বিষয়বস্তুতে চলুন

রুমিন ফারহানা

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে

রুমিন ফারহানা হলেন বাংলাদেশের একজন রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী। বর্তমানে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০২৬-এ নির্বাচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য। এর আগে তিনি নারী আসন-৫০ থেকে নির্বাচিত একাদশ জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন। তিনি ২০১৯ সালের ২৮ মে জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে ৫০ নং আসনে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ২০২২ সালের ১১ ডিসেম্বর তার পদ থেকে পদত্যাগ করেন।  তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত হন।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • ধর্মকে ব্যবহার করে যারা মানুষকে বিভক্ত করতে চায়, তারা আসলে এই দেশের চিরায়ত সম্প্রীতির শত্রু। এই দেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, মুসলিম—সবাই মিলে গড়ে উঠেছে। এখানে সাম্প্রদায়িকতার কোনো স্থান নেই। সাধারণ মানুষ ধর্ম নিয়ে বিভাজন চায় না। কিন্তু একটি মহল সব সময় ধর্মকে ব্যবসার হাতিয়ার বানিয়েছে। বিভাজন সৃষ্টি করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়েছে।
    • ২০২৫ সালের ১৭ আগস্ট চট্টগ্রামের জেএমসেন হলে শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত মাতৃসম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে। [১]
  • আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমি যতদিন এই এলাকার দায়িত্বে থাকবে, আমার এলাকায় ওয়াজ যেমন হবে,কীর্তন যেমন হবে, বাউল গানও হবে। বাংলাদেশের সৃষ্টি ও সংস্কৃতি লালন পালন করে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব আমাদের। আমাদের কৃষ্টি-সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মকে জানানোর দায়িত্বও আমাদের। যারা বাউল গান ও মাজারের সাথে যুক্ত তারা কিন্তু আমাদের সংস্কৃতির একটি অংশ।
    • ২০২৬ সালের ২৬ মার্চ-এ আশুগঞ্জ উপজেলার আধ্যাত্মিক সাধক আব্দুল কাদির শাহ (রহ.)-এর ৫৮তম বার্ষিক ওরস উদ্বোধনকালে। [২]
  • ধর্ষণ প্রতিরোধে তিনটি বিষয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—শিক্ষা, সচেতনতা এবং বিচার। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় বয়ঃসন্ধিকাল, শরীরের পরিবর্তন ও যৌনতা বিষয়ে প্রয়োজনীয় শিক্ষা যথাযথভাবে দেওয়া হয় না। বিশেষ করে ছেলেরা অনেক সময় সঠিক তথ্যের অভাবে বিভ্রান্তিকর উৎসের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। যৌন শিক্ষা নিয়ে সমাজে এখনো গভীর ‘ট্যাবু’ রয়েছে, যা ভাঙতে পরিবার ও গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
    • ৪ জুন ২০২৬-এ ঢাকা বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে এক গোলটেবিল আলোচনায়। [৩]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]