বিষয়বস্তুতে চলুন

মোরিস আলে

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে
অতিরিক্ত সংখ্যক তাত্ত্বিকরা প্রায়ই এমন তথ্যকে উপেক্ষা করেন যা তাদের বিশ্বাসের বিরোধী।

‘’’মোরিস ফেলিক্স শার্ল আলে’’’ (৩১ মে ১৯১১ – ৯ অক্টোবর ২০১০) একজন ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী ও অর্থনীতিবিদ ছিলেন। তিনি আলফ্রেড নোবেলের স্মরণে অর্থনৈতিক বিজ্ঞানে ব্যাংক অব সুইডেন পুরস্কার-এর ১৯৮৮ সালের বিজয়ী, “বাজার ও সম্পদের দক্ষ ব্যবহার বিষয়ক তত্ত্বে তাঁর পথপ্রদর্শক অবদানের জন্য”।

অর্থনীতিতে তাঁর পেশাগত কাজের পাশাপাশি, মোরিস আলে ১৯৫২ থেকে ১৯৬০ সালের মধ্যে মাধ্যাকর্ষণ, বিশেষ আপেক্ষিকতা ও তড়িচ্চুম্বকত্ব বিষয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা চালান এবং অলে প্রভাব আবিষ্কার করেন।

উক্তি

[সম্পাদনা]
একটি তত্ত্ব ঠিক ততটাই ভাল যতটা তার অনুমানসমূহ যুক্তিসঙ্গত। যদি উপপাদ্যগুলি ভুল হয়, তাহলে সেই তত্ত্বের কোনো বাস্তব বৈজ্ঞানিক মূল্য থাকে না। একটি বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণের একমাত্র বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড হলো অভিজ্ঞতার তথ্যর সঙ্গে তার সংঘর্ষ।
  • ‘‘পরীক্ষামূলক তথ্যের কাছে আত্মসমর্পণই হলো সেই স্বর্ণনীতি, যা সব বৈজ্ঞানিক শাখাকে পরিচালিত করে।’’
    • অ্যাকাডেমিশিয়ান তলোয়ার গ্রহণ উপলক্ষে ভাষণ, অ্যাকাডেমি দে সিয়ঁস মোরাল এ পলিটিক-এ প্রদত্ত (১৯ অক্টোবর ১৯৯৩)
  • ‘‘যে কোনো লেখক যিনি গণিত ব্যবহার করেন, তাঁর সবসময় উচিত তাঁর গৃহীত অনুমানগুলোর অর্থ সাধারণ ভাষায় প্রকাশ করা, এবং প্রাপ্ত ফলাফলের তাৎপর্যও ব্যাখ্যা করা। তত্ত্ব যত বেশি বিমূর্ত হয়, এই দায়িত্ব ততই গুরুত্বপূর্ণ।

বাস্তবে, গণিত হলো বাস্তবতা অন্বেষণের একটি হাতিয়ার। এই অন্বেষণে গণিত কখনোই চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়—এটি কেবল একটি মাধ্যম হতে পারে।’’

    • ‘‘বৈজ্ঞানিক গঠনপ্রক্রিয়া’’ শীর্ষক ভাষণ, অ্যাকাডেমি দে সিয়ঁস মোরাল এ পলিটিক-এ (১৯৯৭)
  • ‘‘যে কেউ ‘ইথার’ নিয়ে কথা বললে, তাকে অজ্ঞ ও পশ্চাদপদ বলে মনে করা হয় এবং সে বৈজ্ঞানিক মহলে তার গ্রহণযোগ্যতা হারায়। অথচ বাস্তবে, যারা তাকে সমালোচনা করে, তারাও একই ধারণা ব্যবহার করে শুধু ভিন্ন শব্দে—যেমন ‘ফিল্ড’, ‘সম্পৃক্ত তরল’, ‘সম্ভাব্যতার তরল’, ‘পাইলট তরল’, ‘কোয়ান্টাম তরল’ ইত্যাদি।’’
    • স্থানিক অ্যানিসোট্রপি ও সমসাময়িক তত্ত্বের কিছু অনুমানের প্রয়োজনীয় সংশোধন (১৯৯৭), পৃষ্ঠা ৫০৬
  • ‘‘একটি তত্ত্ব ততটাই ভাল যতটা তার অনুমানগুলো সঠিক। যদি ভিত্তি ভুল হয়, তবে তত্ত্বটির কোনো বৈজ্ঞানিক মূল্য নেই। বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণের একমাত্র বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড হলো অভিজ্ঞতা থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সঙ্গে তার সম্মুখসমর।’’
    • স্থানিক অ্যানিসোট্রপি ও সমসাময়িক তত্ত্বের কিছু অনুমানের প্রয়োজনীয় সংশোধন (১৯৯৭), পৃষ্ঠা ৫৯১
  • ‘‘অনেক বেশি তাত্ত্বিকদের প্রবণতা হলো এমন তথ্য উপেক্ষা করা যা তাদের বিশ্বাসের বিরোধিতা করে।’’
    • স্থানিক অ্যানিসোট্রপি ও সমসাময়িক তত্ত্বের কিছু অনুমানের প্রয়োজনীয় সংশোধন (১৯৯৭), পৃষ্ঠা ৬৪০
  • ‘‘বস্তুনিষ্ঠভাবে বললে, ঋণের মাধ্যমে মুদ্রা সৃষ্টির বর্তমান প্রক্রিয়া নিঃসন্দেহে সেই ‘ক্যান্সার’ যা ব্যক্তিমালিকানাভিত্তিক বাজার অর্থনীতিকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করছে।’’
    • আজকের বৈশ্বিক সংকট: আর্থিক ও মুদ্রানীতিগত প্রতিষ্ঠানে গভীর সংস্কারের আহ্বান (১৯৯৯), পৃষ্ঠা ৭৪

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]