রাজাকার (পাকিস্তান)
অবয়ব
রাজাকার বা রেজাকার হলো ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক গঠিত একটি আধাসামরিক বাহিনী। এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী বাঙালি এবং উর্দুভাষী অবাঙালি অভিবাসীদের নিয়ে গঠিত হয়। অবরুদ্ধ বাংলাদেশে স্বাধীনতার জন্যে লড়াইরত মুক্তিবাহিনীকে প্রতিরোধ করার জন্য ১৯৭১ সালের মে মাসে খুলনায় প্রথম রাজাকার বাহিনী গঠিত হয়।
উক্তি
[সম্পাদনা]- তাহাদিগকে মোকাবিলা করার জন্য রাজাকাররাই যথেষ্ট।
- জাতির এই সংটজনক মুহূর্তে প্রত্যেক রাজাকারের উচিত ইমানদারীর সাথে তাদের উপর অর্পিত এ জাতীয় কর্তব্য পালন করা এবং ওই সকল ব্যক্তিকে খতম করতে হবে যারা সশস্ত্র অবস্থায় পাকিস্তান ও ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে।
- মতিউর রহমান নিজামী। যশোর রাজাকার সদর দফতরে সমবেত রাজাকারদের উদ্দেশ্য করে এক ভাষণে। (দৈনিক সংগ্রাম, ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭১) [২]
- মুক্তিযুদ্ধের সময় অনেকেই রাজাকার হয়েছিলো, প্রচণ্ড অত্যাচারও করেছিলো, কিন্তু তাদের সংখ্যা ছিলো খুবই কম- এখন দেশে যতো রাজাকার আছে তখন ততো রাজাকার ছিলো না,- তখন অধিকাংশ বাঙালিই ছিলো সশস্ত্র বা নিরস্ত্র মুক্তিযোদ্ধা। রাজাকারদের প্রবৃদ্ধি ঘটেছে গত তিন দশকে; এবং বেদনাদায়ক ব্যাপার হচ্ছে স্বাধীনতার পর, তিন দশকে, মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযুদ্ধকে ভুলে দীক্ষা নিয়েছে রাজাকারমন্ত্রে।
- হুমায়ুন আজাদ। আমরা কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম, প্রকাশক: আগামী প্রকাশনী, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০০৬, পৃষ্ঠা: ৪২
- একবার রাজাকার মানে চিরকাল রাজাকার; কিন্তু একবার মুক্তিযোদ্ধা মানে চিরকাল মুক্তিযোদ্ধা নয়।
- হুমায়ুন আজাদ। হুমায়ুন আজাদের প্রবন্ধগুচ্ছ, প্রকাশক: আগামী প্রকাশনী, প্রকাশকাল: জুলাই ২০০৭, পৃষ্ঠা: ৫০
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় রাজাকার সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।