মাইকেল জ্যাকসন
মাইকেল জ্যাকসন (১৯৫৮–২০০৯) "পপ সঙ্গীতের রাজা" হিসাবে খ্যাত, একজন বৈশ্বিক সংস্কৃতি আইকন এবং যুগান্তকারী শিল্পী, যার অবদান আধুনিক পপ, রক ও আরঅ্যান্ডবি সঙ্গীতকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। মাত্র ৫ বছর বয়সে "জ্যাকসন ৫"-এর মাধ্যমে তার সঙ্গীতযাত্রা শুরু করে তিনি একক কর্মজীবনে "থ্রিলার" (১৯৮২), "ব্যাড" (১৯৮৭) এবং "ডেঞ্জারাস" (১৯৯১)-এর মতো যুগসৃষ্টিকারী অ্যালবামের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তার অনবদ্য নৃত্যশৈলী (যেমন মুনওয়াক), চমকপ্রদ মিউজিক ভিডিও এবং স্বাতন্ত্র্যসূচক ফ্যাশন (সাদা গ্লাভস, মিলিটারি জ্যাকেট) সঙ্গীত ও বিনোদন জগতে নতুন প্রেরণা যুক্ত করে। তিনি ৩৯টিরও বেশি দাতব্য সংস্থাকে সমর্থন করে মানবহিতৈষী কার্যক্রমে অবদান রেখেছিলেন এবং ১৩টি গ্র্যামি পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা অর্জন করেন। তার সৃজনশীলতা ও শৈল্পিক উদ্ভাবন আজও বিশ্বজুড়ে শিল্পী ও শ্রোতাদের অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

উক্তি
[সম্পাদনা]১৯৮৩
[সম্পাদনা]- আমি স্বপ্ন থেকে জেগে উঠে ভাবি, "বাহ, এটা এখনই কাগজে লিখে ফেলি।" পুরো বিষয়টাই অদ্ভুত। আপনি শব্দগুলো শুনতে পান, সবকিছু ঠিক যেন চোখের সামনে স্পষ্ট। তখন নিজেকেই বলি, 'দুঃখিত, আমি কিন্তু এটা লিখিনি। এটা তো আগে থেকেই ছিল।' এইজন্যই আমি আমার লেখা গানের কৃতিত্ব নিতে পছন্দ করি না। আমার মনে হয়, কোনো এক স্থানে, কোনো এক সময়ে এটা তৈরি হয়ে গেছে, আর আমি শুধু একজন বার্তাবাহক, যার কাজ এটাকে বিশ্বের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আমি সত্যিই এটা বিশ্বাস করি। আমি আমার কাজকে ভালোবাসি। আমার পেশা নিয়ে আমি খুশি। এটা একপ্রকার বাস্তবতা থেকে মুক্তির পন্থা।
- ১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৩ "মাইকেল জ্যাকসন - লাইফ ইন দ্যা ম্যাজিক্যাল কিংডম" - রোলিং স্টোন
১৯৮৪
[সম্পাদনা]- লোকেদের শুধু বলেই দেখো না যে আমি মঙ্গল গ্রহ থেকে আসা এক এলিয়েন! তাদের বলো আমি জীবন্ত মুরগি খাই আর মধ্যরাতে ভুডু নাচ করি। তারা যেকোনো কথাই বিশ্বাস করবে, কারণ তুমি একজন সাংবাদিক। কিন্তু আমি, মাইকেল জ্যাকসন, যদি বলি, "আমি মঙ্গল গ্রহের এলিয়েন, আমি জীবন্ত মুরগি খাই আর মধ্যরাতে ভুডু নাচ করি," তখন লোকেরা বলবে, "ওহ, এই মাইকেল জ্যাকসনটা পাগল! ওর মাথা খারাপ হয়ে গেছে। ওর মুখ থেকে বের হওয়া কোনো কথাই বিশ্বাস করা যায় না।"
