নগেন্দ্রবালা মুস্তোফী
অবয়ব
নগেন্দ্রবালা মুস্তোফী, সরস্বতী, (বিবাহের পূর্বে নগেন্দ্রবালা সরকার) (১৮৭৮ - ১৯০৬) ছিলেন ঊনবিংশ শতকের বাংলার মহিলা কবি ও প্রাবন্ধিক। তিনি বিয়ের পর নিজের চেষ্টায় ইংরাজী, ওড়িয়া ও সংস্কৃত ভাষা শেখেন এবং বারো বছর বয়স থেকে কবিতা রচনা শুরু করেন। ‘নব্যভারত’, ‘সাহিত্য’, ‘বামাবোধিনী’, ‘বীরভূম’, ‘পূর্ণিমা’, ‘জন্মভূমি’ প্রভৃতি পত্র-পত্রিকায় নিবন্ধ লিখতেন। তার রচিত গ্রন্থগুলি হলো: মর্ম্মগাথা (কাব্য)(১৮৯৬), প্রেম-গাথা (কাব্য) (১৮৯৮), নারীধর্ম্ম (সন্দর্ভ) (১৯০০), অমিয়গাথা (কাব্য) (১৯০২), ব্রজগাথা (কাব্য) (১৯০২), ধবলেশ্বর (কাব্য) (১৯০৩, গার্হস্থ্যধর্ম্ম (সন্দর্ভ) (১৯০৪), বসন্ত গাথা (কাব্য) (১৯০৫), কণা (কাব্য) (১৯০৫), কুসুম গাথা (কাব্য) (১৯০৫), এবং সতী (সামাজিক উপন্যাস)(১৯০৬)।
উক্তি
[সম্পাদনা]- শুধু চাই দাও ঠাঁই তোমার ও পায়।
জগতের কিছু হায়,
এ প্রাণ নাহিক চায়,
ভুগেছি অনেক ভোগ এ পোড়া ধরায়।
তাই আজ মাগি ঠাঁই ও রাতুল পায়!- কাজনাই, অমিয়গাথা - নগেন্দ্রবালা মুস্তোফী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল ১৯০১ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯
- বল অয়ি বরাননে বাসনা তোমার!
মানবের সনে তুমি কেন একাকার?
স্বর্গীয় ললনা তুমি,<brতোমার চরণ চুমি,
হতাশ জীবনে আশা জাগে শতবার।- মায়া, অমিয়গাথা - নগেন্দ্রবালা মুস্তোফী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০১ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫২
- বুঝেনা মানব হায়, মানব ধরম,—
সংসারের ক্ষুদ্র কার্য্য সাধনের তরে—
ভাবে বিশ্ব লভেছে গো উহারা জনম।
বুঝেনা যে কি দেবত্ব ওই হৃদি পরে।- বাল-বিধবা, অমিয়গাথা - নগেন্দ্রবালা মুস্তোফী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০১ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৮
- প্রভু বিনা কিবা ফল বহিয়া জীবন,―
সে পদ আঁকিয়া বুকে,
সাগরে ডুবিব সুখে,
প্রভু বিনা রাজ্যভোগে কিবা প্রয়োজন!- বিহবল প্রতাপরুদ্র, অমিয়গাথা - নগেন্দ্রবালা মুস্তোফী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০১ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৮
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিসংকলনে নগেন্দ্রবালা মুস্তোফী রচিত অথবা সম্পর্কিত রচনা রয়েছে।
উইকিপিডিয়ায় নগেন্দ্রবালা মুস্তোফী সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।