রবীন্দ্রনাথ মৈত্র
রবীন্দ্রনাথ মৈত্র (১৮৯৬ ― ১৯৩৩) ছিলেন একজন বাঙালি সাহিত্যিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার ও সমাজসেবী। তিনি ছোটগল্প রচনায় বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। শনিবারের চিঠি, আনন্দবাজার পত্রিকা, বঙ্গশ্রী প্রভৃতি পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন। দিবাকর শর্মা ছদ্মনামে লিখেছেন অনেক ছোটগল্প। তার লেখার অনুরক্তের তালিকায় ছিলেন তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো সাহিত্যিক। তার শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো মানময়ী গার্লস স্কুল নামে একটি নাটক, যা পরে চলচ্চিত্রায়িত হয়ে জনপ্রিয়তা লাভ করে। তিনি সাতটি গল্পগ্রন্থে প্রায় চল্লিশের কাছাকাছি ছোটোগল্প লেখেন। ১৯২৫এ ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রকাশিত ‘থার্ডক্লাশ’ তাঁর প্রথম গল্প। তার উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম হলো, মায়াবাঁশী (১৯১১), সিন্ধু-সরিৎ (কাব্যগ্রন্থ ১৯২৬), মায়ার জাল, বাস্তবিকা, ত্রিলোচন কবিরাজ, দিবাকরী, উদাসীর মাঠ, মেবার কাহিনী, মডার্ন গৌরী, নিরঞ্জন প্রভৃতি।
উক্তি
[সম্পাদনা]- তুমি ভেবো না। এই বাঁশীটা নাও।” বলে বুড়ী টুপীর ভেতর থেকে একটা হাতীর দাঁতের বাঁশী বের করে রাখালের হাতে দিলে। সুন্দর বাঁশী, দুধের মত রং। বাঁশী হাতে নিয়ে মুখ তুলতেই রাখাল দেখলে বুড়ী আর নেই। রাখাল খানিকক্ষণ “বুড়ী” “বুড়ী” ক’রে ডাকল। কেউ সাড়া দিল না। বাঁশী দিয়ে কি করতে হবে ভেবে না পেয়ে রাখাল ধীরে ধীরে ফিরে গেল। সমস্ত দিনের পরিশ্রমে আর অনাহারে ক্লান্ত হ’য়ে সে বাঁশী হাতে করে ঘুমিয়ে পড়ল।
- মায়াবাঁশী, মায়াবাঁশী - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪
- নীভা। চার্চ্চ মানেন?
মানস। সব মানি। হিস্ট্রির পরীক্ষার দিন গীর্জা দর্গা আর কালীবাড়ী সকলের কাছেই পাঁচ পয়সা মানৎ করেছিলাম। একশো সাতাশ মার্কের উত্তর লিখে পাশ করেছি। একটা—হয় গীর্জা, নয় দর্গা, নয় কালীবাঁড়ী নিশ্চয় জাগ্রত, নৈলে পাশ কিছুতেই হতাম না।- মানময়ী গার্লস্ স্কুল, প্রথম অঙ্ক, প্রথম দৃশ্য, মানময়ী গার্লস্ স্কুল - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র, প্রকাশক-গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৯ বঙ্গাব্দ),পৃষ্ঠা ১১
- সন্ধ্যা হইতে অনবরত প্রলাপ বকিতে বকিতে খোকা অবসন্ন হইয়া পড়িয়াছিল। পিতা-মাতা ভাঙ্গা একটি কেরোসিনের বাক্স পুত্রের চৌকীর কাছে টানিয়া তাহার উপর পাশাপাশি নিস্পন্দ বসিয়া নির্ব্বাক-শঙ্কায় রুগ্ন-পুত্রের দিকে চাহিয়াছিল। স্ত্রী ঘন ঘন অঞ্চলে চক্ষু মুছিতেছিল। আর মহেশের সমস্ত অন্তর বিশ্বসংসার মন্থন করিয়া হোঁদল কুৎকুতে আবিষ্কার করিবার চেষ্টা করিতেছিল। এই সময়ে খোকার ঠোঁট নড়িয়া উঠিল। পিতা-মাতা তাহার মুখের উপর ঝুঁকিয়া পড়িয়া শুনিল, খোকা কহিতেছে, “আয় আয় হোঁদল কুৎকুতে আয় আয়।”
- হোঁদল কুৎকুতে, উদাসীর মাঠ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৬
- গাড়ী চলিতেছে। থার্ডক্লাশ গাড়ীর জানালাগুলি বন্ধ করিয়া দিলে কতক্ষণে অন্ধকূপ হত্যার পুনরাভিনয় হইতে পারে তাহাই ভাবিতেছি এমন সময় গাড়ী থামিল। তৃষ্ণার্ত্ত যাত্রীর দল সমস্বরে চীৎকার করিয়া উঠিল, ‘পানি-পাঁড়ে, এই পাঁড়ে!’ সঙ্গে সঙ্গে আশে-পাশের পঞ্চাশটা জানালার মধ্য দিয়া দেড়শ’ শূন্য ঘটি, গেলাস, বাটি ও মগ বাহির হইয়া আসিল।
‘এই পানি-পাঁড়ে! এ-ধার!
