বিষয়বস্তুতে চলুন

ভিতালি গিঞ্জবার্গ

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে
২০০৪ সালে ভিতালি গিঞ্জবার্গ

ভিতালি লাজারেভিচ গিঞ্জবার্গ (৪ অক্টোবর ১৯১৬ – ৮ নভেম্বর ২০০৯) ছিলেন একজন রুশ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী এবং জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী। তিনি রাশিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেসের একজন সদস্য ছিলেন। তিনি এই একাডেমির পদার্থবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান হিসেবে ইগর তামের উত্তরসূরি ছিলেন এবং একজন স্পষ্টবাদী নাস্তিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি ২০০৩ সালে অ্যালিক্সি অ্যালিক্সিভিচ আব্রিকোসভ এবং অ্যান্থনি জেমস লেগেটের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।


উক্তি

[সম্পাদনা]
  • প্রত্যেক পদার্থবিজ্ঞানীরই (স্বাভাবিকভাবে এটি অন্যান্য বিষয়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, তবে আমি নির্দিষ্ট করে পদার্থবিজ্ঞানীদের কথাই বলছি) তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের পাশাপাশি পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা সম্পর্কে প্রচুর তথ্য জানা উচিত এবং সাম্প্রতিক উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলো সম্পর্কে পরিচিত থাকা উচিত।
    • স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের আউলা ম্যাগনায় প্রদত্ত নোবেল বক্তৃতা, ৮ ডিসেম্বর ২০০৩।
  • গত শতাব্দীতে, এমনকি বর্তমানেও এমন মতামতের দেখা পাওয়া যায় যে, পদার্থবিজ্ঞানের প্রায় সবকিছুই করা হয়ে গেছে। কথিত আছে যে আকাশের তাত্ত্বিক দিগন্তে কেবল কিছু আবছা 'মেঘখণ্ড' অবশিষ্ট আছে, যা শীঘ্রই অপসারিত হবে এবং 'সবকিছুর তত্ত্ব' জন্ম নেবে। আমি এই জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গিকে এক ধরণের অন্ধত্ব বলে মনে করি। পদার্থবিজ্ঞানের সমগ্র ইতিহাস এবং বর্তমান সময়ের পদার্থবিজ্ঞান ও বিশেষ করে জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানের অবস্থা এর ঠিক বিপরীত সাক্ষ্য দেয়। আমার মতে, আমরা এক সীমাহীন অমীমাংসিত সমস্যার সমুদ্রের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছি।
    • স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের আউলা ম্যাগনায় প্রদত্ত নোবেল বক্তৃতা, ৮ ডিসেম্বর ২০০৩।
  • আমি মার্ক্সবাদের সমর্থক নই, তবে আমি এই সংজ্ঞায়নের সাথে পুরোপুরি একমত। অন্য বিষয় হলো এই যে, আফিম কখনও কখনও উপকারী হতে পারে এবং এর ব্যবহার যুক্তিসঙ্গত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, আমি বিশ্বাসীদের ঈর্ষা করি। প্রকৃতপক্ষে, আমার বয়স এখন ৮৬ বছর, আমি বুঝি যে মৃত্যু সন্নিকটে। এটি যন্ত্রণাদায়ক হতে পারে এবং প্রিয়জনদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবনাগুলোও কম যন্ত্রণাদায়ক নয়। ধরুন, পরকাল বা এই জাতীয় কিছুর অস্তিত্বে বিশ্বাস করা কতই না ভালো হতো। কিন্তু মানুষকে বুদ্ধি দেওয়া হয়েছে নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য, আত্মপ্রবঞ্চনা বা অলৌকিকতায় বিশ্বাস করার জন্য নয়।


বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Notes on Jewish History Nº23, published 26 December 2002."। সংগ্রহের তারিখ ২০ মে ২০২২