মইনুল ইসলাম (অর্থনীতিবিদ)
অবয়ব
মইনুল ইসলাম (জন্ম: ১ জুলাই ১৯৫০) একজন বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে একুশে পদক প্রদান করে।
উক্তি
[সম্পাদনা]- বাংলাদেশে অনেক মেগা (বড়) প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, যেগুলোর প্রয়োজন ছিল না। পদ্মা সেতু দিয়ে দক্ষিণবঙ্গের সড়ক যোগাযোগ চালু হওয়ায় ৩৯ হাজার কোটি টাকা খরচ করে রেললাইন প্রকল্পের দরকার ছিল না। একইভাবে ১২ বিলিয়নের বেশি ডলার খরচ করে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পেরও দরকার ছিল না। বরং এর চেয়ে নিরাপদ প্রযুক্তি ব্যবহার করে অর্ধেক খরচে এই পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব ছিল। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইনও অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প।
- যেমনটা ২৮ অক্টোবর ২০২৩ এ প্রকাশিত প্রথম আলোর সাক্ষাতকার: বড় প্রকল্পের মধ্যে টানেলই অনেক বেশি দূরদর্শী-এ উদ্ধৃত হয়েছে।
- কর্পোরেট কর কমানোর কারণে বিনিয়োগে খুব বেশি উৎসাহিত হবে বলে মনে হয় না। ব্যক্তিগত আয়কর ও করপোরেট আয়কর থেকে রাজস্ব আয় বাড়ানো প্রথম অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত।
- যেমনটা ১২ জুন ২০২২ এ প্রকাশিত প্রথম আলোর সাক্ষাতকার: বাজেটে অর্থ পাচারকে কার্যত উৎসাহিত করা হয়েছে-এ উদ্ধৃত হয়েছে।
- বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষকদের লেজুড়বৃত্তি ছাড়তে হবে।
- ২৪ অক্টোবর ২০১৯ এ প্রকাশিত প্রথম আলোর কলাম
- আওয়ামী লীগকে পথভ্রষ্ট করেছেন শেখ হাসিনা
- ১৯ এপ্রিল ২০২৫ এ লিখিত আজকের পত্রিকার উপসম্পাদকীয়
- সরকার যদি ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশাকে দেশে দ্রুত চালু উৎসাহিত করতে চায়, তাহলে আজও এগুলোর চলাচলকে ‘আইনগতভাবে অবৈধ’ করে রাখা হয়েছে কার স্বার্থে?
- ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে প্রথম আলোয় প্রকাশিত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বৈধতা দিতে বাধা কোথায় কলামে উদ্ধৃত হয়েছে।
- দুর্নীতি দমন, খেলাপি ঋণের মারাত্মক বিস্তার এবং পুঁজি পাচার দমনে হাসিনা সরকার মোটেও আন্তরিক ছিলেন না। দুর্নীতির প্রতি ‘জিরো টলারেন্স’ ছিল শুধুই রাজনৈতিক বাত্-কা-বাত্। পুঁজি পাচারের মূল রয়ে গেছে দুর্নীতি ও খেলাপি ঋণের বেলাগাম বিস্তারের মধ্যে। পুঁজি-লুটেরা ও পুঁজি পাচারকারীরা ‘জাতির এক নম্বর দুশমন’।
- ৯ সেপ্টম্বর ২০২৪ এ প্রকাশিত কলাম হাসিনার দুর্নীতিবিরোধী অভিযান ছিল স্রেফ মশকরা হতে প্রাপ্ত।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় মইনুল ইসলাম সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।