বিষয়বস্তুতে চলুন

দিগন্ত

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে
পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী!
সুভাষচন্দ্র বসু

দিগন্ত বা দিকচক্রবাল বলতে সাধারণ দৃষ্টিতে পৃথিবী ও আকাশের সীমারেখাটিকে বোঝায়। অধিকাংশ স্থানে প্রকৃত দিগন্তরেখাটি গাছপালা, বাড়িঘর ইত্যাদির দ্বারা দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে যায়। কোনো নির্দিষ্ট একটি অবস্থান থেকে আমাদের দৃষ্টিসীমার মধ্যে যে স্থানে আকাশ এবং ভূপৃষ্ঠ সংযোগের দরুণ যে বৃত্তচাপীয় কাল্পনিক আপেক্ষিক সীমারেখা সৃষ্টি হয় তাকে দিগন্তরেখা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এটি দিকের শেষ সীমা যেখানে পৃথিবীর সীমা আকাশের সঙ্গে মিশেছে বলে মনে হয়।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে
    জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে
    শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার
    রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার
    স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি।
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নৈবেদ্য-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪
  • জনতা মনে করে তারা সবকিছু জানে ও বোঝে, কিন্তু তারা যত বোকা হয়, তাদের দিগন্ত ততই প্রসারিত বলে মনে হয়।
  • অস্তগামী সূর্য্যের আভায় সীমাহীন সমুদ্র উদ্ভাসিত প্লাবিত; তরঙ্গরাশির সহিত আলোকের ওঠা পড়ার খেলা! পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী!
    • সুভাষচন্দ্র বসু, শরৎচন্দ্র বসুকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৯
  • জনসমুদ্রে নেমেছে জোয়ার,
    হৃদয়ে আমার চড়া।
    চোরাবালি আমি দূরদিগন্তে ডাকি—
    কোথায় ঘোড়সওয়ার?
    • বিষ্ণু দে, ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১১
  • তাদের নজরে পড়ল, দূরের সেই পাহাড়ের চূড়াটার দিকে। সেখানে যেন একটা প্রকাণ্ড অগ্নিলীলা সুরু হয়েচে। রাঙা হয়ে উঠেচে সমস্ত দিগন্ত সেই প্রলয়ের আলোয়, আগুন-রাঙা মেঘ ফুঁসিয়ে উঠেচে পাহাড়ের চূড়ো থেকে দু’হাজার, আড়াই হাজার ফুট পর্য্যন্ত উঁচুতে—সঙ্গে সঙ্গে কি বিশ্রী নিঃশ্বাস রোধকারী গন্ধকের উত্‍কট গন্ধ বাতাসে!
    • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, অষ্টম পরিচ্ছেদ, চাঁদের পাহাড় - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৩
  • আমাদের যাহা কিছু উত্তম, যাহা কিছু সৎ, উদার, অপূর্ব্ব ও অনুপম, তাহা বঙ্গভাষাতে লিপিবদ্ধ করিব, বাঙ্গালার সম্পত্তি বাঙ্গালার মাতৃভাষার ভাণ্ডারেই সঞ্চিত রাখিব, স্বহস্তে দেশকে বঞ্চিত করিয়া দেশের ধন বিদেশে বিলাইয়া দিব না, এমন করিয়া ধনের উপচয় করিব—বৃদ্ধি করিব, যাহাতে জলধির জলের ন্যায় আমার মাতৃভাষার ভাণ্ডারের সঞ্চিত ধনরাশি, যে যত পারে গ্রহণ করিলেও, কদাচ ক্ষয়প্রাপ্ত হইবে না। ঊষার অরুণচ্ছটায় যেমন দিগন্ত উদ্ভাসিত হয়, তেমনই আমার মাতৃভাষার আলোকচ্ছটায় পৃথিবীর এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত আলোকিত হইবে—ভাস্বর হইবে।
    • আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, জাতীয় সাহিত্য - আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৮
