মেঘমল্লার বসু
অবয়ব
মেঘমল্লার বসু একজন বাংলাদেশি ছাত্রনেতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি। তিনি কোটা সংস্কার, শিক্ষানীতি ও ছাত্র-অধিকার সংশ্লিষ্ট নানা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার জন্য পরিচিত।
উক্তি
[সম্পাদনা]- আমরা যে পিন্ডির জিঞ্জির ছিন্ন করেছিলাম সেটা দিল্লির দাসত্ব মানার জন্য না। দিল্লির দাসত্বের বিরোধিতা করাই এই মুহূর্তে মুক্তিযুদ্ধের আসল চেতনা।
- ২০২৪ সালের ২৯ জুন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস এ প্রচারিত এক ভিডিওতে।
- বাংলাদেশের মাটি থেকে যদি মুক্তিযুদ্ধকে মোছার কোনো চেষ্টা যদি হয়, শহীদের স্মৃতিকে ম্লান করা, শহীদের স্মৃতিকে অবজ্ঞা করা, এখানে একাডেমিক ফ্রিডমের নামে, বুদ্ধিবৃত্তিক তর্কের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ কে ম্লান করার কোনো রকম প্রয়াস যদি হয় তাহলে সেটা আমাদের মৃতদেহের উপর দিয়ে হবে।
- ২০২৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর দেওয়া এক বক্তব্যে।
- বান খুলে মানুষ মারো
দিল্লী তুমি বাংলা ছাড়ো।- ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট ফেইসবুক পোস্টে।
- আমরা বলেছি যে আমাদের এখানে যে গবেষণার বাজেট সেই গবেষণা বাজেট হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল বাজেটের ২ শতাংশ। আমরা এই বাজেটটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটের ১০ শতাংশ করতে চাই। আমরা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছি সেটি হচ্ছে রিসার্চ করার ক্ষেত্রে, থিসিস করার ক্ষেত্রে যেন সিজিপিএ কে কোনো মানদণ্ড হিসেবে ধরা না হয়। কারণ অনেক ক্ষেত্রে এখানকার সেমিস্টার সিস্টেমের রেগুলারিটির জায়গায় না থাকার কারণে একজন শিক্ষার্থীর হয়তো সিজি হাই না হলেও হতে পারে যে তিনি রিসার্চার হিসেবে খুবই ভালো হবেন। কাজেই এখানে সিজিপি এর যে বাধাটি সেই বাধাটি না রাখার কথা আমরা বলেছি।
- ২০২৫ সালের ডাকসু নির্বাচনে বিজয়ী হলে শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতিতে।
- আওয়ামী লীগ আমলে হিন্দুদের উপর অত্যাচার, হিন্দু সম্পত্তি লুঠ কিছু কম হয়নি। আওয়ামী লীগ যেটা করত, তাকে বলা যায়, সাপ হয়ে দংশন করত, আবার ওঝা হয়ে ঝাড়ত। একদিকে হিন্দুদের উপর চরম নিপীড়ন করত, আবার একধরনের ব্ল্যাকমেলিং করত, যে তারা চলে গেলেই বিএনপি-জামাত চলে আসবে, হিন্দুদের অবস্থা আরও খারাপ হবে। আওয়ামী লীগের পতনের পর বামপন্থীদের দায়িত্ব বাড়ল।
- ২০২৪ সালের ১০ আগস্ট নাগরিক ডট নেটের এক সাক্ষাৎকারে।