বিষয়বস্তুতে চলুন

বন্দে মাতরম্‌

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে

বন্দে মাতরম্‌ ("বন্দনা করি মায়") বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক ১৮৮২ সালে রচিত আনন্দমঠ উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত একটি গান। সংস্কৃত-বাংলা মিশ্রভাষায় লিখিত এই গানটি বন্দনাগীতি এবং বাংলা মা তথা বঙ্গদেশের একটি জাতীয় মূর্তিকল্প। ঋষি শ্রী অরবিন্দ ঘোষ বন্দে মাতরম্ গানটিকে "বঙ্গদেশের জাতীয় সংগীত" বলে উল্লেখ করেন।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • আমার বিয়ের পর গোখলের সভাপতিত্বে বেনারস কংগ্রেসে প্যাণ্ডালের দোতলায় মেয়েদের মঞ্চে আমি উপবিষ্ট ছিলুম। আমার পাশে ছিলেন লেডি অবলা বসু। হঠাৎ সভা থেকে গোখলের কাছে অনুরোধ গেল আমাকে দিয়ে “বন্দে মাতরম্” গাওয়ানর জন্যে।...তখন গোখলে আমার কাছে একটি ক্ষুদ্র লিপি পাঠালেন গাইতে অনুরোধ করে—সঙ্গে সঙ্গে লিখলেন,—সময় সংক্ষেপ, সুতরাং দীর্ঘগানের সবটা না গেয়ে ছেঁটে গাই যেন। কোন্ অংশটা ছাঁটা তাঁর অভিপ্রেত ছিল জানি নে, আমি মাঝখানে একটুখানি ছেঁটে চট করে “সপ্ত কোটির” স্থলে “ত্রিংশ কোটি” বলে সমগ্রটা গাওয়ারই ফল শ্রোতাদের কাছে ধরে দিলুম, তাঁদের প্রাণ আলোড়িত হয়ে উঠল।
    • সরলা দেবী চৌধুরানী। জীবনের ঝরাপাতা, প্রকাশক: শিশু সাহিত্য সংসদ প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশসাল: ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ, পৃষ্ঠা:৪৮
  • আজ কাঁপুক মানব-কলকল্লোলে কিশলয় সম নিখিল ব্যোম্!
    স্বা-গতম্!
    স্বা-গতম্!
    মা-তরম্!
    মা-তরম্!
    ঐ ঐ ঐ বিশ্ব কণ্ঠে বন্দনা-বাণী
    লুণ্ঠে-“বন্দে মাতরম্!!!”
    • কাজী নজরুল ইসলাম। অগ্নিবীণা, প্রকাশক: আর্য্য পাবলিশিং হাউস, প্রকাশকাল: আশ্বিন ১৩৩০ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা:১৯
  • ‘বন্দে মাতরম্'—সুজলা সুফলা নদীবহুলা এই আমার মাতৃভূমিকে বার বার বন্দনা করি! জননী আমাদের যে বাণী দিয়াছেন, মাতৃকণ্ঠেব সেই গীৰ্ব্বাণী —সেই মা ধ্বনি, পবনে গগনে ধ্বনিত হইয়া পদ্মার পারে যেন সেই বাণী দুলিতে থাকে, মাও যেন প্রাণমন ভরিয়া সন্তানের এ বাণী শুনিয়া আকুল হন।
    • চিত্তরঞ্জন দাশ। দেশবন্ধু গ্রন্থাবলী, দেশের কথা, প্রকাশক: বসুমতী সাহিত্য মন্দির, প্রকাশসাল: ১৯২০ খ্রিস্টাব্দ, পৃষ্ঠা:১২৪

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]