কালো বাতি হাতে কৃষ্ণবর্ণ, নগ্নপদ টুপী মাথায় পানি-পাঁড়ে আসিয়া দাঁড়াইয়া দাঁত খিঁচাইয়া কহিল—‘এ-ধার! হুকুম্সে পানি মিলেগা?’ তারপর মৃদুস্বরে কহিল, “এক এক লোটা, দো—দো পয়সা।”- থার্ডক্লাশ, থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র, তৃতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- ডি. এম. লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫
- “এইবার ভণ্ড! তোমার পালা এইবার। তোমাকে একবার চুবিয়ে নিই”—এই বলে সাধুর চুল চেপে ধরতেই জডিগ দেখলে সাধু আর নেই সেইখানে, তারই বয়সের একটি ছেলে দাঁড়িয়ে আছে। মুখখানি তার ফুলের মত সুন্দর, চোখ দুটী হাসিতে ভরা। জডিগ চমকে উঠল। এ মূর্ত্তি সে ছবিতে দেখেছে। দেখেই চিনল। একি, দেবদূত গ্রেব্রিয়েল তার সম্মুখে! হাত জোড় করে বললে, “না বুঝে অপরাধ করেছি, দেবদূত ক্ষমা করুন।”
- তপস্বী, মায়াবাঁশী - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৯
- তিনবারের বার জেল খাটিয়া যখন তিনকড়ি বাহির হইল তাহার পূর্বেই তাহার সংসারের একমাত্র অবলম্বন বুড়ী মাসী ধনমণি জলে ডুবিয়া পরলোকযাত্রা করিয়াছিল। ফটকের বাহিরে বন্ধু মদন ময়রার মুখে এই সংবাদ শুনিয়া তিনকড়ি আনন্দে নৃত্য আরম্ভ করিয়া দিল। ফটকের জমাদার হাঁকিল, “ভাগো হিঁয়াসে!” উল্লাসে বাধা পাইয়া তিনকড়ি দুই পার্টি দাঁতের সহিত বাঁ-হাতের বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠটি জমাদারকে প্রদর্শন করিয়া সদর রাস্তায় উঠিয়া আসিল। জমাদার রাগে জ্বলিয়া বন্ধমুষ্টি হইয়া ছুটিয়া আসিবার উপক্রম করিতেছিল, কিন্তু সহসা পিছনে জুতার শব্দ পাইয়া মুখ ফিরাইয়া দেখিল,—ইনস্পেক্টার সাহেব!
- তিনকড়ি-চরিত, দিবাকরী - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র, প্রকাশক- ডি. এম. লাইব্রেরী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩২
- মধ্য রাত্রি। হিমসিক্ত আচ্ছাদনের নীচে কুণ্ডলী করিয়া তন্দ্রাচ্ছন্ন প্রহরীর দল কাঁপিতেছিল। এমন সময় দূরের কোনো সজাগ প্রাণীর কণ্ঠ শোনা গেল, “লাটের গাড়ী! লাটের গাড়ী!” প্রদীপ্ত আলোক-ফলকে নিশীথের অন্ধকার বিদীর্ণ করিয়া রক্তচক্ষু লৌহ-দানব ছুটিয়া আসিল। চৌকীদারের দল কাঁপিতে কাঁপিতে ধড়্ফড় করিয়া উঠিয়া দাঁড়াইল। কেবল উঠিল না একজন! যেখানে বেণু সর্দ্দর পাহারায় ছিল সেখান হইতে অতি ক্ষীণ একটি আর্তনাদ শোনা গেল—মুহূর্ত্তের জন্য। এঞ্জিন কোনও অজ্ঞাত বস্তুতে বাধা পাইয়া একটু দুলিল কিন্তু তাহার গতি মন্থর হইল না।
- লাটের স্পেশাল, থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র, তৃতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- ডি. এম. লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫
- তুমি তো যাইতেছ চলিয়া!
আমরা তোমাকে বিদায় দিব বল তো কি বলিয়া?
