বিষয়বস্তুতে চলুন

লিয়ন কুপার

উইকিউক্তি, মুক্ত উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন থেকে
১৯৭২ সালে স্ত্রী কে অ্যালার্ডের সাথে লিয়ন কুপার

লিয়ন এন কুপার (২৮ ফেব্রুয়ারি,১৯৩০ – ২৩ অক্টোবর,২০২৪) ছিলেন একজন মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী এবং পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী। তিনি জন বারডিন এবং জন রবার্ট শ্রিফারের সাথে যৌথভাবে অতিপরিবাহিতার বিসিএস তত্ত্ব উদ্ভাবন করেন। তিনি বিখ্যাত 'কুপার জোড়ের জন্য পরিচিত এবং সিন্যাপটিক প্লাস্টিসিটির বিসিএম তত্ত্বের অন্যতম উদ্ভাবক।

উক্তি

[সম্পাদনা]
  • একজোড়া ইলেকট্রনের কথা চিন্তা করুন যারা একটি স্থির ফার্মি গোলকের ওপর মিথস্ক্রিয়া করে। যদি ইলেকট্রনগুলোর মধ্যে একটি কার্যকর আকর্ষণ থাকে, তবে দেখা যায় তারা একটি আবদ্ধ অবস্থা তৈরি করতে পারে। এই ধরনের আবদ্ধ জোড়গুলোর একটি অবিচ্ছিন্ন সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যগুলো অতিপরিবাহিতা তৈরি করার সম্ভাবনাকে নির্দেশ করে।
    • 'ফিজিক্যাল রিভিউ' জার্নালে প্রকাশিত প্রবন্ধ (১৫ নভেম্বর ১৯৫৬)।
  • আপেক্ষিকতা এক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিংশ শতাব্দীর পদার্থবিজ্ঞানের শুরু, আবার অন্য দিক থেকে এটি চিরায়ত বা ক্লাসিক্যাল পদার্থবিজ্ঞানের সর্বোচ্চ শিখর। এটি গ্যালিলিও এবং নিউটন শুরু করা বিশ্ববীক্ষার সবচেয়ে মার্জিত সংস্করণ। এক অর্থে আইন্সটাইনের পর চিরায়ত পদার্থবিজ্ঞান আর সামনে এগোতে পারত না, ঠিক যেমন মোজার্টের পর চিরায়ত সংগীতের ক্ষেত্রে ঘটেছিল।
    • 'অ্যান ইনট্রোডাকশন টু দ্য মিনিং অ্যান্ড স্ট্রাকচার অফ ফিজিক্স' (১৯৭০), পৃষ্ঠা ৩০১।
  • যখন স্বাভাবিক অবস্থার ইলেকট্রন স্তরের বিশাল ডিজেনারেসি দূর করা হয়, তখন অতিপরিবাহী এবং স্বাভাবিক গ্রাউন্ড স্টেট ওয়েভ ফাংশনের মধ্যে মৌলিক গুণগত পার্থক্য তৈরি হয়। আমরা কল্পনা করতে পারি যে, জোড়গুলো অন্য ইলেকট্রন দ্বারা দখল করা নেই এমন সব স্তরের ওপর দিয়ে নিজেদের পথ তৈরি করে নিচ্ছে।
    • নোবেল বক্তৃতা (১১ ডিসেম্বর ১৯৭২)।
  • অনেক বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী (যাদের মধ্যে বোর, হাইজেনবার্গ এবং ফাইনম্যান ছিলেন) অতিপরিবাহিতা নিয়ে কাজ করেছেন বা করার চেষ্টা করছিলেন। তাঁদের এই দীর্ঘ তালিকা দেখে আমার থমকে যাওয়া উচিত ছিল। এমনকি ১৯২২ সালে আইন্সটাইনও অতিপরিবাহিতার একটি তত্ত্ব নির্মাণের চেষ্টা করেছিলেন। ভাগ্যক্রমে আমি এই সব ব্যর্থ চেষ্টার কথা জানতাম না। তাই যখন জন আমাকে তাঁর সাথে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানালেন, আমি এতে ঝাঁপিয়ে পড়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।
    • 'বিসিএস: ৫০ ইয়ার্স' (২০১১), পৃষ্ঠা ৪।
  • যেসব নিউরনের সম্ভবত কোনো আবেগ বা অনুভূতি নেই, তারা কীভাবে আমাদের মধ্যে আবেগ এবং অনুভূতির জন্ম দেয়?
    • ব্রাউন ইউনিভার্সিটি ডিপার্টমেন্ট অফ ফিজিক্সের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া বক্তব্য (২২ জুন ২০১৭)।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]