- উদ্ধৃতিটি ১৪ মার্চ ২০১৩-এ জোস বোর্সবুম তাঁর মাইকেল জ্যাকসন: দ্য আইকন বইয়ের পৃষ্ঠা ৮৩-এ তুলে ধরেছেন। এটি ১৯৮৪ সালে মাইকেল জ্যাকসনের বাবলস দ্যা শিম্প অর্জনের পর নেতিবাচক মিডিয়া কভারেজের প্রতিক্রিয়ায় বলা।
১৯৮৭
[সম্পাদনা]- আমি কুসংস্কারগ্রস্ত নই, এখনই সময় প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাজার।
- ব্যক্তিগত হস্তলিখিত নোট। উদ্ধৃত হয়েছে দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল-এ প্রকাশিত "মাইকেল জ্যাকসনের বর্ণবৈষম্য বিষয়ে পুনরুদ্ধারকৃত চিঠিতে বিটলস ও এলভিস প্রিসলির বিরুদ্ধে ক্ষোভ" (২৩ আগস্ট ২০২০)-এ
- প্রাচীন ভারতীয় প্রবাদে বলা হয়, কোনো মানুষকে বিচার করো না যতক্ষণ না তুমি তার মোকাসিনে দুই চান্দ্রমাস হেঁটেছ।
অধিকাংশ মানুষ আমাকে চেনে না, তাই তারা এমন সব কথা লেখে যার বেশিরভাগই মিথ্যা। আমি প্রায়ই খুব কাঁদি কারণ এটি ব্যাথা দেয়, আর আমি শিশুদের নিয়ে চিন্তিত, সমগ্র বিশ্বের, আমার সব শিশুর জন্য। আমি তাদের জন্যই বেঁচে আছি।
যদি কেউ কোনো চরিত্রের বিরুদ্ধে শুধু প্রমাণযোগ্য কথাই বলত, তাহলে ইতিহাস লেখা সম্ভব হত না।
প্রাণীরা বিদ্বেষ থেকে আঘাত করে না, বাঁচার তাগিদে করে। সমালোচকরাও একই—তারা আমাদের ব্যথা নয়, রক্ত চায়। তবু আমাকে এগিয়ে যেতেই হবে, সবকিছুতেই সত্য খুঁজতে হবে। শিশু ও বিশ্বের জন্য আমাকে দেওয়া শক্তিকে বহন করতে হবে।
কিন্তু দয়া করো, কারণ আমি বহুদিন ধরে রক্তক্ষরণ করছি। এমজে।- পিপল ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হস্তলিখিত নোট (১২ অক্টোবর ১৯৮৭)।
১৯৯১
[সম্পাদনা]- চেতনা নিজেকে সৃষ্টির মাধ্যমে প্রকাশ করে। আমরা যে বিশ্বে বাস করি, এটি স্রষ্টার নৃত্য। নর্তকেরা চোখের পলকে আসে আর মুহূর্তেই মিলিয়ে যায়, কিন্তু নৃত্য চিরন্তন থাকে। বহুবার নাচতে গিয়ে আমি কিছু পবিত্র স্পর্শ অনুভব করেছি। সেই মুহূর্তগুলোতে আমার আত্মা উড়াল দিয়ে মহাবিশ্বের সবকিছুর সাথে এক হয়ে যায়। আমি হয়ে যাই নক্ষত্র ও চন্দ্র। আমি হয়ে যাই প্রেমিক ও প্রেমিকা। আমি হয়ে যাই বিজয়ী ও পরাজিত। আমি হয়ে যাই প্রভু ও দাস। আমি হয়ে যাই গায়ক ও গান। আমি হয়ে যাই জ্ঞানী ও জ্ঞাত। আমি নাচতে থাকি, আর তখন তা হয়ে ওঠে সৃষ্টির অনন্ত নৃত্য। স্রষ্টা ও সৃষ্টি একীভূত হয়ে আনন্দের পূর্ণতায় মিশে যায়। আমি নাচতে থাকি—যতক্ষণ না কেবল... নৃত্য থাকে।
