বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা
অবয়ব
১৯৭১ ইংরেজি সনে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণ ও অত্যাচারের হাত থেকে পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালী নাগরিকদের বাঁচানোর জন্যে যাঁরা জীবন বাজি রেখে মুক্তি-সংগ্রামে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশ গ্রহণ করেছিলেন তাঁরা বাংলাদেশের মুুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সমধিক পরিচিত। তাঁদের সংগ্রামের ফলেই বর্তমান স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অস্তিত্ব সম্ভব হয়েছে। তবে রাজাকারদের জন্যে মুক্তিযোদ্ধারা বহু ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশ ঘটিত হবার পর কিছু রাজাকারের শাস্তি হয়েছে।
উক্তি
[সম্পাদনা]- স্বাধীনতা অর্জন করা যেমন কঠিন, তা রক্ষা করাও কঠিন। মুক্তিযোদ্ধাদের স্বাধীনতার পতাকা উঁচু রাখতে হবে।
- শেখ মুজিবুর রহমান, ১৯৭৩ সালের ২১ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। [১]
- আমি তোমাদের জন্যে সত্যিই কিছু করতে পারিনি। তবে কেন করতে পারিনি তা তোমরা ভালোভাবেই জানো। কারণ, তোমরা বাংলাকে জানো।
- বীর মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের কল্যাণে স্বাধীন হয়েছে এ দেশ। তাই বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। সর্বক্ষেত্রে তাদের সম্মান নিশ্চিত করা হচ্ছে।
- কতিপয় বিদেশি পত্রপত্রিকায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য পুরোপুরি ভারতকে দায়ী করার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। পত্রপত্রিকায় এই মর্মে মন্তব্য করা হয়—‘পাকিস্তানের দুর্বল মুহূর্তের সুযোগ নিয়ে ভারত বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছে।’ এটা সত্যের অপলাপ মাত্র। কারণ, ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বরের আগে মুক্তিযোদ্ধারাই মাত্র গুটিকয়েক শহর এলাকা ছাড়া সারা বাংলা মুক্ত করেছিলেন।
- ১৯৭৩ সালের ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মহাসম্মেলনের প্রস্তুতি কমিটির সভাপতি আব্দুল আজিজ তার ভাষণে। [৫]
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।