বিষয়বস্তুতে চলুন

রনিল বিক্রমসিংহ

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে

রনিল বিক্রমসিংহ (সিংহলি: රනිල් වික්‍රමසිංහ; তামিল: ரணில் விக்ரமசிங்க; জন্ম ২৪ মার্চ ১৯৪৯) একজন শ্রীলঙ্কীয় রাজনীতিবিদ, যিনি ২০ জুলাই ২০২২ সাল থেকে শ্রীলঙ্কার অষ্টম কার্যনির্বাহী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি এর আগে ছয়বার দেশটির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তিনি ১৯৯৪ সাল থেকে সংযুক্ত জাতীয় পার্টির নেতা, ১৯৭৭ সাল থেকে কলম্বো জেলার সংসদ সদস্য, এবং অক্টোবর ২০০৯ সাল থেকে সংযুক্ত জাতীয় জোটের নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

উক্তি

[সম্পাদনা]
তদন্ত ও শাস্তির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার শ্রীলঙ্কার বিচার ব্যবস্থার হাতে থাকা উচিত। অতীতে এই ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এখন তা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে। এমন বিষয়ে প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানানো আবশ্যক।
  • আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, যা দারিদ্র্য দূর করবে এবং প্রতিটি শ্রীলঙ্কাবাসীর জন্য সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবে। এজন্য আমাদের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা করার সক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং বিনিয়োগ আকর্ষণের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
  • কতজন নিহত হয়েছেন, সে বিষয়ে নির্ভুল তথ্য নেই—কিছু লোক সেনাবাহিনীর হাতে প্রাণ হারিয়েছেন, আবার অনেককে এলটিটিই সদস্যরা যুদ্ধক্ষেত্রে সরিয়ে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছে। সমস্ত ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণ আমাদের পক্ষে সম্ভব নাও হতে পারে, তাই আমরা আন্তর্জাতিক সহায়তা গ্রহণে প্রস্তুত। তবে কারা দায়ী এবং কী শাস্তি হওয়া উচিত—এই সিদ্ধান্ত শ্রীলঙ্কার বিচার ব্যবস্থার মাধ্যমেই হওয়া উচিত। অতীতে এটি ক্ষতিগ্রস্ত ছিল, তবে এখন তা সুস্থভাবে কাজ করছে। প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্ব আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও রয়েছে।
  • সাংবাদিক: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, যুদ্ধের ছয় বছর পেরিয়ে গেল, এখনো কোনো তদন্ত শুরু হয়নি।
  • রনিল বিক্রমাসিংহ: আমরা জবাবদিহিতা এবং পুনর্মিলনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামো গঠনের কাজ করছি। জাতিসংঘ কাউন্সিলের বৈঠকের আগেই আমরা আমাদের প্রস্তাব প্রস্তুত করব।
  • সাংবাদিক: আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণের বিষয়টি তামিল জনগণ এবং বৈদেশিক মহলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনারা কি এই বিষয়টি বিবেচনা করছেন?
  • রনিল বিক্রমাসিংহ: আমরা তা পুরোপুরি নাকচ করিনি। রাষ্ট্রপতি ঠিকই বলেছেন—তিনি এটি বাতিল করেননি। জনগণের অংশগ্রহণই আমাদের প্রথম লক্ষ্য, কারণ তাদের সিদ্ধান্তই দীর্ঘমেয়াদে তাদের উপকারে আসবে। এটি একটি ধাপে ধাপে এগিয়ে চলা প্রক্রিয়া।
  • ভারত মহাসাগরের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য আমাদের এমন একটি বহুপাক্ষিক কাঠামো গঠন করা প্রয়োজন, যা পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও উপকারের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হবে।
  • আমরা ভাবছি, সংবিধানের আওতায় থেকেই কীভাবে ক্ষমতা আরও সমভাবে বিতরণ করা যায়।
    • শ্রীলঙ্কার উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের তামিল জনগণের ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে, দ্য ইকোনমিক টাইমস, (১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫), "Looking at devolution of power to Tamils: Ranil Wickremesinghe"
  • গর্ডন ফেয়ারক্লাফ (দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল): আপনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আসবে কি?
  • রনিল বিক্রমাসিংহ: আমরা গণপ্রজাতন্ত্রী চীনকে তার প্রতিষ্ঠিত রূপেই স্বীকৃতি দিই। আমরাই ছিলাম প্রথম দেশগুলোর মধ্যে যারা চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করেছিল। পরবর্তীকালে বিভিন্ন সরকার সে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করেছে, এবং আমরাও সে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাই। মাঝেমধ্যে কিছু সমস্যা দেখা দিলেও আমরা নিশ্চিত যে, তা আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক নষ্ট করবে না। শুধু সরকার নয়, আমাদের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোরও চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে আলাদা সম্পর্ক রয়েছে।

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]