- "দ্য ড্যান্স" — ডেঞ্জারাস অ্যালবামের অভ্যন্তরীণ প্রচ্ছদে প্রকাশিত (১৯৯১)
১৯৯২
[সম্পাদনা]- আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি সেই মাধ্যম হওয়ার জন্য, যার মধ্য দিয়ে সংগীত প্রবাহিত হয়। আমি কেবল একটি উৎস, যার ভেতর দিয়ে এটি প্রকাশ পায়। এটির জন্য আমি কৃতিত্ব নিতে পারি না, কারণ এটি ঈশ্বরের কাজ। তিনি আমাকে কেবল একজন বার্তাবাহক হিসেবে ব্যবহার করছেন।
- যদি তুমি এই পৃথিবীতে প্রবেশ করো এই জেনে যে তুমি ভালোবাসায় পরিপূর্ণ, আর পৃথিবী থেকে বিদায় নাও একই জ্ঞান নিয়ে, তাহলে মধ্যবর্তী সব ঘটনাই মোকাবিলা করা সম্ভব।
- ড্যান্সিং দ্য ড্রিম (১৯৯২), তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আমন্ত্রণপত্রেও ব্যবহৃত। উদ্ধৃত হয়েছে "Dead stars and classic art will surround Michael Jackson" শীর্ষক সিএনএন-এর পাতায় (৩ জুলাই ২০০৯)
১৯৯৩
[সম্পাদনা]- কাউকে বিচার করো না, যতক্ষণ না তুমি তাদের সাথে একান্তে কথা বলেছ। গল্প যাই হোক না কেন...
প্রথমত, আমার জানামতে, ত্বক সাদা করার কোনো প্রক্রিয়া আমি ব্যবহার করি না... আমার একটি চর্মরোগ আছে যা ত্বকের বর্ণ নির্ণয়কারী শক্তিকে ধ্বংস করে। এটি আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে, বুঝেছেন? কিন্তু যখন মানুষ গল্প তৈরি করে যে আমি নিজের পরিচয় থেকে দূরে সরে যেতে চাই, এটা আমাকে ব্যাথা দেয়। এটি আমার জন্য একটি সমস্যা, আমি এটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না।..জেমস ব্রাউন সত্যি প্রতিভাবান, তিনি যখন ফেমাস ফ্লেমসের সাথে থাকতেন, তা অবিশ্বাস্য ছিল। আমি টেলিভিশনে তাকে দেখতাম আর ক্যামেরাম্যানের উপর রাগান্বিত হতাম—যখনই তিনি সত্যিকার অর্থে নাচতে শুরু করতেন, তারা ক্লোজ-আপে চলে যেত, ফলে আমি তার পা দেখতে পেতাম না। আমি চিৎকার করে বলতাম, "তাকে দেখাও, দেখাও!" যাতে আমি দেখে শিখতে পারি।
১৯৯৭
[সম্পাদনা]- মাইকেল জ্যাকসন: এর জন্য একটি সময় আছে, আর এটা আপনার করা উচিত নয়। আপনি বাইরে গিয়ে বলতে পারেন না, 'ওহ সে জ্যাকো'। আমি "জ্যাকো" নই। আমি "জ্যাকসন"।
- ওয়াল্টার্স: মানুষ যখন আপনাকে বলে তখন আপনি কী অনুভব করেন...
