বিষয়বস্তুতে চলুন

পিটার হিগস

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে
২০০৯ সালে পিটার হিগস

পিটার ওয়্যার হিগস এফআরএস এফআরএসই (২৯ মে ১৯২৯ – ৮ এপ্রিল ২০২৪) ছিলেন একজন ব্রিটিশ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী এবং এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন এমেরিটাস অধ্যাপক। তিনি ১৯৬০-এর দশকে তড়িৎ-দুর্বল তত্ত্বে ‘ব্রোকেন সিমেট্রি’ বা প্রতিসাম্য ভাঙনের প্রস্তাবনার জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত, যা সাধারণভাবে মৌলিক কণাসমূহ এবং বিশেষভাবে ডব্লিউ ও জেড বোসনের ভরের উৎস ব্যাখ্যা করে। এই তথাকথিত ‘হিগস প্রক্রিয়া’, যার হিগস ছাড়াও আরও বেশ কয়েকজন উদ্ভাবক ছিলেন, একটি নতুন কণার অস্তিত্বের কথা বলে যা হলো হিগস বোসন (একে প্রায়শই "আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত কণা" হিসেবে বর্ণনা করা হয়)।

তথ্যসূত্রসহ উক্তি

[সম্পাদনা]
  • এই গ্রীষ্মে আমি সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় একটি জিনিস আবিষ্কার করেছি।
    • ১৯৬৪ সালে ভরের উৎস হিসেবে একটি কণার প্রস্তাবনা দেওয়ার পর তাঁর এক সহকর্মীকে লেখা চিঠি থেকে; সায়েন্স স্কটল্যান্ড, সংখ্যা ৩-এর ‘দ্য হান্ট ফর দ্য হিগস বোসন’ নিবন্ধে উদ্ধৃত।
  • আপনি যখন কোয়ান্টাম ফিল্ড থিওরি বা কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তত্ত্বে একটি শূন্যস্থানের দিকে তাকান, সেটি আদতে মোটেও 'কিছু না' এমন নয়।
  • পটভূমি ক্ষেত্রগুলো যেভাবে ভর তৈরি করে, তা অনেকটা কাঁচ বা জলের মতো কোনো স্বচ্ছ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে আলো যাওয়ার সময় ধীর হয়ে যাওয়ার মতো। তখন এটি আর আলোর মৌলিক গতিবেগ c নিয়ে চলে না। ভর সৃষ্টির বিষয়টি এভাবেই চিন্তা করা উচিত।
    • সার্ন কর্তৃক নির্মিত ভিডিও ‘মিট পিটার হিগস’-এ (জুলাই ২০০৪)।
  • আসলে কী ঘটেছিল তা নিয়ে এক ধরণের পৌরাণিক কাহিনী তৈরি হয়, যা বাস্তব ঘটনার চেয়ে বেশ আলাদা।
  • এটি আসলে বোঝার বিষয়! জগতকে বুঝতে পারার বিষয়!
    • কেন তিনি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করতে আগ্রহী হলেন তার ব্যাখ্যায়; ইয়ান স্যাম্পল কর্তৃক ‘দ্য গড অফ স্মল থিংস’, দ্য গার্ডিয়ান (শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০০৭)-এ উদ্ধৃত।
  • এমন একটা সময় এসেছিল যখন মানুষ এমন সব কাজ করছিল যা করার দক্ষতা আমার নিজের ছিল না। আমি বিনয় দেখাচ্ছি না, সত্যি বলতে আমি খেই হারিয়ে ফেলতাম। আমি যখন যেটা শনাক্ত করতে পেরেছিলাম তা নিয়ে আমি ভাগ্যবান ছিলাম, কিন্তু এমন একটা সময় আসে যখন আপনি বুঝতে পারেন যে আপনি যা করছেন তা খুব একটা ভালো কিছু হবে না।
    • হিগস বোসন আবিষ্কারের দৌড় কেন তিনি পাশ থেকে দেখছিলেন তার ব্যাখ্যায়; ইয়ান স্যাম্পল কর্তৃক ‘দ্য গড অফ স্মল থিংস’, দ্য গার্ডিয়ান (শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০০৭)-এ উদ্ধৃত।
  • হিগস মেকানিজমের নাম পরিবর্তন করে “ABEGHHK'tH মেকানিজম” রাখা উচিত।
    • পিটার হিগস উপস্থিত ছিলেন এমন একটি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। এই নামটি মূলত সেই সব বিজ্ঞানীদের নামের আদ্যক্ষর নিয়ে গঠিত (ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন, রবার্ট ব্রাউট, ফ্রাঁসোয়া এনগ্লের্ট, জেরি গুরালনিক, ডিক হেগেন, পিটার হিগস, টম কিবল এবং জেরার্ড 'টি হুফট) যাঁরা এটি আবিষ্কার বা পুনরাবিষ্কার করেছিলেন।
  • মাঝে মাঝে সঠিক হওয়াটা খুব আনন্দের বিষয় ... এটি অবশ্যই একটি দীর্ঘ অপেক্ষা ছিল।
    • হিগস বোসন আবিষ্কারের পর একটি সংবাদ সম্মেলনে যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি তাঁর দাবির সত্যতা প্রমাণের স্বস্তি অনুভব করছেন কি না। [] []

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]