বিষয়বস্তুতে চলুন

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (সংক্ষেপে ছাত্রলীগ) হলো বাংলাদেশের একটি ছাত্র সংগঠন, যেটিকে রাষ্ট্রবিরোধী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন হিসেবে স্বীকৃত। প্রতিষ্ঠার পর এটি পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ এবং পরবর্তীতে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ নামে পরিচিত ছিল। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাজনের পর ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে শেখ মুজিবুর রহমান দলটি প্রতিষ্ঠা করেন।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • তবে আমি বলবো এই যে নেতাদের মঞ্চে উঠা, এত নেতা আমাদের দরকার নাই। আমাদের আরও কর্মী দরকার। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে স্মার্ট কর্মী দরকার। এত নেতা আমাদের দরকার নাই। যেকোনো মঞ্চে গেলে সামনের লোকের থেকে মঞ্চে লোক বেশি। কেন? এত নেতা কেন? নেতা উৎপাদনের এত বড় কারখানা আমাদের দরকার নাই। কর্মী উৎপাদনের কারখানা দরকার, সেটাই হোক ছাত্রলীগ।
  • কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কতিপয় নেতারা যে সব বক্তব্য রেখেছে, তার জবাব দেয়ার জন্য- আত্মস্বীকৃত রাজাকার, যারা নিজেদের ঔদ্ধত্যপূর্ণ মানসিকতার প্রকাশ ঘটিয়েছে; তার জবাব দেওয়ার জন্য ছাত্রলীগই যথেষ্ট। ছাত্রদের বিষয় ক্যাম্পাসের মধ্যেই সীমিত থাকবে। আমরা দেখি, রাজনৈতিকভাবে কারা প্রকাশ্যে আসে, তখন দেখা যাবে। আমরাও মোকাবেলা করতে প্রস্তুত।
  • ছাত্রলীগ বাংলাদেশের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী একটা সংগঠন হিসেবে ছিল। এই ছাত্রলীগের অনেক গৌরবউজ্জল অতীত আছে। স্বাধীনতার যুদ্ধের সময় এই ছাত্রলীগের একটা উজ্জ্বল একটা অবস্থান ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিককালে, ছাত্রলীগের কিছু কিছু কর্মকাণ্ড যেটা ছাত্রলীগকেই শুধু বিতর্কিত করছে না, এটা মুল সংগঠন আওয়ামী লীগকেও অনেক বিব্রতকর অবস্থায় ফেলছে। এটি নিয়ে অবশ্যই আমাদের বিব্রত হতে হয়।
  • হৈ হৈ রৈ রৈ ছাত্রলীগ গেলি কৈ
  • স্বাধীনতা ছাত্রলীগ না চাইলে আওয়ামী লীগের কিছুই করার ছিল না। আওয়ামী লীগকে ছাত্রলীগই বাধ্য করেছিল স্বায়ত্তশাসনের দাবি থেকে সরে দাঁড়াতে। শুনুন আওয়ামী লীগ নয়, বাংলাদেশের আজকের জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংগীত, স্বাধীনতার ইশতেহার এমনকি স্বাধীনতার স্লোগানগুলোও ছাত্রলীগের। ছাত্রলীগ আন্ডারগ্রাউন্ডেই মুক্তিযুদ্ধের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রেখেছিল।
    • অবহেলিত বীরযোদ্ধা বিএলএফ কমান্ডার চিত্রনায়ক খসরু, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ১৬ জুলাই ২০১৮
  • ছাত্রলীগ করার কারণে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার আমার বিরুদ্ধে ৩৭টি হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করে। এসব মামলা থেকে বাঁচতে বন্ধুবান্ধবের পরামর্শে চলচ্চিত্রে আসি।
  • ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তোমাদের বাড়িঘরে যারা আগুন লাগিয়ে দিয়েছে, তাদের বাড়ি ঘর নেই? সব কথা কি বলে দিতে হয়? যারা এখন বেশি বেশি বাড়াবাড়ি করছে। বেশি ভালো থাকবেন না আপনি। দেখো ডিসেম্বর পর্যন্ত ওই শত্রুরা টেকে কি না? কাউকে পালাতেও দেওয়া হবে না। যে কয়টা নাফরমানি করছে তাদের একটারও অস্ত্র থাকবে না। ঠিক আছে, আমি সবাইকে বলছি, তোমরা শুধু দুই মাস অপেক্ষা করো। কিছু বলো না। ‘ওরা ফেল করবে, আর আমরা যদি কিছু করি, তখন বলবে আমাদের জন্য করতে পারে নাই। সেটা আর বলার মুখ নেই। জাতীয় আন্তর্জাতিকভাবেও ওই যে সুদখোর ইউনুসের গুটি গুটি চেহারার দ্বার আটকে গেছে মানুষের কাছে। এখন ভয় পাওয়ার কিছু নেই, এখন ওদের ভয় দিতে হবে। আমি একটা কথা বলি, তোমাদের বাড়ি পোড়াই দিছে কে?’‘তাদের ঘর-বাড়ি নেই? ‘তাহলে, সবকিছু কি প্রকাশ্যে করতে হয়? ‘তোমাদের নাই, তাহলে কারো ঘর-বাড়ি থাকবে না।’, ‘মামলা, আমারতো শুধু গোবিন্দগঞ্জ না, আমারতো সারা বাংলাদেশে ২২৭টি মার্ডার কেস। আমি বলছি সবাই তালিকা কর। তোমরাও তালিকা কর। ২২৭ মার্ডারের লাইন্সেস পেয়ে গেছি। এক মামলায় যে শাস্তি, শোয়া দুইশো মামলায় একই শাস্তি। তাই না। ঠিক আছে সেই শাস্তি নেব। তার আগে শোয়া দুইশো হিসাব করে নেব। এটা যেন মাথায় থাকে। এবার একবার আসতে পারলে কেউ ফেলাইতে পারবে না ইনশাআল্লাহ।
    • গোবিন্দগঞ্জের সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাকিল আলম বুলবুলের সাথে প্রকাশিত ফোনালাপে, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ [১]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]