- জ্যাকসন: হ্যাঁ, "ওয়্যাকো জ্যাকো"। এটা কোথা থেকে এল? কোনো ইংরেজ ট্যাবলয়েড! আমারও হৃদয় আছে, আমার অনুভূতি আছে। আপনি যখন আমাকে এমনটা বলেন, তখন আমি তা অনুভব করি। এটা ভালো নয়। এমন করবেন না। আমি পাগল নই।
- ৭ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭-এ বারবারা ওয়াল্টার্স-এর সাথে টেলিভিশন সাক্ষাৎকার, মিডিয়া, ট্যাবলয়েড ও তাঁর খ্যাতি প্রসঙ্গে।
২০০১
[সম্পাদনা]- তাদের [আমাকে] অনুকরণ করতে আমার কোনো সমস্যা নেই। এটা একধরনের প্রশংসা। সবাইকে শুরুতে কারও না কারও আদর্শ মেনে চলতে হয়। আমার ক্ষেত্রে সেটা ছিলেন জেমস ব্রাউন, স্যামি ডেভিস জুনিয়র, জ্যাকি উইলসন, ফ্রেড অ্যাস্টেয়ার, জিন কেলি।
- এনসিঙ্ক-এর মতো পপ গ্রুপ প্রসঙ্গে মন্তব্য, টিভি গাইড-এ প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে (১ নভেম্বর ২০০১)
- আমি বুঝতে শুরু করেছি যে আমার বাবার কঠোরতাও একপ্রকার ভালোবাসাই ছিল। নিখুঁত ভালোবাসা নয়, তবুও ভালোবাসা বটে। তিনি আমাকে চাপ দিয়েছিলেন কারণ আমাকে ভালোবাসতেন, চাননি কেউ তার সন্তানকে অবজ্ঞা করুক। সময়ের সাথে তিক্ততার বদলে এখন আমি অনুভব করি কৃতজ্ঞতা... আমার প্রাথমিক ক্ষোভ ধীরে ক্ষমায় রূপ নিয়েছে।
- অক্সফোর্ড ইউনিয়নে "হিল দ্য কিডস" ভাষণে (২০০১)
২০০৩
[সম্পাদনা]- আমরা কেবল অনুশীলনই করতাম না, আমরা ভয়ে কাঁপতাম অনুশীলনের সময়। কারণ তিনি একটি চেয়ারে বসে বেল্ট হাতে রাখতেন, আর যদি ঠিকমতো না করতেন, তবে তিনি আপনাকে ছিঁড়ে ফেলতেন। সত্যিই শাস্তি দিতেন... আমরা তাঁকে ভয় পেতাম। এতটাই ভয়, যা বর্ণনা করা যায় না। আমার মনে হয় তিনি বুঝতেন না আমরা কতটা ভীত... ভীত... মানে 'আতঙ্কিত'। এতটাই ভয় যে বমি হওয়ার উপক্রম হতো। (জোর দিয়ে) হ্যাঁ। (সাংবাদিক কারণ জিজ্ঞাসা করলে) তাঁর উপস্থিতিই... তাঁকে দেখলেই... আমি এত দ্রুত পালাতাম যে তিনি ধরতেই পারতেন না, কিন্তু যখন ধরতেন, ভগবান! সেটা ভয়াবহ হতো।
- মার্টিন বাশিরের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে নির্মিত ডকুমেন্টারি লিভিং উইথ মাইকেল জ্যাকসন-এ (৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৩); সাক্ষাৎকার গ্রহণকাল,মে ২০০২–জানুয়ারি ২০০৩
- আমি আগে আমার ঘরে অনেক ম্যানিকিন (পরিচ্ছাদ-প্রদর্শনীর পুতুল) রাখতাম, এখনও রাখি। কারণ আমি প্রচণ্ড একাকীত্বে ভুগতাম, প্রচন্ড রকমের একাকী। আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। আমি মানুষ খুঁজে কথা বলার জন্য রাস্তায় ঘুরতাম। এটা আমার ক্যারিয়ারের শীর্ষ সময়ে... অপরিচিত মানুষদের কাছে গিয়ে বলতাম, "তুমি কি আমার বন্ধু হবে?" তারা বলত, "হে ভগবান! মাইকেল জ্যাকসন!" কিন্তু আমি সেটা চাইতাম না।
