বিষয়বস্তুতে চলুন

রবার্ট ডাউনি জুনিয়র

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে
রবার্ট ডাউনি জুনিয়র (২০১৪)

রবার্ট ডাউনি জুনিয়র (জন্ম ৪ এপ্রিল, ১৯৬৫, নিউ ইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) হলিউডের সবচেয়ে প্রতিভাবান এবং বহুমুখী অভিনেতাদের একজন। তিনি "চ্যাপলিন (১৯৯২)" এর মতো প্রাথমিক চলচ্চিত্রের জন্য প্রশংসা অর্জন করেছিলেন এবং পরে মার্ভেল চলচ্চিত্র ফ্র্যাঞ্চাইজিতে সুপারহিরো "আয়রন ম্যান" হিসাবে যথেষ্ট খ্যাতি অর্জন করেছিলেন । ২০২৪ সালে ডাউনি "ওপেনহাইমার" (২০২৩) ছবিতে অভিনয়ের জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেতার জন্য একাডেমি পুরষ্কার জিতেছিলেন। তিনি ২০১২ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত হলিউডের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক গ্রহণকারী তারকা হিসেবে ফোর্বস সাময়িকী তালিকায় শীর্ষস্থানে মর্যাদা পেয়েছেন।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • শোনো, হাসো, রাজি হও—আর শেষে তোমার ইচ্ছেমতো কাজটি সেরে ফেলো।
    • রবার্ট ডাউনি জুনিয়র, জাড নেলসনের উদ্ধৃতি দিয়ে, "ইনসাইড দি অ্যাক্টর্স স্টুডিও" (৯ জুলাই ২০০৬)
  • মনে হচ্ছিল মুখে শটগান নিয়ে আঙুল ট্রিগারে রেখেছি, আর সেই গান-মেটালের স্বাদই আমার পছন্দ।
    • ১৯৯৯ সালে একজন বিচারকের কাছে মাদকাসক্তি বর্ণনা করতে গিয়ে
  • আমার রাজনৈতিক ভাবনা বেশ চমকপ্রদ, ডিনারের টেবিলে এটা জোরে বলি না—কিন্তু আপনি লা মাইরেজের ২০০০ ডলারের স্যুট থেকে জেলখানায় গিয়ে বেরিয়ে এসে উদারপন্থী (লিবেরাল) হতে পারেন না। এটা অসম্ভব। এ অভিজ্ঞতা কারও কাম্য নয়, কিন্তু এটা আমাকে শিখিয়েছে অনেক কিছু। তখন থেকেই আমার রাজনীতি আর পছন্দ-অপছন্দ গড়ে উঠেছে।
  • টনি স্টার্ক আর মার্ভেল ইউনিভার্সের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে... ভালো কর্মী হওয়ার পাশাপাশি একটু বাউণ্ডুলে আর সৃজনশীল হয়ে উঠেছিলাম। এমন এক সময় ছিল যখন মনে হত, মালিক আর তাদের পোষা প্রাণীর চরিত্র যেন মিলে যাচ্ছে... মাঝেমধ্যে থেমে ভাবতাম, 'এই ছবি থেকে বেরিয়ে নিজেকে খুঁজি'। নইলে এই ঘূর্ণির মধ্যে হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি ছিল।
  • মহামারীকালীন সংকটের বিশালতায় হতবাক হই—কিন্তু যারা দৃঢ়, তাদের থামায়নি কিছু। এ সময়টা গর্ব ভাঙার মতো অবরুদ্ধ, তবু কাজের শক্তি যেন বাড়িয়েছে।
  • মার্ভেলের ১০ বছর আমাকে সৃজনশীল চ্যালেঞ্জ দিয়েছে। এখন নতুন কিছু করার স্বপ্ন দেখি। পরিবর্তনই মূল—নিজের পথে কাঁটা দিলে চলবে না। ভালো বাবা, স্বামী, নাগরিক হতে গেলে ভবিষ্যতের জন্য তৈরি থাকতেই হয়। এখন কোনো স্ক্রিপ্ট দেখলে ভাবি, পরিবার থেকে কতদিন দূরে থাকব।
  • ভাগ্যিস আমার বেয়াড়া দিনগুলো ইন্টারনেট যুগের আগে! নৈতিকতা আমার ছিল, ঠিক কাজটাই করতে চাইতাম—কিন্তু শেষে সমালোচনাই খেতে হত।
  • আমি এমন এক চরিত্রের ধারণা পছন্দ করি— একসময় বিশ্বজুড়ে যার বিচরণ ছিল, কিন্তু এখন সম্পূর্ণ নির্জনবাসী। এই একাকীত্বের ইচ্ছাটা আমাকে মুগ্ধ করে। আমি এমন অনেককে চিনি যারা প্রায় আগোরাফোবিয়ার (Agoraphobia) কিনারায় পৌঁছে গিয়েছিল। এটা নিশ্চয়ই অদ্ভুত শোনায়, কিন্তু মজার ব্যাপার হলো—সবাই এই ধারনার সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। কল্পনা করুন তো, একসময় আপনি সিদ্ধান্ত নিলেন, 'আর কখনো বাড়ি থেকে বের হব না'... না, শুধু তাই নয়, 'মানুষের সংস্পর্শও ছেড়ে দেবো'। কিন্তু হঠাৎ কিছু শিশু আপনার জীবনে আসে, আর আপনাকে এই গণ্ডিবদ্ধ জীবনযাপন বদলাতেই হয়।

বহিঃ সংযোগ

[সম্পাদনা]