বিষয়বস্তুতে চলুন

বন্দে নওয়াজ

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে

সৈয়দ মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আল-হুসাইনি (৭ আগস্ট ১৩২১ − ১০ নভেম্বর ১৪২২) ছিলেন একজন হানাফি মাতুরিদি আলেম এবং সুফি দরবেশ, যিনি ভারত থেকে চিশতিয়া তরিকার অনুসারী ছিলেন। তিনি সাধারণভাবে খাজা বান্দা নবাজ গেসুদারাজ নামে পরিচিত।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • শেখ জালালুদ্দিনের দেওয়া মহলে অবস্থানের একটি কাহিনি অনেকটা রূপকথার মতো। এই কাহিনি গেসুদারাজের মতো একজন বিখ্যাত ব্যক্তির মাধ্যমে বর্ণিত হয়েছে। তার মতে শেখ জালালুদ্দিন পান্ডুয়ার এক ফুল বিক্রেতার বাড়িতে ছিলেন। সেদিন তিনি দেখেন, বাড়ির সব সদস্য কাঁদছে। জিজ্ঞাসা করলে তারা জানায়, মন্দিরে একটি দানব আছে, যে প্রতিদিন একজন তরুণ ছেলেকে খেয়ে ফেলে। রাজা প্রতিদিন এক তরুণ ছেলেকে সেই দানবের জন্য পাঠান। সেদিন ছিল ঐ পরিবারের ছেলের পালা। শেখ তাদের অনুরোধ করেন তাকে পাঠাতে, কিন্তু তারা রাজাকে ভয় পেয়ে তা মানতে চায়নি। এরপর শেখ চুপিচুপি ছেলেটিকে অনুসরণ করে মন্দিরে যান এবং এক আঘাতে দানবকে মেরে ফেলেন। যখন রাজা ও তার লোকজন মন্দিরে পূজা দিতে এলো, তারা দেখল দানব মৃত এবং একজন বৃদ্ধ কালো পোশাক পরে একটি কম্বল দিয়ে মাথা ঢেকে আছেন। শেখ তাদের বললেন তাদের দেবতার কী অবস্থা হয়েছে তা দেখতে। এই দৃশ্য দেখে তারা ইসলাম গ্রহণ করে।
    • শেখ জালালুদ্দিন তাবরিজীর (৫৩৩-৬২৩ হিজরি) পান্ডুয়াতে অবস্থান সংক্রান্ত কাহিনি। উৎস: জাওয়ামিউল কিলাম, এস.এ.এ. রিজভি, হিস্ট্রি অফ সুফিজম ইন ইন্ডিয়া, নয়াদিল্লি, ১৯৭৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ২০১-২০২, পাদটীকা ৪।
  • নাসিরুদ্দিনের প্রধান শিষ্য, সৈয়দ মুহাম্মদ হুসাইনি বান্দা নবাজ গেসুদারাজ (১৩২১-১৪২২ খ্রিষ্টাব্দ), গুলবারগায় যান তৎকালীন বাহমনী সুলতানকে দাক্ষিণাত্যে ইসলামি শক্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করতে।
    • সূত্র: শৌরি এ. এবং অন্যান্য (১৯৯০-১৯৯১)। Hindu temples : what happened to them.