- দ্য মাইকেল জ্যাকসন ইন্টারভিউ: দ্য ফুটেজ ইউ ওয়্যার নেভার মেন্ট টু সি ডকুমেন্টারিতে (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৩); মার্টিন বাশিরের সাক্ষাৎকারের অতিরিক্ত ফুটেজ ব্র্যাড ল্যাচম্যান প্রদর্শন করেন (মে ২০০২–জানুয়ারি ২০০৩)
- আমি সবার মতোই। কাটলে রক্ত পড়ে, লজ্জা পেলে মুখে কথা আটকে যায়। মিউজিক ডাউনলোড করার জন্য ভক্তদের জেলে পাঠানোর বিষয়ে আমি হতবাক। অবৈধ ডাউনলোড ভুল, কিন্তু সমাধান জেল নয়। আমেরিকায় আমরা প্রতিকূলতাকে নতুন সুযোগে রূপ দিই, শাস্তিমূলক আইন নয়। অ্যাপলের মিউজিক স্টোরের মতো প্রযুক্তিই সমাধান। এভাবেই আমেরিকা নবীকরণের প্রতীক থাকে। এই ভক্তরাই তো সঙ্গীত শিল্পের সাফল্যের চালিকাশক্তি।
- প্রেস বিবৃতি (২১ জুলাই ২০০৩), বিবিসি নিউজে প্রকাশিত (২২ জুলাই ২০০৩)
- মিথ্যা দৌড়ায় স্প্রিন্টের মতো, কিন্তু সত্য ম্যারাথনের মতো দৌড়ায়।
- প্রেস বিবৃতি (নভেম্বর ২০০৩); জেট ম্যাগাজিনে উদ্ধৃত (৮ ডিসেম্বর ২০০৩)
- ঘৃণায় ভরা এই বিশ্বেও আমাদের আশা করতে হবে। রাগে ভরা এই পৃথিবীতেও সান্ত্বনা দিতে হবে। হতাশার মধ্যে দিয়েও স্বপ্ন দেখতে হবে। অবিশ্বাসের মাঝেও বিশ্বাস ধরে রাখতে হবে।
- তাঁর শেষকৃত্যের (৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯) আমন্ত্রণপত্রে ব্যবহৃত; সিএনএন.কমের প্রতিবেদনে উল্লিখিত (৩ জুলাই ২০০৯)
মাইকেল জ্যাকসন সম্পর্কে উক্তি
[সম্পাদনা]- আমার ইচ্ছা - আমি মারা গেলে তার সাথে স্বর্গে দেখা করার!
- মোয়েশা বুডুং, "মাইকেল জ্যাকসনের সাথে দেখা করার ইচ্ছা আমার - মোয়েশা বুডুং", ঘানা ওয়েব, (২৭ জুন, ২০২৩)
- যদি সাউন্ডটির জন্য তাঁকে ক্রেডিট না দেওয়া হয়ে থাকে, তার কারণ তিনি কনসোল থেকে বের হওয়া শব্দের ফলাফলে খুশি ছিলেন না। সেসময়, গেম কনসোলগুলি সর্বোত্তম সাউন্ড রিপ্রোডাকশন দিতে পারত না, আর মাইকেল এতে হতাশ হয়েছিলেন। তিনি এমন একটি প্রোডাক্টের সাথে যুক্ত হতে চাননি যা তাঁর সংগীতের মান কমিয়ে দেয়...
- তিনি চিরকাল পপের রাজা থাকবেন। তিনি সিংহাসন ত্যাগ করেননি, কেউ তাঁর জায়গা দখলও করেনি।
- স্টিফেন কোলবার্ট, ডেমিয়েন কুলাশ-এর সাক্ষাৎকারে, যখন কুলাশ বলেছিলেন, "তিনি *পপের রাজা* ছিলেন"। "কলবার্ট নেশন - ডেমিয়েন কুলাশ" ৩মি১৫সে (২৩ আগস্ট, ২০০৬)
- জ্যাকসনের ক্যারিয়ার ও অন্যান্যদের মধ্যে একটি বড় পার্থক্য হলো তিনি একজন শিশু তারকা থেকে প্রাপ্তবয়স্ক তারকায় পরিণত হয়েছিলেন—এমন রূপান্তর করা অত্যন্ত কঠিন।
- জন কোভাচ, "প্রিন্সেস ডায়ানার পর মাইকেল জ্যাকসনের প্রতি এমন আবেগপ্রবণ প্রতিক্রিয়া", দ্য ক্রিশ্চিয়ান সায়েন্স মনিটর (২৭ জুন, ২০০৯)
- আমরা ঘনিষ্ঠ, তিনি আমার ভালো বন্ধু, আমাদের মধ্যে যোগাযোগ আছে যা অধিকাংশ মানুষের নেই...
