বিষয়বস্তুতে চলুন

তানজিলা খান

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে
তানজিলা খান

তানজিলা খান (জন্ম: ১৯৯০) একজন পাকিস্তানি উদ্যোক্তা, প্রতিবন্ধী অধিকার কর্মী, লেখিকা এবং ‘গার্লিথিংস পিকে’-এর প্রতিষ্ঠাতা। এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম ও ওয়েবসাইট যার মাধ্যমে পাকিস্তানে যেসব ঋতুবতী নারীরা বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হন, তাদের কাছে স্যানিটারি ন্যাপকিন পৌঁছে দেওয়া হয়। তানজিলা খান সব ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সুযোগ তৈরির ওপর জোর দেন। তিনি প্রজনন স্বাস্থ্য ও শিক্ষার প্রসারেও কাজ করেন, বিশেষ করে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য। বিশ্বজুড়ে তিনি বহু বক্তৃতা দিয়েছেন, দুটি উপন্যাস লিখেছেন, ‘ফ্রুটচাট’ নামে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেছেন এবং প্রতিবন্ধীতা বিষয়ক সামাজিক ট্যাবু দূর করতে দুটি সংস্থা পরিচালনা করেন।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • পাকিস্তানের প্রতিবন্ধী ও নারী অধিকার কর্মী খান বলেছেন, “আমি কান্নাকাটির গল্প বা দুঃখজনক ঘটনা পছন্দ করি না। আমি বলছি না যে এগুলোর অস্তিত্ব নেই – আমাদের সবাইকেই প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয় – তবে আমি মনে করি সমস্যা সমাধানের জন্য আমাদের আরও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন। আমি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আরও ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করতে চেয়েছিলাম।”
  • আমি যখন পৃথিবীর দিকে তাকালাম, তখন নিজের জন্য কোনো জায়গা দেখতে পাইনি। টিভি সিরিজেও না, যখন বই পড়তাম তখনও না... প্রতিবন্ধী মানুষদের হয়ে কথা বলার মতো বা তাদের তুলে ধরার মতো কেউ ছিল না। আমি তখন ঠিক করলাম, ‘আমি নিজেই সেই জায়গাটা তৈরি করব।’
  • আমার মনে হয়, এই প্ল্যাটফর্মগুলোতে আমাদের পাকিস্তানি বা দক্ষিণ এশীয় দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা দরকার, কারণ পশ্চিমা ধারণাগুলো এখানে বেশি জায়গা পায়। এর মানে এই নয় যে অন্যান্য দেশের নারীরা কষ্ট পাচ্ছেন না। বরং অনেক সময়ই তারা যেখানে তাদের আওয়াজ তুলতে পারেন সেইসব বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে জানেন না। প্রতিনিধিত্ব করার মাধ্যমে আমরা আমাদের এই অঞ্চল নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি দূর করতে পারি। সেই সাথে যারা নিজেদের স্বার্থে পাকিস্তানকে শোষণ করে আর ক্রমাগত পাকিস্তানকে করুণার জায়গা হিসেবে দেখায় সেইসব সংস্থার মুখোশও খুলে দিতে পারি।
  • দুনিয়ায় চলা শুরু করলেই আপনাকে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীদের জন্য সুবিধাজনক এবং লিফট আছে, এমন স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন। তাই আমাকে আগে প্রতিষ্ঠান বেছে নিতে হয়েছে, তারপর পড়ার বিষয়। এই পৃথিবীতে নিজেকে নিজের মতো করে মেলে ধরাই সবচেয়ে বড় সাফল্য।