  • আমরা যেমন দিগন্ত পর্যন্ত সমুদ্রে প্রসারিত দেখিতে পাই, কিন্তু সমুদ্রের সীমা সেই খানেই নয়, তাহা অতিক্রম করিয়াও সমুদ্র আছে; তেমনি আমরা যাহাকে স্তব্ধতার দিগন্ত বলি, তাহার পরপারেও শব্দের সমুদ্র আছে, তাহা আমাদের শ্রবণের অতীত।
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বধিরতার সুখ, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৪
  • একটু তোরা বোস্ না রে।
    দিগন্তে ঐ দুর সীমানায়
    খোলা মাঠের কানায় কানায়
    দুধের যেন বান ডাকে আজ
    ঝল‍্মলানো রোশনারে,—
    • সুনির্মল বসু, ফিনিক-ফোটা জ্যোৎস্নাতে, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
  • পাহাড়ের চারপাশের বাতাস প্রতিধ্বনিত, পূজনীয়, কিংবদন্তিতুল্য, নিষিদ্ধ। পাহাড়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। আত্মার গভীরে পাহাড়ের এক বিশেষ স্থান রয়েছে। এটি এমন কিছুর দিগন্ত যা ক্রমাগত দূরে সরে যায়। এটি এক অনন্ত দিগন্তের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে।
    • দ্য নাভেল অফ লিম্বো, এরপর দি নার্ভ-ওয়েজার এবং অন্যান্য রচনা, আন্তোনিন আর্তো, গ্যালিমার্ড, সংকলন "পোয়েট্রি/গ্যালিমার্ড", ১৯৫৬, অংশ দি নাভেল অফ লিম্বো, "একটি শারীরিক অবস্থার বর্ণনা", পৃ. ৬৬
  • দেখিছে লুটায় ঢেউ, আবার লুটায়
    দিগন্তে খেলায়ে পুনঃ দিগন্তে মিলায়।
    দেখে শূন্য নেত্রতুলি—খণ্ডখণ্ড মেঘগুলি
    জ্যোছনা মাখিয়া গায়ে উড়ে উড়ে যায়।
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, চতুর্থ সর্গ, বন-ফুল - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- গুপ্তপ্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দ (১২৮৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৩
  • আমরা বন্দী থাকবো না তোমাদের পকেটে পকেটে,
    আমরা বেরিয়ে পড়ব, আমরা ছড়িয়ে পড়ব
    শহরে, গঞ্জে, গ্রামে—দিগন্ত থেকে দিগন্তে।
    • সুকান্ত ভট্টাচার্য, দেশলাই কাঠি, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫-৫৬
  • সমুদ্রের ধারের জমিতেই নারিকেলের সহজ আবাস। আমাদের আশ্রমের মাঠ সেই সমুদ্রকূল থেকে বহুদূরে। এখানে অনেক যত্নে একটি নারিকেলকে পালন করে তোলা হয়েছে- সে নিঃসঙ্গ, নিষ্ফল, নিস্তেজ। তাকে দেখে মনে হয়, সে যেন প্রাণপণে ঋজু হয়ে দাঁড়িয়ে দিগন্ত অতিক্রম করে কোনো-এক আকাঙ্ক্ষার ধনকে দেখবার চেষ্টা করছে।
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নবীন, বনবাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৯
  • আলবার্ট আইনস্টাইনের কাজের মাধ্যমে মানবজাতির দিগন্ত অসীমভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং একই সাথে, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি এমন এক পূর্ণতা ও সামঞ্জস্য লাভ করেছে যা পূর্বে কেবলই একটি স্বপ্ন ছিল।
    • নিলস বোর, নিউ ইয়র্ক টাইমস, ১৯ এপ্রিল, ১৯৫৫, পাইস-এর আই ট্রাস্ট মাই ইনটুইশন, হাইডেলবার্গ, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত, যা আবার অ্যালিস ক্যালাপ্রাইস (সম্পাদিত): আইনস্টাইন সেজ, পাইপার-ভারলাগ, মিউনিখ, জুরিখ ১৯৯৬, আইএসবিএন ৩-৪৯২-০৩৯৩৫-৯, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত।
  • রানার চলেছে, রানার!
