শহর
অবয়ব

—জওহরলাল নেহেরু
শহর হলো এক প্রকার মানব বসতি, যা সাধারণত কোনও গ্রামের চাইতে বড় এবং বৃহৎ শহর তথা নগর অপেক্ষা ছোট। বিশ্বজুড়ে শহরকে চিহ্নিত করার মানদণ্ড ভিন্ন ভিন্ন হয়, যা প্রায়শই জনসংখ্যার আকার, অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্য, প্রশাসনিক অবস্থা বা ঐতিহাসিক তাৎপর্যের মতো বিষয়ের উপর নির্ভর করে। কিছু অঞ্চলে, আইনি সনদ বা সরকারি পদবির মাধ্যমে শহরকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়, আবার অন্য কিছু অঞ্চলে এই শব্দটি অনানুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়। শহরগুলিতে সাধারণত পৌর কর্তৃপক্ষের মতো কেন্দ্রীভূত পরিষেবা এবং শাসনব্যবস্থা থাকে এবং এগুলি নিজ নিজ অঞ্চলের মধ্যে বাণিজ্য, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
উক্তি
[সম্পাদনা]- সেই মহাভারতের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত দিল্লি শহরে বা তার আশেপাশে কত মানুষ বসবাস করে এসেছে। কত লোক কত নামে ডেকেছে এই শহরকে: ইন্দ্রপ্রস্থ, হস্তিনাপুর, তুঘ্লকাবাদ, শাজাহানাবাদ এবং আরও কত নামে। শোনা যায়, যমুনা নদীর ধারার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সাত-সাতটা ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় এই একই দিল্লি শহর পত্তন করা হয়। আজ যে নূতন দিল্লি বা রায়সিনা শহর দেশের বর্তমান শাসনকর্তাদের হুকুমে নির্মিত হয়েছে, এক হিসাবে তাকে অষ্টম দিল্লি বলা চলে।
- জওহরলাল নেহেরু, অতীতের আহ্বান, বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮
- আমরা কোহিমা শহরটি চারিদিকে ঘিরিয়া ফেলিয়াছি। এবার যুদ্ধ হইতেছে শহর দখলের জন্য। আমাদের আক্রমণকারী সেনাদলের উপর কামান দাগিতেছে। জাপানী সেনারা আমাদের সহিত সহযোগিতা করিতেছে। আমাদের এরোপ্লেন হইতে কোহিমার উপর বোমা ফেলা হইল। আমাদের একদল গিয়াছে জি-টি পাহাড়ের দিকে। এই পাহাড় হইতে কোহিমা শহরে জল সরবরাহ হয়। পানীয় জল বন্ধ হইলে শহরের পতনে দেরী হইবে না।
- এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ৭ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১
- আজকাল শহরে শহরে বিদ্যুতের আলো দেখা যায়। জাহাজে রেলগাড়িতে সবখানেই ‘বিজলীবাতি’র আমদানি হইয়াছে। জল জোগাইবার জন্য রাস্তায় যেমন নল বসানো হয়, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পাঠাইবার জন্য সেইরকম লোহা বা তামার তার খাটাইতে হয়। জলের কারখানায় বড়ো-বড়ো দমকলের চাপে জল ঠেলিয়া উঁচুতে তোলে, সেই তোলা-জল শহরের নল বাহিয়া চারিদিকে ছড়াইয়া পড়ে।
- সুকুমার রায়, আশ্চর্য আলো, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৮
- দু’চারজন এ পল্লিরই লােক···বাকি আসবে শহর থেকে।
শহর থেকে? মাথা নেড়ে মা বললেন, পরক্ষণেই তিনি ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলেন।
পেভেল ব্যথিত হয়ে বললাে, এ কি মা, কাঁদছ কেন? কি হয়েছে?
জামার হাতায় ছােখ মুছে মা বললেন, জানি না, কান্না পাচ্ছে।
ঘরের এদিক-ওদিক পায়চারি ক’রে মায়ের সামনে দাঁড়িয়ে পেভেল প্রশ্ন করলো, ভয় পাচ্ছ, মা?