- মাইকেল জ্যাকসন যা করেছিলেন, হিপ-হপের আগের যুগে, তা অনবদ্য। ব্ল্যাক মিউজিকে তাঁর প্রাথমিক অবদান অনস্বীকার্য।
- ভিন ডিজেল, দ্য কেলি ক্লার্কসন শো-তে (২৩ জুন, ২০২১)
- তিনি আমার উপরে সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করেছেন, তাই আমি তাঁর সম্পর্কে ডিফেন্সিভ। মাইকেল জ্যাকসনের ব্যাপারে যে কারো সাথে লড়াই করতে প্রস্তুত।
- তিনি ড্রাগ ও অ্যালকোহলের বিরোধী ছিলেন, অত্যন্ত সাধাসিধে জীবনযাপন করতেন; তাঁর সামনে আমি গালিও দিতে পারতাম না। মাইকেলের সাথে থাকা আমাকে আবারও নির্দয়তায় ফিরিয়ে এনেছিল।
- কোরি ফেল্ডম্যান, তাঁর স্মৃতিকথা কোরিওগ্রাফি-তে (২০১৩); উদ্ধৃত, জেন চ্যানি, ভালচার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৩
- মাইকেলকে আমার কাছে কখনো কখনো 'হাঁটতে থাকা আহত ব্যক্তি' মনে হয়। তিনি অত্যন্ত ভঙ্গুর একজন মানুষ। মানুষের সাথে যোগাযোগ করাটাই তাঁর জন্য যথেষ্ট কঠিন, পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করার মতো অবস্থা নয়।
- জেন ফন্ডা, "ম্যাজিক কিংডমে মাইকেল জ্যাকসনের জীবন", রোলিং স্টোন (১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৩)
- আমার মনে হয় মাইকেল জানতেন না যে আরব বিশ্বে তাঁর সংগীত এক পুরো প্রজন্মকে কীভাবে গঠন করেছে—এখানে তাঁর কত ভক্ত ছিল, আর তাঁর প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তাঁরা কীভাবে অনুগত ছিল। আমরা দ্য বিটল্স বা এলভিস প্রেসলির নাম নাও শুনতে পারি, কিন্তু মাইকেল জ্যাকসনকে সবাই চিনত।
- রিম গাজাল, "মৃত বা জীবিত: 'লিভিং নেভারল্যান্ড' সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্যে মাইকেল জ্যাকসনের জনপ্রিয়তা অটুট", অ্যাডাম গ্রান্ডি, আরব নিউজ, ২৯ জুন, ২০১৯
- মাইকেল জ্যাকসনই ছিলেন সেই ব্যক্তি, যখন তাঁর আগে কেউ ছিল না।
- জো রোগান, জো রোগান এক্সপেরিয়েন্স #১৩০৬ (৩১ মে, ২০১৯)
- আমেরিকায় রাজপরিবারের সবচেয়ে কাছাকাছি সমতুল্য যা পাওয়া যায়, তা হলো মাইকেল জ্যাকসন।
- সিসকো, [জোসেফ ভোগেলের "ম্যান ইন দ্য মিউজিক" (২০১৯), পৃ. ৩৭৯]-এ উদ্ধৃত
- তিনি যেন জলন্ত বনের মধ্যে এক হরিণশিশু। মাইকেল যে জগৎ থেকে এসেছেন, সেটা এক অপূর্ব স্থান। তাঁর সেই বিশ্বে আমরা সবাই কিছু সময় কাটাতে পারতাম কি না!
- স্টিভেন স্পিলবার্গ, টাইম ম্যাগাজিন সাক্ষাৎকার ("কেন তিনি একজন থ্রিলার", ১৯ মার্চ ১৯৮৪)
- আমি মাইকেল জ্যাকসনকে ভালোবাসি। বয়স-নির্বিশেষে সারা বিশ্বে তিনি প্রিয়, এবং এক চিরন্তন উপস্থিতি।
- টাইলা, ভ্যোগ ম্যাগাজিন সাক্ষাৎকার (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪)