বিষয়বস্তুতে চলুন

ফতোয়া

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে

ফতোয়া (/ˈfætwɑː/; আরবি: فتوى‎; বহুবচন fatāwā ফাতাওয়া) হলো ইসলামি আইনের (শরিয়াহ) কোনো বিষয়ে একজন যোগ্য আইনবিদ কর্তৃক প্রদত্ত একটি বাধ্যতামূলক নয় এমন আইনি মতামত, যা কোনো ব্যক্তি, বিচারক বা সরকারের জিজ্ঞাসার প্রেক্ষিতে দেওয়া হয়। ফতোয়া প্রদানকারী আইনবিদকে মুফতি বলা হয় এবং ফতোয়া প্রদানের কাজটিকে ইফতা বলা হয়। ইসলামি ইতিহাস জুড়ে ফতোয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং আধুনিক যুগে এটি নতুন রূপ ধারণ করেছে।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • এক কথায়, ফতোয়া হলো কার্যত শরিয়াহর প্রয়োগ।
    • অরুণ শৌরি - ‘দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ফতোয়াস অর দ্য শরিয়া ইন অ্যাকশন’ (২০১২, হার্পার কলিন্স)।
  • “আমাদের, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের মুসলিম সমাজের অবস্থা সম্পর্কে সম্পূর্ণ সত্য বলা উচিত—উদাহরণস্বরূপ, এর ভেতরে নারীদের দুর্দশার কথা। এবং এর শিকড় – ধর্মগ্রন্থ, আইন ও চিন্তাধারার মধ্যে তা খুঁজে বের করতে দ্বিধা করা উচিত নয়। আমাদের উলামাদের [মুসলিম ধর্মীয় নেতা] এবং মৌলবাদী রাজনীতিবিদদের সামাজিক কর্মকাণ্ড নথিভুক্ত করা উচিত। আমাদের নথিভুক্ত করা উচিত উলামারা ধর্মীয় বিষয়ে নিজেরা কী বলে আসছেন এবং কী আদেশ দিচ্ছেন।... আমাদের, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের প্রতিটি বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে একটি ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থান নিতে হবে—মৌলবাদীদের মোকাবিলা করার এটিই একমাত্র উপায়, এটিই সম্প্রদায়ের কাছে বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি পৌঁছে দেওয়ার নিশ্চিত উপায়।... ফতোয়া এবং অন্যান্য বিষয় যা একজন ব্যক্তির নাগরিক অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করে, তা স্পষ্টত আইনের একটি অপরাধমূলক লঙ্ঘন; আমাদের উচিত সেগুলো সেভাবেই তুলে ধরা; এবং অন্যদের সাথে মিলে এই দাবি জানানো যে, যারা ফতোয়া ব্যবহার করে অন্যদের অধিকার পদদলিত করতে চায়, তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। একইভাবে, আমাদের সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদদের দেওয়া সেই সব ছাড় বা আপস উন্মোচন করতে হবে এবং সেগুলোকে ব্যর্থ করতে কাজ করতে হবে, যা মূলত এই প্রতিক্রিয়াশীল উপাদানগুলোকে সন্তুষ্ট করার জন্য দেওয়া হয় এবং শেষ পর্যন্ত তাদের হাতকেই শক্তিশালী করে।”
    • অরুণ শৌরি, ১৯৯৫। ‘দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ফতোয়াস (অর দ্য শরিয়া ইন অ্যাকশন)’, বোস্টম, এ. জি. (২০১৫), শরিয়া ভার্সেস ফ্রিডম-এ উদ্ধৃত।
  • অথচ আমি সংখ্যাগরিষ্ঠের রায়ে একটি মারাত্মক সরলতা দেখতে পাচ্ছি... রায়ে ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ এবং অথর্ববেদের ঘোষণাগুলো উদ্ধৃত করা হয়েছে—যেখানে সব মানুষ এক হওয়া, একই ধরিত্রী মাতার সন্তান হওয়া এবং সবার বন্ধু হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এটি লক্ষ্য করা হয়নি যে, এই ভবনের এক মাইলেরও কম দূরত্বের মধ্যে ভলিউমের পর ভলিউম ফতোয়া বিক্রি এবং বিতরণ করা হচ্ছে, যা মুসলমানদের উৎসাহিত করছে তারা যেন কখনো কাফেরদের বিশ্বাস না করে, কখনো তাদের আস্থায় না নেয়; যা তাদের বলে যে তাদের প্রথম কর্তব্য এবং আনুগত্য হলো তাদের ধর্মের প্রতি, কোনো বিবিধ আইনের প্রতি নয়...
    • অরুণ শৌরি, ‘দ্য অযোধ্যা রেফারেন্স: দ্য সুপ্রিম কোর্ট জাজমেন্ট অ্যান্ড কমেন্টারিজ’ (১৯৯৫), পৃ. ১৭১-৩।
  • যদি কিছু মানুষ শিল্পের কোনো উপস্থাপনা পছন্দ না করে, তবে তা মোকাবিলার অন্য উপায় আছে। আমি শৈল্পিক স্বাধীনতার ওপর হিংসাত্মক আক্রমণকে কখনো সমর্থন করি না। আমি ফতোয়া দেওয়ার প্রবণতাকেও সমর্থন করি না। কিন্তু এমন কিছু রাজনীতিবিদ আছেন, যারা ধর্মের ভিত্তিতে সমর্থন বা প্রতিবাদ করেন।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]