মা ঘাড় নাড়লেন, হাঁ—শহরের লােক, কে জানে কেমন!···- মাক্সিম গোর্কি, মা, মা - ম্যাক্সিম গোর্কি, অনুবাদক- বিমল সেন, প্রকাশক- বর্মণ পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩
- সেদিন সে লিখেছিল, ঘুঁটে চাই চালানো,
শহরের ঘরে ঘরে ঘুঁটে হোক জ্বালানো।
কয়লা ঘুঁটেতে যেন সাপে আর নেউলে
ঝরিয়াকে করে দিক একদম দেউলে।- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আজ হল রবিবার— খুব মোটা বহরের, ছড়া- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৯৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৯
- খবরটা দেখতে সারা শহরে ছড়িয়ে পড়ল। ঘুমন্ত মানুষ শয্যা ছেড়ে উঠে বসল। ইতিমধ্যে পথে আওয়াজ উঠেছে- প্রতিরোধ চাই; প্রররোধ। ছাত্র আর শ্রমিকদের মিছিল বেরিয়ে গেছে। তারা সারা শহরের পথে পথে ঘুরে প্রতিরোধ সংগ্রামের আওয়াজ তুলেছে। সেই আওয়াজে ঘরের মানুষ ঘর ছেড়ে পথে এসে দাঁড়িয়েছে।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- নবম খণ্ড, সম্পাদনা- হাসান হাফিজুর রহমান, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৩৬-৩৩৭
- পাংখাবাড়ি থেকে কারসিয়ং দুধারে ঝরনা আর চা বাগান সবজী-খেত, থাকে-থাকে পাহাড়ের গায়ে পাহাড়ি বস্তি, সাহেবদের কুঠি, কার্সিয়ং শহরটা যেন আর একটা ঝরনার মতো দেখা যাচ্ছে—পাহাড়ি গোলাপ গেঁদা গাছা-আগাছার কুঁড়ি ধরেছে।
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, টুং-সোন্নাটা-ঘুম, বুড়ো আংলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৭
- বিদেশী মাল জাহাজে করিয়া শহরের ঘাট পর্যন্ত আসিয়া পৌঁছিতে পারে, কিন্তু সেই জাহাজটাতে করিয়াই দেশের হাটে হাটে আমদানি রফ্তানি করাইবার দুরাশা মিথ্যা। যদি বিলিতি জাহাজটাকেই কায়মনে আঁকড়াইয়া ধরিতে চাই তবে ব্যাবসা শহরেই আটকা পড়িয়া থাকিবে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শিক্ষার বাহন, শিক্ষা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৯
- কর্ডোবা শহরটি যেমন বড়ো ছিল তেমনি সুদশ্য; উদ্যানের মতো পরিপাটি ও মনোরম ছিল এর ঘরবাড়ি, পথঘাট। এ শহরে দশ লক্ষ লোক বাস করত। কর্ডোবা লম্বায় ছিল দশ মাইল, শহরতলী অঞ্চলের আয়তন ছিল চব্বিশ মাইল। লিখিত আছে যে, এই শহরে প্রাসাদ ও অট্টালিকাদির সংখ্যা ছিল ষাট হাজার, সাধারণ বসতবাটী ছিল দুই লক্ষ, দোকান ছিল আশি হাজার, ও সাধারণের ব্যবহারের জন্য সাত শো হামাম। সংখ্যাগুলি হয়তো একটু বাড়িয়ে বলা হয়েছে, তবু এর থেকেই বোঝা যায় কীরকম প্রকাণ্ড ও জমকালো শহর ছিল কর্ডোবা। শহরে অনেকগুলি গ্রন্থাগার ছিল, তার মধ্যে সবচেয়ে বড়ো ছিল আমিরের খাস প্রন্থাগার।
- জওহরলাল নেহেরু, কর্ডোবা ও গ্রানাডা, বিশ্ব-ইতিহাস প্রসঙ্গ- জওহরলাল নেহরু, অনুবাদক- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৩
- এখানে যে জায়গার কথা বলিতেছি সেটাকে পাতালপুরী বলা হইল এইজন্য যে সেটা মাটির নীচে। মাটির নীচে ঘরবাড়ি, মাটির নীচে রেলগাড়ি, মাটির নীচে হোটেল সরাই গির্জা—সমস্ত শহরটাই মাটির নীচে। শহরটা কিসের তৈয়ারি জান? নুনের! অসলে সেটা একটা নুনের খনি। অস্ট্রিয়ার কাছে—মাটির নীচে এই অদ্ভুত শহর। হাজার হাজার বৎসর লোকে এই খনিতে খুঁড়িয়া খুঁড়িয়া লবণ তুলিয়াছে।
- সুকুমার রায়, পাতাল পুরী, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৭
- বাহির থেকে মস্কৌ শহর যখন চোখে পড়ল দেখলুম য়ুরোপের অন্য সমস্ত ধনী শহরের তুলনায় অত্যন্ত মলিন। রাস্তায় যারা চলেছে তারা একজনও শৌখিন নয়,সমস্ত শহর আটপৌরে কাপড়-পরা। আটপৌরে কাপড়ে শ্রেণীভেদ থাকে না, শ্রেণীভেদ পোশকী কাপড়ে। এখানে সাজে পরিচ্ছদে সবাই এক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, রাশিয়ার চিঠি-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২
- কান্দাহার সেরূপ নয়। বেশ সুন্দর সমতল ভূমি। শহরের মধ্যে প্রবেশ করলে মনে হয় না আশেপাশে পাহাড় রয়েছে। অথচ চামনের দিক থেকে যদি কান্দাহার যাওয়া যায় তবে বুঝতে পারা যাবে কত পাহাড় ডিঙ্গিয়ে তারপর কান্দাহার পৌঁছান যায়।
