টমাস ট্রান্সট্রোমার
অবয়ব

টোমাস ইয়োস্তা ট্রান্সট্রোমার ( ১৫ এপ্রিল ১৯৩১ – ২৬ মার্চ ২০১৫) ছিলেন একজন সুয়েডীয় লেখক, কবি, অনুবাদক এবং ২০১১ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।
উক্তি
[সম্পাদনা]ফোর লেভান্দে ও দোদো (জীবিত এবং মৃতদের জন্য) ১৯৯৬
[সম্পাদনা]- অনুবাদে: ইয়োহানা ব্যাংকিয়ার, রবার্ট ব্লাই, স্যামুয়েল চার্টার্স, রবিন ফুলটন এবং ম্যালেনা মোরলিং
- তবে বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনের চেয়ে বাষ্পীয় ইঞ্জিনের প্রতি আমার আগ্রহ ছিল বেশি। অন্য কথায়, আমি কারিগরি হওয়ার চেয়ে বেশি রোমান্টিক ছিলাম।
- ২৯.
- আমি যে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সবচেয়ে কাছাকাছি ছিলাম তা হলো লিনিয়ান: আবিষ্কার করা, সংগ্রহ করা এবং পরীক্ষা করা।
- ৩০.
- আমরা আসলে নিজেদের যতটা বয়স, তার চেয়ে সবসময় বেশি তরুণ মনে করি। একটি গাছ যেমন তার প্রতিটি বলয়কে নিজের ভেতরে ধারণ করে, আমিও তেমনি আমার ভেতর আমার ফেলে আসা সময়ের সব কটি রূপ বহন করি। সেই সব রূপের সমষ্টিই তো আমি। আয়না হয়তো শুধু আমার বর্তমান চেহারাটাই দেখতে পায় কিন্তু আমি তো জানি আমার আগের সব রূপের কথা।
- ৪০.
- বিদ্যালয় নিয়ে আমার সামগ্রিক অভিজ্ঞতা ছিল অম্লমধুর, যেখানে ইতিবাচক দিকের চেয়ে নেতিবাচক অভিজ্ঞতাই বেশি ছিল। ঠিক এই অভিজ্ঞতার আলোকেই সমাজ সম্পর্কে আমার বর্তমান ধারণা তৈরি হয়েছে।
- ৪২.
যেমন শৈশবে কোনো এক গভীর আঘাত,
তোমার মাথার ওপর টেনে দিয়েছিল একটি থলির আবরণ—
যার বুননের ফাঁক দিয়ে রোদের ঝিলিক দেখা যেত,
আর চেরি গাছগুলোর গুঞ্জন ভেসে আসত।কিন্তু কিছুতেই আর কাজ হয় না, সেই বিশাল ক্ষত
তোমার মাথা, শরীর আর হাঁটু অবধি গ্রাস করে নেয়।
যদিও তুমি মাঝেমধ্যে একটু নড়েচড়ে ওঠো,
কিন্তু বসন্ত আর কোনো আনন্দ নিয়ে আসে না।হ্যাঁ, সেই উজ্জ্বল পশমী টুপিটা তোমার মুখের ওপর টেনে দাও,
তাকাও এর সূক্ষ্ম জালের মধ্য দিয়ে।
উপসাগরের বুকে জলের বলয়গুলো নিঃশব্দে বড় হচ্ছে,
আর সবুজ পাতারা ঢাকছে ধরনীকে।- অ্যাজ হোয়েন ইউ ওয়্যার আ চাইল্ড।
সিলেক্টেড পোয়েমস, রবার্ট হ্যাস সম্পাদিত, ১৯৮৭ হার্পারকলিন্স
[সম্পাদনা]- মাটির ওপর,
গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বন্যায়, পৃথিবীর সবুজ চাদর
হাত তুলে দাঁড়িয়ে আছে, যেন কোনো অদৃশ্য পিস্টনের
স্পন্দন শোনার অপেক্ষায়।- পৃ. ৩.
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় টমাস ট্রান্সট্রোমার সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।