    রাত্রির পথে পথে চলে কোনো নিষেধ জানে না মানার।
    দিগন্ত থেকে দিগন্তে ছোটে রানার—
    কাজ নিয়েছে সে নতুন খবর আনার।
    • সুকান্ত ভট্টাচার্য, রানার, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬
  • তোমার জগৎ-জমিদারীর সীমা বাড়াইতে আরম্ভ কর। আফিসের দেয়াল অতিক্রম করিয়া দিগন্ত পর্য্যন্ত লইয়া যাও, দিগন্ত অতিক্রম করিয়া সমস্ত পৃথিবী পর্যন্ত বেষ্টন কর, পৃথিবী অতিক্রম করিয়া জ্যোতিষ্ক মণ্ডলে যাও এবং সমস্তু জগৎ অতিক্রম করিয়া অসীমের দিকে সীমা অগ্রসর করিতে থাক।
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জগতের জমিদারী, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৭-১২৮
  • একজন বিশিষ্ট নেতা ডা. আলম একদিন কলিকাতায় যতীন্দ্রনাথের কথা বলিতে গিয়া আমাদের বলিয়াছিলেন যে সূর্য পূর্ব দিগন্তে উদিত হইয়া পশ্চিম দিগন্তে অস্ত যায় এবং সূর্যাস্তের পর চন্দ্র পশ্চিম দিগন্তে উদিত হইয়া পূর্ব দিগন্তের দিকে অগ্রসর হয়। যতীনের জীবন ও মৃত্যুকে ইহার সঙ্গে তুলনা করা চলে।
    • সুভাষচন্দ্র বসু, তরুণের আহ্বান - সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- জয়শ্রী প্রকাশন, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৯
  • চোরাবালি ডাকি দূর দিগন্তে
    কোথায় পুরুষকার?
    হে প্রিয় আমার, প্রিয়তম মাের!
    আয়ােজন কাঁপে কামনার ঘোর,
    অঙ্গে আমার দেবে না অঙ্গীকার?
    • বিষ্ণু দে, ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১২
  • মৃত্যুর কথা অনেকবার মনে হল। চারিদিকেই ত মৃত্যু, দিগন্ত থেকে দিগন্ত পর্য্যন্ত মৃত্যু—আমার প্রাণ এর মধ্যে এতটুকু। এই অতি ছোটটার উপরেই কি সমস্ত আস্থা রাখব, আর এই এত বড়টাকে কিছু বিশ্বাস করব না?―বড়র উপরে ভরসা রাখাই ভাল।
  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জাপান-যাত্রী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩২৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮
  • তারপর জীবনের ফাটলে-ফাটলে
    কুয়াশা জড়ায়,
    কুয়াশার মতো কথা হৃদয়ের দিগন্তে ছড়ায়।
    • প্রেমেন্দ্র মিত্র, কথা, প্রেমেন্দ্র মিত্রের সমগ্র কবিতা, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- গ্রন্থালয় প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ৮ মে ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ (২৫ বৈশাখ ১৩৯৬বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৯
  • সূর্য্য আজ মেঘের মধ্যেই উঠিয়াছে, মেঘের মধ্যেই অস্ত গেল। কখন যে দিনের অবসান হইল, ও সন্ধ্যার আরম্ভ হইল বুঝা গেল না। বিকালের দিকে পশ্চিমের মুখে একটুখানি সােনার রেখা ফুঠিয়াছিল, কিন্তু দিন শেষ হতে না হইতেই মিলাইয়া গেল। আঁধারের উপর আঁধার ঘনাইতে লাগিল। দিগন্ত হইতে দিগন্ত আচ্ছন্ন হইয়া গেল।
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বৌ-ঠাকুরাণীর হাট, পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ, বৌ-ঠাকুরাণীর হাট - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৫
  • হে অভুক্ত ক্ষুদিত শ্বাপদ—
    তোমার উদ্যত থাবা, সংঘবদ্ধ প্রতিটি নখর
    এখনো হয় নি নিরাপদ।
    দিগন্তে দিগন্তে তাই ধ্বনিত গর্জন
    তুমি চাও শোণিতের স্বাদ—
    যে স্বাদ জেনেছে স্তালিনগ্রাদ।
    • সুকান্ত ভট্টাচার্য, চট্টগ্রাম: ১৯৪৩, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬০

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]