ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০২৬
অবয়ব
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সদস্যদের নির্বাচনের জন্য ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য একটি সাধারণ নির্বাচন। এই নির্বাচন বাংলাদেশের পরবর্তী সরকার নির্ধারণ করবে। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে দেশ পরিচালনা করা, মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। সাধারণ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদের উপর একটি সাংবিধানিক গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।
উক্তি
[সম্পাদনা]- আগামী ১২ তারিখে নির্বাচন। এই নির্বাচনে ইনশা আল্লাহ বাংলাদেশের মানুষ আবারও ভোট দেবেন। ভোট দিয়ে তাঁদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। কিন্তু শুধু ভোট দিলেই চলবে না। আমাদের এই নির্বাচনটাকে দেশ গঠনের নির্বাচন হিসেবে চিন্তা করতে হবে। দেশটাকে গড়ে তুলতে হবে। এই দেশ যদি আমরা গড়ে তুলতে না পাড়ি, তাহলে আমরা কোথায় যাব? আমাদের যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। আমাদের প্রথম ঠিকানা বাংলাদেশ, শেষ ঠিকানা বাংলাদেশ।
- তারেক রহমান। ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নীলফামারীতে বিএনপির এক নির্বাচনী জনসভায়। [১]
- কে কী বলল, তা বিবেচ্য নয়। ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে—এর এক দিন আগে বা পরে নয়। নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে। নির্বাচনের সময় অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে। প্রশাসন থাকবে পক্ষপাতমুক্ত এবং সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।
- মুহাম্মদ ইউনূস। ২০২৬ সালের ১৩ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুক্তরাষ্ট্রের দুই সাবেক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে। [২]
- সমস্ত মুসলমানদের বলুন, তাদের (জামায়াতকে) ভোট দেওয়া জায়েজ হবে না। হারাম। আমরা উনাকে (বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরকে ইঙ্গিত করে) ভোট দিচ্ছি তা নয়, উনাকে সামনে রেখে উনার মাধ্যমে জেহাদ করছি। কার সঙ্গে; মওদুদির জামায়াতের সঙ্গে। আমি ইলেকশন-টিলেকশন বুঝি না; এটা জিহাদ। আমরা যদি কঠোরভাবে ভোট থেকে তাদের বঞ্চিত করতে না পারি, তারা যদি বাংলদেশে আসে, তাহলে ইসলামের গোড়া কেটে ফেলবে; মুসলমানের গোড়া কেটে দিবে; রগ কাটার গোষ্ঠী তারা।
- মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাজীর হাট বড় মাদ্রাসায় এক বক্তব্যে। [৩][৪][৫]
- আপনারা যদি ইসলামের পক্ষে, পবিত্র কোরআনের পক্ষে, দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেন; আপনারা কী কী কারণে সওয়াবের ভাগি হবেন—এই দেওয়ার কারণে, আপনারা আল্লাহর পক্ষে দিছেন, পবিত্র কোরআনের পক্ষে দিছেন; আপনাদের জন্য জান্নাত অবধারিত। আর আমি বলি, যারা পবিত্র কোরআনের বিরুদ্ধ ভোট দিবে, তারা গুনাহগার হবে।
- আল্লাহর কাজ বান্দা করতে চায়—নাউজুবিল্লাহ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি, কেউ কেউ বলছেন ভোট দিলে জান্নাতে যাওয়া যাবে। তাহলে আগে যারা মারা গেছেন তাদের কী হবে? একটি ভোটের জন্য যা খুশি বলা হচ্ছে—এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।
- সালাহউদ্দিন আহমেদ। ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনী জনসভায়। [৮]
- গানকে হারাম বলা দলটাও গানে গানে ভোট খুঁজছে।
- কুদ্দুস বয়াতি। ২০২৬ সালের ৯ জানুয়ারি ফেসবুক পোস্টে। [৯]
- ২৪-এর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর অনলাইন-অফলাইনে জামায়াত-শিবিরের উগ্রতা এবং জাতীয় নেতৃবৃন্দ, দেশের সর্বজনশ্রদ্ধেয় শীর্ষ আলেমদের বিরুদ্ধে মারাত্মক বিষোদগার ও নেগেটিভ মন্তব্য করে আসছে। এ ছাড়া জামায়াত সাধারণ জনগণের কাছে নিজেদের ইসলামী শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করলেও রাষ্ট্রীয় এবং কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের সেক্যুলার হিসেবে দাবি করছে ‘ এ জন্য জামায়াত জোটের প্রার্থীদের ভোট না দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতীক ধানের শীষকে সমর্থন জানান বিভিন্ন ঘরানার আলেমরা। যারা বিএনপি ও ধানের শীষকে সমর্থন করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী, বেফাক ও হাইয়্যার চেয়ারম্যান আল্লামা শায়েখ মাহমুদুল হাসান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী সভাপতি মাওলানা এ কে এম আশরাফুল হক, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান, ফুলতলী দরবার, ছারছিনার দরবার, মাইজভান্ডার দরবার, জৈনপুরের দরবারে পীর মুফতি এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী, ঢালকানগর পীর সাহেব শায়েখ আব্দুল মতিন ও মুফতি জাফর আহমদ, মুফতি মনসুরুল হক, মাওলানা শওকত হোসেন সরকার, ইসলামী ঐক্যজোট ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের দুই অংশ।
- নির্বাচনের ফলাফলের ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিষয় প্রভাবক হিসেবে কাজ করবে। এর মধ্যে জেন–জি ভোটারদের ভোট রয়েছে। মোট ভোটারের প্রায় এক–চতুর্থাংশ জেন–জি। নির্বাচনের ফলাফলে এসব ভোটারের পছন্দ–অপছন্দ যথেষ্ট গুরুত্ব পাবে।
- পারভেজ করিম আব্বাসী, সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক। [১২]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০২৬ সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।