বিষয়বস্তুতে চলুন

রবার্ট মুন্ডেল

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে
রবার্ট মুন্ডেল, ১৯৯৮

রবার্ট আলেকজান্ডার মুন্ডেল, সিসি (জন্ম অক্টোবর ২৪, ১৯৩২ – মৃত্যু এপ্রিল ৪, ২০২১) ছিলেন একজন কানাডীয় অর্থনীতিবিদ। তিনি কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং চাইনিজ ইউনিভার্সিটি অব হংকংয়ে অর্থনীতি বিষয়ে অধ্যাপনা করতেন।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • বিশ্বের অন্যান্য দেশ যদি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্মুক্ত না হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষেও পুরোপুরি মুক্ত ব্যবস্থা বজায় রাখা সম্ভব হবে না। এই পরিস্থিতিতে জাপান, চীন আর জার্মানির পথ অনুসরণ করে যুক্তরাষ্ট্রকেও হয়তো নিজের বাজার রক্ষায় কিছুটা ‘সুরক্ষাবাদী’ নীতি গ্রহণে বাধ্য হতে হবে।
    • রবার্ট মুন্ডেল, ফোর্বস ডটকমে প্রকাশিত “নোবেলজয়ী: বিশ্ব অর্থনীতির ‘উলঙ্গ নারী’ হলো যুক্তরাষ্ট্র”, ২৬ মে ২০১৩
  • ইউরো এমন একটি মাধ্যম, যা ব্যবহার করে মুদ্রা এবং রাজস্বনীতির ওপর কংগ্রেস কিংবা পার্লামেন্টের সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ কেড়ে নেওয়া যায়। মূলত এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই অর্থনীতির নিয়ন্ত্রক থেকে খোদ ‘গণতন্ত্র’কে ছেঁটে ফেলে একপাশে সরিয়ে দেওয়া হয়।
    • রবার্ট মুন্ডেল, শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ছাত্র গ্রেগ প্যালাস্টকে বলেছিলেন[]

রবার্ট মুন্ডেল সম্পর্কে উক্তি

[সম্পাদনা]
  • মুন্ডেলের মডেলে রাজস্বনীতির এক বিশেষ ভূমিকা ছিল, বিশেষ করে যখন বিনিময় হার স্থির থাকত। তাঁর এই পুরো ব্যাখ্যাটি ছিল আসলে কেইনসীয় ঘরানার। সেখানে বাজেট ঘাটতি বৃদ্ধিকে পণ্যের সামগ্রিক চাহিদা বাড়ানোর একটি উপায় হিসেবে দেখা হতো। এছাড়া সরকারি ব্যয় বাড়ানো আর কর কমানোর মধ্যে তেমন কোনো তফাত রাখা হয়নি; অর্থনীতির ওপর এই দুটির প্রভাবই ছিল প্রায় একই রকম।
    • রবার্ট ব্যারো, নাথিং ইজ সেক্রেড (২০০২), পৃষ্ঠা ২৩
  • জন কেনেথ গ্যালব্রেইথ বা লেস্টার থুরোর কথাই ধরুন। সাধারণ মানুষের কাছে তাঁরা দুজনই ছিলেন সময়ের সেরা অর্থনীতিবিদ এবং তাঁদের সব ধরনের তাত্ত্বিক যোগ্যতাও ছিল। অথচ মূলধারার বুদ্ধিজীবী মহল বা একাডেমিক জগত তাঁদের একরকম উপেক্ষাই করে গেছে। আবার রবার্ট মুন্ডেলের উদাহরণটিও দেখুন—আন্তর্জাতিক মুদ্রাতত্ত্বে অবদানের জন্য তিনি আজও সম্মানিত। কিন্তু পরবর্তীতে ‘জোগানমুখী অর্থনীতি’র জনক হিসেবে তাঁর যে ভূমিকা ছিল, সেটিকেও একইভাবে অবজ্ঞা করা হয়েছে।
    • পল ক্রুগম্যান, ডেভেলপমেন্ট, জিওগ্রাফি, অ্যান্ড ইকোনমিক থিওরি (১৯৯৫)
  • ইউরো ‘ব্যর্থ’ হয়েছে—এমনটা মনে করা হবে এক ধরনের বিপজ্জনক সরলতা। বাস্তবতা হলো, ইউরো ঠিক সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছে যেভাবে এর প্রবর্তক এবং সমাজের সেই প্রভাবশালী ১ শতাংশ ধনী মানুষ আগে থেকেই পরিকল্পনা করেছিলেন।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]
  1. Hudson, Micheal (২০১৫)। "23. High Finance installs Technocrats as Proconsuls"। Killing the host : how financial parasites and debt destroy the global economy। CounterPunch Books। আইএসবিএন 978-3-9814842-8-1ওসিএলসি 920675065