিত্য" শব্দটি দিয়ে আসলে কী বোঝায়। লেখকদের সবসময় তাদের ফেলে আসা জগৎ নিয়ে লেখার প্রবণতা থাকে। অনেক লেখকই নিজের ইচ্ছা, প্রয়োজন বা পরিস্থিতির কারণে তাদের জন্মস্থান থেকে পৃথিবীর অন্য কোনো প্রান্তে বসবাস শুরু করেন। এরপর তারা সেসব অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখেন। কিছু বইকে অভিবাসী সাহিত্য বলা হলে বাকিগুলোকে আমরা কী বলব? দেশীয় সাহিত্য? নাকি পিউরিটান সাহিত্য? এই পার্থক্যটি আমার কাছে যুক্তিযুক্ত মনে হয় না। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের দিকে তাকালে সব মার্কিন সাহিত্যকেই অভিবাসী সাহিত্য হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা যেতে পারে। হথর্ন অভিবাসীদের নিয়ে লেখেন। উইলা ক্যাথারও তা-ই করেন। সাহিত্যের শুরু থেকেই কবি ও লেখকেরা সীমানা পেরিয়ে যাওয়া, ঘুরে বেড়ানো, নির্বাসন এবং পরিচিত গণ্ডির বাইরের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে তাদের গল্প সাজিয়েছেন। মহাকাব্য ও উপন্যাসে অপরিচিত ব্যক্তি হলো একটি আদর্শ চরিত্র। বিচ্ছিন্নতা এবং মানিয়ে নেওয়ার মধ্যকার টানাপোড়েন সবসময়ই একটি মূল বিষয় হিসেবে থেকেছে।
- সাক্ষাৎকার (২০১৩)
- তবুও আমি জানি, নিজেকে প্রকাশ করার মানে হলো অন্যরকম হওয়া। লেখকের কণ্ঠস্বর একেবারেই একক ও নিঃসঙ্গ। যেকোনো ভাষায়, যেকোনো উপায়ে, যেকোনো পোশাকে নিজেকে প্রকাশ করার স্বাধীনতাই হলো শিল্প।
- দ্য ক্লোথিং অব বুকস (২০১৬)
- বই আমাদের জীবনের বিভিন্ন অধ্যায়, নির্দিষ্ট আদর্শ, বিশ্বাসের ভুল এবং ভালোবাসার মুহূর্তগুলোর প্রতীক হয়ে ওঠে। পথচলার সময়ে সেগুলো আমাদের দাগ, কলঙ্ক এবং নির্দোষ নির্যাতনের চিহ্ন সংগ্রহ করে। আমাদের ত্বকের বলিরেখার মতো বইগুলোও তাদের মলাট ও বাঁধাইয়ে আমাদের অভিজ্ঞতার ছাপ ধারণ করে।
- দ্য ক্লোথিং অব বুকস (২০১৬)
- নিপুণভাবে সাজানো কিছু শব্দের মাধ্যমে সময়কে থামিয়ে দেওয়া নিশ্চিতভাবেই একটি জাদুকরী ব্যাপার। এটি একটি জায়গা, একজন মানুষ বা কোনো পরিস্থিতিকে তার সমস্ত বৈশিষ্ট্য ও মাত্রাসহ ফুটিয়ে তুলতে পারে। বাস্তব মানুষ ও জিনিসের মতোই এটি আমাদের গভীরভাবে প্রভাবিত ও পরিবর্তন করতে পারে।
- ফেইডন রচিত এভরি ডে আ ওয়ার্ড সারপ্রাইজেস মি অ্যান্ড আদার কোটস বাই রাইটার্স (২০১৮) বইয়ে উদ্ধৃত (তথ্যসূত্রসহ)
ঝুম্পা লাহিড়ী সম্পর্কে উক্তি
[সম্পাদনা]- দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত লেখকদের ইংরেজিতে লেখার প্রতি এত দ্রুত আগ্রহ বাড়তে দেখে আমি অবাক। তারা ভারতে বা দক্ষিণ এশিয়ার অন্য কোথাও বসবাস করতে পারেন। আবার তারা এখানে বসবাসরত প্রবাসী লেখকও হতে পারেন। অথবা তারা ঝুম্পা লাহিড়ী ও আমার মতো অভিবাসী মার্কিন লেখকও হতে পারেন। এই ধরনের লেখকদের সম্প্রদায়ের আকার এবং তাদের তৈরি করা কাজের পরিমাণ খুব দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।
- ব্র্যাডলি সি. এডওয়ার্ডস সম্পাদিত কনভারসেশনস উইথ ভারতী মুখোপাধ্যায় (২০০৯) বইয়ে দেওয়া ২০০৭ সালের সাক্ষাৎকার
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় ঝুম্পা লাহিড়ী সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।
উইকিমিডিয়া কমন্সে ঝুম্পা লাহিড়ী সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে।