পিটার আগ্রি
অবয়ব

পিটার আগ্রি (জন্ম: ৩০ জানুয়ারি ১৯৪৯) একজন মার্কিন চিকিৎসক, নোবেল বিজয়ী এবং আণবিক জীববিজ্ঞানী। এছাড়াও তিনি জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথ ও জনস হপকিন্স স্কুল অব মেডিসিনের ব্লুমবার্গ সম্মানিত অধ্যাপক এবং জনস হপকিন্স ম্যালেরিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক। ২০০৩ সালে আগ্রি ও রডরিক ম্যাকিনন "কোষ ঝিল্লির নালী সম্পর্কিত আবিষ্কারের" জন্য যৌথভাবে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
উক্তি
[সম্পাদনা]- নোবেল পুরস্কার হলো শুধু শুরু: ভবিষ্যতে আরও বিজ্ঞান অপেক্ষা করছে।[১]
- একবিংশ শতাব্দীতে রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের মধ্যে পার্থক্য অনেকটাই কমে গেছে। রেনেসাঁ যুগের মতোই এখন বিজ্ঞানীরা তাদের কৌতূহল অনুসরণ করেন, এমনকি তা তাদের আনুষ্ঠানিক শিক্ষার সীমার বাইরে হলেও।
- নোবেল ভোজসভায় পিটার আগ্রির ভাষণ, ১০ ডিসেম্বর, ২০০৩
- জনসাধারণের মধ্যে সাধারণ বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি এবং বৈজ্ঞানিক নিরক্ষরতার শাস্তিও আগের চেয়ে কঠোর… বিজ্ঞানের মৌলিক জ্ঞানের অভাবে মানুষ রাসায়নিক পদার্থের বিষাক্ততা, ওষুধের কার্যকারিতা এবং বৈশ্বিক জলবায়ুর পরিবর্তনের মতো বিষয়ে নির্বোধ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।
- নোবেল ভোজসভায় পিটার আগ্রির ভাষণ, ১০ ডিসেম্বর, ২০০৩
- বৈজ্ঞানিক অজ্ঞতার বিরুদ্ধে আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিরক্ষা হলো শিক্ষা এবং প্রত্যেক বিজ্ঞানীর জীবনের শুরুতে শিশুর প্রথম আগ্রহের স্ফুলিঙ্গটি একজন শিক্ষকের দ্বারাই প্রজ্বলিত হয়।
- নোবেল ভোজসভায় পিটার আগ্রির ভাষণ, ১০ ডিসেম্বর, ২০০৩
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় পিটার আগ্রি সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।
- ↑ চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুষদের খবর, “চিলি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘কাসা দে বেল্লো’ থেকে।”১৪ মার্চ ২০১৩