- রামনাথ বিশ্বাস, কান্দাহার, আফগানিস্থান ভ্রমণ - রামনাথ বিশ্বাস, তৃতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- অশোক পুস্তকালয়, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৮
- কয়েক বৎসর আগে সানফ্রান্সিসকো শহরে যে ভূমিকম্প হইয়াছিল সে কেবল বাড়ি ঘর ফেলিয়াই ক্ষান্ত হয় নাই, গ্যাসের নল আর বিদ্যুতের তার ভাঙিয়া জড়াইয়া সে শহরে আগুন লাগাইয়া দেয়। সে এমন সর্বনেশে আগুন যে শহরের সমস্ত দমকল মিলিয়াও তাহাকে কিছুমাত্র জব্দ করিতে পারে নাই। তার পরে শহরের কর্তা বোমাবারুদ ফাটাইয়া আগুনের আশেপাশে অনেকগুলা বাড়ি উড়াইয়া দিয়া মনে করিলেন আগুন আর ছড়াইতে পারিবে না। কিন্তু আগুন প্রায় সিকি মাইল ফাঁকা জমি টপকাইয়া শহরের আর একদিকে ফুটিয়া বাহির হইল। যাহা হউক, খানিক বাদে বাতাসের মুখ ঘুরিয়া গেল তাই রক্ষা, তাহা না হইলে শহরের চিহ্নমাত্র থাকিত কি না সন্দেহ।
- সুকুমার রায়, ভূমিকম্প, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২১
- কখনো গােয়েন্দাদের চোখে ধুলি দিতে আত্মগােপন করেছে রকম-বেরকমের ছদ্মবেশে। শহরে শহরে চালান করেছে শত শত নিষিদ্ধ পুস্তক। নির্বাসিত সঙ্গীদের মুক্তির আয়োজন ক’রে দিয়েছে···সঙ্গে করে তাদের বিপদ সীমার বাইরে রেখে এসেছে। তার বাড়িতে একটা ছাপাখানা ছিল···পুলিস খানাতল্লাশ করতে এলে এক মিনিটের মধ্যে ভেল বদলে চাকরের সাজে আগন্তুকদের সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেলো সে···তারপর গায়ে একখানা র্যাপার জড়িয়ে, মাথায় রুমাল বেঁধে, হাতে একটা কেরোসিনের টিন নিয়ে কেরোসিন-ওয়ালীর বেশে শীতের কনকনে হাওয়ায় শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চ’লে গেলো।···
- মাক্সিম গোর্কি, মা, মা - ম্যাক্সিম গোর্কি, অনুবাদক- বিমল সেন, প্রকাশক- বর্মণ পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৪-১৩৫
- আজ আমরা অজস্র গোলা বর্ষণ ও গ্রেনেড্ বোমা বিস্ফোরণের মধ্যে কোহিমা শহরে প্রবেশ করিয়াছি। কোহিমার ডেপুটি কমিশনারের বাংলো আমাদের অধিকারে। কিন্তু শহরটি এখনো সম্পূর্ণ দখল হয় নাই।
- এম. জি. মুলকর, কোহিমা অবরোধ, ১০ই এপ্রিল ১৯৪৪, আজাদী সৈনিকের ডায়েরী- এম. জি. মুলকর, প্রকাশক-ওরিয়েন্টাল এজেন্সী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১১
- সৈন্যরা মহাস্থানগড় হয়ে বগুড়া শহরের দিকে মার্চ করে চলে আসছিল। ওরা সকালবেলা বগুড়া শহরের সামনে এসে পৌছল। শহরে ঢোকার একমাত্র পথ সুবিলখালের পুল। ওরা সেই পথ দিয়েই চলে এল।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- নবম খণ্ড, সম্পাদনা- হাসান হাফিজুর রহমান, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৩৭
- আমি বিলবোর্ডে নায়িকার বদলে দেখি কাকের ঝাক।
পোড়া মানুষের গন্ধের চেয়ে বিরিয়ানির সুবাস
এ শহরে বেশি ভাসে,
মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা আর ভালো লাগে না।- বিরিয়ানি এবং কাকের গল্প, নির্বাচিত কবিতা, হাসান হামিদ, পৃষ্ঠা ১ [১]
- অন্য শহরের কথা ছেড়েই দিলাম, এত যে বড়ো লণ্ডন শহর, কয়েকশত বছর আগে তার যেরকম দুরবস্থা ছিল তা শুনলে অবাক হয়ে যেতে হয়। শহরের রাস্তাগুলো ছিল উঁচু নিচু, রাত্রে বাতি জ্বলে না, গাড়ি ঘোড়ার চল নাই, চোর ডাকাতের ভয়ে লোকে সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে বেরোতে সাহস পায় না। সে সময় শহরে দু-দশ জন বড়োলোক ছাড়া কারও গাড়ি চড়বার উপায় ছিল না।
- সুকুমার রায়, আদ্যিকালের গাড়ি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮০
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় শহর সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।
উইকিমিডিয়া কমন্সে শহর সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে।
উইকিঅভিধানে শহর শব্দটি খুঁজুন।