শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন
অবয়ব
উক্তি
[সম্পাদনা]- ক্ষমতার পেছনে দৌড়ানো নয়, ঈমান রক্ষাই মুসলমানের জন্য ফরজ - রাষ্ট্রক্ষমতা, নির্বাচন বা রাজনৈতিক স্বার্থের নামে যদি কাউকে এমন পথে হাঁটতে হয়, যেখানে দ্বীনের মৌলিক আদর্শ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে সে পথ পরিহার করাই একজন মুমিনের দায়িত্ব। “ঈমান বাঁচলে সব বাঁচে, ঈমান হারালে কিছুই বাঁচে না” উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুনিয়ার কোনো লাভ-লোকসান ঈমান নষ্ট হওয়ার চেয়ে বড় হতে পারে না। {১৯ জানুয়ারি ২০২৬(সময় টিভি)}
- গণভোট যদি চাইতেই হয়, তাহলে আমি আমার দেশে ইসলামি হুকুমত প্রতিষ্ঠার জন্য গণভোট চাইবো। আপনারা যদি ইসলামি হুকুমত প্রতিষ্ঠার জন্য গণভোট দাবিতে ময়দানে নামেন, আমরাও মাঠে নামবো ইনশাআল্লাহ।ইসলামই এই দেশের মাটির সঙ্গে মিশে থাকা বিশ্বাস ও সংস্কৃতির শিকড়। জনগণের কল্যাণ, ন্যায়বিচার ও মানবিক সমাজ গড়তে ইসলামী নীতির বিকল্প নেই। তাই যদি গণভোট হয়, তবে সেটা হওয়া উচিত ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে, যাতে জনগণ নিজেদের ঈমানি অবস্থান ঘোষণা করতে পারে।;আজ দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, নৈতিক অবক্ষয় ও সামাজিক বিশৃঙ্খলা দিন দিন বাড়ছে। এর একমাত্র সমাধান হলো রসুলুল্লাহ সা. এর আদর্শে পরিচালিত ইসলামি হুকুমত প্রতিষ্ঠা।{১১ নভেম্বর ২০২৫(সময় টিভি)}
- অন্ধ লোক যেভাবে অন্যকে পথ দেখাতে পারেনা, তেমনিভাবে বেআমল আলেম মানুষকে আলোর পথ দেখাতে পারে না। সমাজের মধ্যে বহু আলেম বিদ্যমান যারা শুধু কথায় কথায় ইসলামকে প্রসঙ্গ করে কিন্তু তাদের বাহ্যিক আমলে ইসলামের কোন প্রতিফলন নেই, তাদের মাধ্যমে হেদায়েতের পথ খুজে পাওয়া অসম্ভব। এজন্য সমাজে হাদীর ভূমিকায় আসতে হলে হক্কানী আলেম তথা ইলম ও আমলের সমন্বয়ে নিজেকে প্রস্তুত করে সলফে সালেহীনের দেখানো মতাদর্শে অগ্রসর হতে হবে। তাহলেই ব্যাক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলামের আদর্শ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। {১০ জানুয়ারি ২০২৬(সময় টিভি)}
- ‘আমরা কি আসলেই স্বাধীন? আমাদের শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কি আমাদের মালিকানায়? আমাদের শরীরের প্রতিটা অঙ্গ দিয়ে যা মন চায় তাই করতে পারবো? ইসলামের কেউই স্বাধীন নয়। এমনকি অবলা গাছপালা কিংবা হিংস্র জীব-জানোয়াররাও স্বাধীন নয়। সবাই একক হুকুমের অধীনে পরিচালিত হয়। সবাই পরাধীন। সবাই একজনের গোলাম।’ {২৮ জানুয়ারি ২০২৬, (খবরের কাগজ)}