রান্না শিখালে বান্না শিখালে গান কত শিধাইলে,
চীন জাপানের দেশ সব ম্যাপে এঁকে দেখাইলে।
সাত দিনে ফার্ষ্টবুক তুমি দিলে শেষ করি,
আমাদের কথা মনেতে রাখিও—তোমায় নমস্কার করি।- মানময়ী গার্লস্ স্কুল, তৃতীয় অঙ্ক, মানময়ী গার্লস্ স্কুল - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র, প্রকাশক-গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৯ বঙ্গাব্দ),পৃষ্ঠা ৬৬
- চোখ মেলে দেখে তারই আগেকার চেহারার মত এক কুলী বিড়ি টানতে টানতে হাতুড়ী দিয়ে তাকেই ভাঙ্গছে। কুলী চটে লাল হয়ে গেল। আমাকে ভাঙ্গে! কিন্তু করবেন কি? হাত-পা নাড়বার যো নাই। হাতুড়ী পড়ছে খট্ খট্। নাঃ—আর না—এর চেয়ে কুলী হওয়াই ভাল। তা হ’লে শাবল দিয়ে যাকে ইচ্ছা তাকে—অমনি দেবদূত অট্টহাস্য করে বললেন, “তাই হোক! ঘুরে ফিরে তাই হও, সেই তোমার ভাল। কিছুতে যার সন্তোষ নেই, তার উন্নতি কোন মতে হয় না। এইটে ভেবে রেখো।” বলে দেবদূত আকাশে চলে গেলেন।
- কুলী, মায়াবাঁশী - রবীন্দ্রনাথ মিত্র, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯
- শিশুর দল নীরবে পরম সম্ভ্রমের সহিত একজনকে ঘিরিয়া দাঁড়াইয়া তাহার কথা শুনিতেছিল। নিধিরাম নিকটে আসিয়া দাঁড়াইল। কথা কহিতেছিল একটি বালিকা। কোমরে নীলাম্বরী শাড়ীর অঞ্চল জড়াইয়া হাত নাড়িয়া সে প্রতিপন্ন করিতেছিল যে, কাণাকে কাণা এবং খোঁড়াকে খোঁড়া বলিতে নাই এবং যদি কেহ বলে, তবে তাহার সহিত বক্তার জন্মের মত আড়ি এবং পুতুলের বিবাহে সে তাহাকে কদাচ নিমন্ত্রণ করিবে না। সমাজ-চ্যুতির এই নিদারুণ শাস্তির ভয়ে পরিচিত কণ্ঠধ্বনি শুনিয়াও শিশুর দল আজ নীরব হইয়াছিল, নিধিরাম তাহা বুঝিল এবং বক্তাকে একবার ভাল করিয়া দেখিয়া লইয়া নিঃশব্দে ফিরিয়া গেল।
- নিধিরামের বেসাতি, থার্ডক্লাশ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র, তৃতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- ডি. এম. লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৮
- পরদিন রাতে ধানের গোলায় এসেই রাখালের ভয় হ’ল। প্রকাণ্ড গোলা—ধানে আর চালে বোঝাই। একবার মনে হ’ল, দরকার কি রাজকন্যা আর রাজত্ব? পালাই! তারপর ভাবল, দেখি এবার বুড়ীর বাঁশী কি করে। এই ভেবে রাখাল বাঁশীতে ফুঁ দিল। আওয়াজ থামতে না থামতেই এক ঝাঁকে প্রায় লাখ খানেক চড়ুই এসে ধান আর চাল আলাদা করা সুরু ক’রে দিল। ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই রাজার গোলার এক ধারে চাল, আর এক ধারে ধানের পাহাড় হ’য়ে গেল। রাখাল তখন নিশ্চিন্ত হ’য়ে মনের আনন্দে ঘুমিয়ে পড়ল।
- মায়াবাঁশী, মায়াবাঁশী - রবীন্দ্রনাথ মিত্র, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড পাবলিশিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০-১১
- কাণ পাতিলাম। পাশের গাড়ী হইতে দম আটকানো একটি কাশির শব্দ, আর তাহারই ফাঁকে ক্যানভাসারের কাঁসির আওয়াজে সেই পুরাতন বক্তৃতার কয়েকটি কথা শুনিতে পাইলাম,—“কাশি সারে, হাঁপি সারে—”
ধন্বন্তরি বটিকার মালিক আবার অট্টহাস্য করিয়া উঠিলেন, “বেড়ে রসিক, নামেও রসিক, কাজেও—” বলিয়া ভদ্রলোক ভয়ানক হাসিতে লাগিলেন। তাঁহার স্ফীতোদরের উপর হীরার লকেটটি বারবার আছাড় খাইয়া পড়িতে লাগিল, আমি নীরবে তাহাই দেখিতে লাগিলাম।- ক্যানভাসার, উদাসীর মাঠ - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩১
- পরদিন সন্ধ্যাকালে ট্যাক্সি চাপিয়া উৎফুল্ল বাবু আপিসে আসিলেন; তাঁহার চোখে সোনার পাস্নে চশমা। আসিয়াই নোটীশবোর্ডে লটকাইয়া দিলেন—
এতদ্বারা সব এডিটারগণ কম্পোজিটারগণ এবং আপিসের অন্যান্য কর্ম্মচারীগণ মায় দপ্তরী সাহেবান্গণকে জানান যাইতেছে যে প্রতি ডাকের সময় যেন তাঁহারা সতর্ক থাকেন এবং প্রত্যেকের স্ত্রী এবং বিবির চিঠিপত্র যেন স্বহস্তে ডেলিভারী লন, নচেৎ ভুলক্রমে সম্পাদকের টেবিলে চিঠিপত্র গিয়া পৌঁছিলে নানা প্রকার গোলযোগ ঘটিবার সম্ভাবনা থাকিবে এবং তাহার জন্য সম্পাদক দায়ী হইবেন না।”- সম্পাদকের চশমা, দিবাকরী - রবীন্দ্রনাথ মৈত্র, প্রকাশক- ডি. এম. লাইব্রেরী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৮