বিষয়বস্তুতে চলুন

মানবাধিকার

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে

মানব পরিবারের সকল সদস্যের জন্য সার্বজনীন, সহজাত, অহস্তান্তরযোগ্য এবং অলঙ্ঘনীয় অধিকারই হলো মানবাধিকার। মানবাধিকার প্রতিটি মানুষের এক ধরনের অধিকার যেটা তার জন্মগত ও অবিচ্ছেদ্য। মানুষমাত্রই এ অধিকার ভোগ করবে এবং চর্চা করবে। তবে এ চর্চা অন্যের ক্ষতিসাধন ও প্রশান্তি বিনষ্টের কারণ হতে পারবে না।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • মানবাধিকারের ঘোষণা আজ আমাদের কাছে অসাধারণ একখণ্ড চিরকুট বলে মনে হতে পারে। কালকের মহান আদর্শ প্রায়ই আজকে নগণ্য বলে মনে হয়। কিন্তু তার ঘোষণার সময় সারা ইউরোপের মধ্য দিয়ে বয়ে গিয়েছিল এক শিহরণ; সে নিয়ে এসেছিল নিপীড়িত-পদদলিতদের কাছে এক মহত্তর যুগের প্রতিশ্রুতি।
  • মানবাধিকারের কথা আমরা প্রায়ই বলি, কিন্তু আমাদের 'মানবতার অধিকার]-এর কথাও বলতে হবে। কেন কিছু মানুষকে খালি পায়ে হাঁটতে হবে, যাতে অন্যরা বিলাসবহুল গাড়িতে ভ্রমণ করতে পারে? কেন কেউ মাত্র ৩৫ বছর বাঁচবে, আর অন্যরা ৭০ বছর? কেন কেউ চরম দারিদ্রে দিন কাটাবে, আর কেউ থাকবে সীমাহীন বিত্তে? আমি কথা বলছি সেই সব শিশুদের হয়ে, যাদের কাছে একটি টুকরো রুটিও নেই। আমি কথা বলছি সেই সব রোগীর হয়ে, যাদের কাছে ওষুধ নেই। আমি আপনাদের সামনে কথা বলছি তাদের হয়ে, যাদের কাছ থেকে জীবনের অধিকার ও মানব মর্যাদা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।
  • মানবাধিকার শুধু সাংস্কৃতিক বা আইনি নির্মাণ নয়—যেমনটা পশ্চিমা আপেক্ষিকবাদীরা প্রায়ই দাবি করেন। মানবাধিকার হল সর্বজনীন মূল্যবোধ। এই নতুন মানবাধিকার ব্যবস্থার সুফল যদি অন্য সংস্কৃতিগুলোর কাছে পৌঁছাতে না দেওয়া হয়, তাহলে সেটা এক ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা, যেটা ঔপনিবেশিক যুগের দৃষ্টিভঙ্গির মতোই। যদি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যাচার-বিরোধী এই নতুন নীতি গ্রহণযোগ্য হয়, তবে কে বলতে পারে যে এটি বাকিদের জন্য নয়?
    • জন এন. গ্রে, "এ মডেস্ট প্রপোজাল", নিউ স্টেটসম্যান (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৩)
  • মানবাধিকার এমন কিছু যা নিয়ে তুমি জন্মেছো। মানবাধিকার হল তোমার ঈশ্বরপ্রদত্ত অধিকার।মানবাধিকার এমন অধিকার যা পৃথিবীর সব জাতিই স্বীকৃতি দিয়েছে। আর যখনই কেউ তোমার মানবাধিকার লঙ্ঘন করে, তখন তুমি তাকে আন্তর্জাতিক আদালতে নিতে পারো।
    • মালকম এক্স, ক্লিভল্যান্ডে ভাষণ, (৩ এপ্রিল ১৯৬৪)
  • যা নিজের জন্য ক্ষতিকর মনে হয়, তা অন্যের প্রতি কখনোই করা উচিত নয়— এই সংক্ষিপ্ত বাক্যে ধর্মের সারাংশ বলা হয়েছে। যদি কামনার বশবর্তী হয়ে কেউ এর বিপরীত কাজ করে, তবে সে অধর্মের অপরাধে দোষী হয়।
    • মহাভারত, শান্তি পর্ব, অধ্যায় ১১৩, শ্লোক ৮; উদ্ধৃত: রাজীব মালহোত্র, ইন্দ্রস নেট, পৃ. ১৮২

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]