শামছুল হুদা পাঁচবাগী
অবয়ব
মাওলানা শামছুল হুদা পাঁচবাগী (জন্ম ১৮৯৭- মৃত্যু ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৮৮) ছিলেন উপমহাদেশে মুসলিম জাতিসত্ত্বার প্রবক্তা। উনবিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ, রাজনীতিবিদ, শিক্ষাসংস্কারক, সমাজহিতৈষী, চির সংগ্রামী-বিপ্লবী, আধ্যাত্মিক রাহবার ও মুজাদ্দিদ।
উপমহাদেশের রাজনীতির প্রবাদ পুরুষ, বাংলার প্রথম স্বাধীনতাকামী রাজবন্দী (জাতীয় সংসদে স্বীকৃত) ইংরেজ শাসনাধীন ভারতে মুসলমানদের ক্ষয়িষ্ণু অবস্থান দৃষ্টিভঙ্গির পশ্চাৎপদতা সাংস্কৃতিক অবক্ষয়ে তিনি নতুন জীবনদৃষ্টি নির্মাণে পথিকৃতের ভূমিকা পালন করেন। [১]
উক্তি
[সম্পাদনা]- “মানুষ পশু নহে যে তাহার তৃপ্তি নাই। বরং পশুরই তৃপ্তি নাই। যেমন একটি কুকুর তাহার সম্মুখে একটি মরা হাতি থাকিলেও তাহার জন্য যথেষ্ট নহে; এইজন্য অন্য কুকুরকে মরা হাতির নিকট ঘেঁষিতে দেয় না। যদ্যপি কুকুর তাহার এক জীবনে তাহা ভক্ষণ করিতে পারিবে না; বরং এরই মধ্যে হাতিটি পঁচিয়া, ছিঁড়িয়া নষ্ট হইয়া যাইবে। তেমনই দুনিয়াদার মানুষ চায়, গোটা দুনিয়াটাই তাহার হইত। অথচ সে কস্মিনকালেও গোটা দুনিয়া ভোগ করিতে পারিবে না। সেই জন্যই হজরত (সা.) বলিয়াছেন, দুনিয়াটা একটা মরা জন্তু আর দুনিয়াদার হইতেছে কুকুর।”
- নাসীম আরাফাত, কিংবদন্তির মহানায়ক মাওলানা শামছুল হুদা পাঁচবাগী রহ., মাকতাবাতুল হুদা আল ইসলামীয়া, পৃষ্ঠা ৬
- মিছে পাকিস্তান জিন্দাবাদ, ইংরেজকে তাড়াই পাঞ্জাবি আনতে যাই, বাংলা নহে স্বাধীন, বাংলা চির পরাধীন, পাকিস্তান নয় ফাঁকিস্তান,পাকিস্তান হবে জালিমের স্থান।
- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর প্রকাশিত ইশতেহার [২]
- “গোটা বাঙালি জাতিটাই কি নাকী হুজুগে মাতোয়ারা? এদের গড্ডালিকা-প্রবাহের দোষ কি নাকী চিরকালই আছে? এরা ভেড়ার পাল। পালের গোদা (প্রধান) যে দিকে চলে, এদের সকলেই সে দিকে চলে। তাদের গতিরোধ করে কে? হুজুগে বাঙালি মাতে, কর্তব্য না বুঝে; হুজুগে তাদের ক্ষিদে, বাস্তব ক্ষিদে মিছে।”
- নাসীম আরাফাত, কিংবদন্তির মহানায়ক মাওলানা শামছুল হুদা পাঁচবাগী রহ., মাকতাবাতুল হুদা আল ইসলামীয়া, পৃষ্ঠা ৮
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিপিডিয়ায় শামছুল হুদা সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।