ভারতে বাংলাদেশ-বিরোধী অপপ্রচার
অবয়ব
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের ফলে বাংলাদেশের দীর্ঘকালীন স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রী ও ভারতের ঘনিষ্ঠ মিত্র শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতি ঘটে, এরপর ভারতের গণমাধ্যম ও ভারত-ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাকাউন্টগুলো বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করতে শুরু করে। অপপ্রচারের বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ পরবর্তী সহিংসতা নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক বা অতিরঞ্জিত প্রতিবেদন, এবং বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের পটভূমি বা কার্যকলাপকে অবমূল্যায়ন করা।
উক্তি
[সম্পাদনা]- ভারত থেকে বাংলাদেশের হিন্দু-মুসলমান সম্পর্কে মিথ্যা প্রচার হচ্ছে।
- এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি আমার সঙ্গে। এই খবরের কোনো সত্যতা নেই, পুরোপুরি মিথ্যা। এমনকি গত কয়েক মাস যাবত কোনো সাংবাদিকের সঙ্গেও আমার কথা হয়নি। কীভাবে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করা হলো, তা আমার জানা নেই। আমি নিরাপদে আছি, ওগুলো মিথ্যা খবর।
- হিন্দুস্তান টাইমস, সংবাদ প্রতিদিন, নিউজ১৮সহ ভারতের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম “অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে” - এমন সংবাদ প্রকাশ করলে চঞ্চল চৌধুরী এই মন্তব্য করেন।
- বর্ডার থেকে ভারতীয় সাংবাদিকরা আমাকে ৪ ঘণ্টা আটকিয়ে রেখে জোর করে এসব কথা বলিয়েছে। আমি একা ছিলাম, ভয়তে পড়ে ওরা যা শিখিয়ে দিয়েছে-আমি সেইসব কথা বলেছি। আমরা তো বাংলাদেশে খুব ভালো আছি। বাংলাদেশে আমাদের কোনো সমস্যা নাই। আমাকে জোর করে ওই কথা বলাইছে। আমি খুব দুঃখ পেয়েছি।
- ওর ওই কথা শুনে আমরা নিজেরাই অবাক হয়ে গেছি। ও কী করে এই কথা বলল- ভাবতেও পারছি না। আমরা দেশে কোনো ধরনের অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হইনি। আমি ওকে ফোন করেছিলাম ওর এই কথা শুনে। ও বলল- পেট্রাপোলে সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার পরে সেখানকার সাংবাদিকরা ওর পাসপোর্ট নিয়ে নেয়। এরপর ওদের শিখিয়ে দেওয়া কথা না বললে পাসপোর্ট দেবে না বলে ভয় দেখায়।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় ভারতে বাংলাদেশ-বিরোধী অপপ্রচার সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।